<?xml version='1.0' encoding='UTF-8'?><?xml-stylesheet href="http://www.blogger.com/styles/atom.css" type="text/css"?><feed xmlns='http://www.w3.org/2005/Atom' xmlns:openSearch='http://a9.com/-/spec/opensearchrss/1.0/' xmlns:georss='http://www.georss.org/georss' xmlns:gd='http://schemas.google.com/g/2005' xmlns:thr='http://purl.org/syndication/thread/1.0'><id>tag:blogger.com,1999:blog-1090308001181777331</id><updated>2011-12-01T10:06:21.186+11:00</updated><category term='খেরোখাতা'/><category term='পূজো'/><category term='সংস্কৃতি'/><category term='স্বদেশ'/><category term='চলচ্চিত্র'/><category term='পদ্য হলো কি?'/><category term='মুক্তিযুদ্ধ'/><category term='সংসার'/><category term='সাহিত্যপাঠ'/><category term='গল্প'/><title type='text'>আমার ভাঙা পথের রাঙা ধূলা</title><subtitle type='html'>...আমার এই পথ চাওয়াতেই আনন্দ...</subtitle><link rel='http://schemas.google.com/g/2005#feed' type='application/atom+xml' href='http://projapoti.blogspot.com/feeds/posts/default'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default?max-results=100'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://projapoti.blogspot.com/'/><link rel='hub' href='http://pubsubhubbub.appspot.com/'/><author><name>নিঘাত সুলতানা তিথি</name><uri>http://www.blogger.com/profile/01171944509548484876</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='21' height='32' src='http://img1.orkut.com/images/medium/1188076426/19981351.jpg'/></author><generator version='7.00' uri='http://www.blogger.com'>Blogger</generator><openSearch:totalResults>60</openSearch:totalResults><openSearch:startIndex>1</openSearch:startIndex><openSearch:itemsPerPage>100</openSearch:itemsPerPage><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-1090308001181777331.post-2235015879372719049</id><published>2011-09-26T01:01:00.002+10:00</published><updated>2011-09-26T01:01:16.351+10:00</updated><title type='text'>মন কেমন করে</title><content type='html'>"মন কেমন করে"... এই কথাটা কেমন করে বলে গিয়েছিলো রবীন্দ্রনাথ? অনেকক্ষন ধরে শুয়ে ছিলাম, চোখ জুড়ে প্রচন্ড ঘুম। কিন্তু চোখ বন্ধ করলেই ঘুম উধাও। আর মন...সে যে আজ কেমন করছে। যখন বুঝতে পারলাম, আজ আর ঘুম আসবে না, ঠিক তখন হঠাৎ ভীষন পড়তে ইচ্ছা করতে শুরু করলো। নিজেই খানিক অবাক হলাম, গত কয়েক বছরে এরকম কিছু খুচরো সময় হাতে পেলেই ইন্টারনেটে ঢুকে পড়ি। ফেসবুক...ঘুরতে থাকি। নয়ত গুগলে ঢুকে নানান বিষয়ে সার্চ দিয়ে খোঁজখবর নেই। আর যদি ইউটিউবে ঢুকে পড়ি তাহলে তো কথাই নেই। আজ এই সব কিচ্ছু করতে ইচ্ছা করলো না। খুব গান শুনতে ইচ্ছা করছে। মোবাইল থেকেই সোজা কবীর সুমনের রবীন্দ্রসংগীত চালিয়ে দেই, "নিত্য তোমার যে ফুল ফোটে ফুলবনে"। আর তখুনি হঠাৎ করেই যেন কিছু একটা ক্লিক করে উঠলো মনের মধে। শরীরজোড়া আলস্য ভেঙ্গে উঠে গিয়ে আমি অনেক আগের পড়া প্রিয় একটা বই দিয়ে এলাম পড়ব বলে, হুমায়ূন আহমেদের "দেবী", সাথে শান্তিমাখা সব রবি ঠাকুরের গান। ঠিক তার আগে ফেসবুকে দুম করে চোখ পড়তেই দেখি ইউনিভার্সিটির এক জুনিয়র বন্ধু তার ছোট বোনের সাথে একটা ছবি তুলে প্রোফাইলে পিকচার হিসেবে দিয়েছে, নিচে লিখেছে, "আমার জানবাচ্চা"- আর ওমনি কোথা থেকে রাজ্যের সব পানি এসে আমার ঘুম-চোখ ভরে ওঠে!&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/1090308001181777331-2235015879372719049?l=projapoti.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://projapoti.blogspot.com/feeds/2235015879372719049/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=1090308001181777331&amp;postID=2235015879372719049&amp;isPopup=true' title='1 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/2235015879372719049'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/2235015879372719049'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://projapoti.blogspot.com/2011/09/blog-post.html' title='মন কেমন করে'/><author><name>নিঘাত সুলতানা তিথি</name><uri>http://www.blogger.com/profile/01171944509548484876</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='21' height='32' src='http://img1.orkut.com/images/medium/1188076426/19981351.jpg'/></author><thr:total>1</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-1090308001181777331.post-1610967807056506003</id><published>2011-03-22T00:49:00.002+11:00</published><updated>2011-03-22T01:13:32.825+11:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='খেরোখাতা'/><title type='text'>চিরন্তন</title><content type='html'>চুলে ইচ্ছামতন তেল দিলাম একটু আগে। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এক সময় চুলে তেল দিতে এত বিরক্ত লাগতো! মামণি জোর করে ধরে চুলে তেল দিয়ে দিত, দেয়া শেষে তেলমাখা হাত কপালে আর গলায় ঘষে দিতো। আমি রাগে-বিরক্তিতে চিৎকার উঠতাম আর আম্মু বলতো, "আরে বুঝবি না, এত পড়াশুনা করিস, আরাম লাগবে দেখিস"। আমি প্রাণপণে ঘষে কপাল আর ঘাড়ের তেল তোলার চেষ্টা করতাম আর ভাবতাম, চুলে দিয়েছে দিক, কপাল-ঘাড়ের ব্যাপারটা কি?! বলা বাহুল্য, পরদিন চুলের শ্যাম্পুটাও আম্মুই করে দিতো।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এখন আর এই সবের বালাই নেই। সেই স্বার্থহীন ভালোবাসা, শত মুখঝামটা সহ্য করেও কেবল মঙ্গলই চেয়ে যাওয়া... সেই সব রূপকথার মত স্মৃতি হয়ে গেছে সব। এখন শুধু এতটা বয়সে আম্মুর সেই সব বিরক্তিকর আদর, ভালোবাসা আর যত্নের জন্য মাঝে মাঝে নিজেকে এত বেশি কাঙাল মনে হয়! একটাবার, কোনভাবে, যেকোনভাবে যদি তার কাছে যেতে পারতাম... যত দূর হোক, শুধু যদি সেটা হতো এই পৃথিবীর কোন একটা জায়গা, আমি গিয়ে তার বুকের মধ্যে লুকিয়ে থাকতাম। মাগো, কত খারাপ ব্যবহার যে করেছি, কত মুখে মুখে তর্ক, বেয়াদবী, তোমার আদরের মূল্যটুকুই দিই নি কখনও। আর ক'টা দিন সময় দিতে মা, আরেকটু বড় হতাম, আরেকটু বুঝতে শিখতাম... আর যদি জানতাম তুমি এমনি করে চলে যাবে... বড় কষ্ট মামণি বুকের ভেতরে, বড় ফাঁকা- প্রতিটা মুহুর্তে, প্রতিটা ছোট ছোট ঘটনায়, শুধুই তোমার কথা মনে পড়ে...&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আজ চুলে তেল দিয়ে কপালে আর ঘাড়েও মেখে দিয়েছি। তুমি কি দেখে একটু খুশি হলে? তোমার মেয়েটার একটুখানি আরাম হলো!&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/1090308001181777331-1610967807056506003?l=projapoti.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://projapoti.blogspot.com/feeds/1610967807056506003/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=1090308001181777331&amp;postID=1610967807056506003&amp;isPopup=true' title='3 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/1610967807056506003'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/1610967807056506003'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://projapoti.blogspot.com/2011/03/blog-post.html' title='চিরন্তন'/><author><name>নিঘাত সুলতানা তিথি</name><uri>http://www.blogger.com/profile/01171944509548484876</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='21' height='32' src='http://img1.orkut.com/images/medium/1188076426/19981351.jpg'/></author><thr:total>3</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-1090308001181777331.post-1349781447739584314</id><published>2010-08-17T02:23:00.006+10:00</published><updated>2010-08-17T02:37:28.623+10:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='খেরোখাতা'/><title type='text'>গঙ্গাফড়িং</title><content type='html'>শরীর খারাপ, সর্দি ভীষন, বেশ কয়েকদিন ধরেই। ভাগ্যিস, অসুখটা উইকেন্ডেই বেড়েছিলো, তাই রেস্ট নিতে পারলাম। আর আজ সিক কল দিয়ে দিলাম, টানা তিন দিনের অবসর। শরীরটা এখনও ভালো নেই। অষুধ খেয়েছিলাম, সেহেরীর আগে একটু ঘুমিয়ে নিলে ভালো হত, ঘুমটা সর্দির জন্য খুব ভালো কাজে দেয়। কিন্তু আজ কেমন যেন কি হয়েছে...তেমন অবশ্য কিছু না, ওই তো বাবার কথা খুব মনে হচ্ছে। বোকার মত বাবাকে একটা এস.এম.এস. ও দিয়ে ফেলেছি গলা ভেঙেছে বলে। আর তার সে কি টেনশান...আজ সবার সাথে ভীষন কথা বলতে ইচ্ছা করছে, তাই ধুমিয়ে এস.এম.এস. করে যাচ্ছি সবাইকে, গলাটা এরকম ভেঙ্গে না গেলে অনেক কথা বলা যেত। আর এখন খুব হাস্যকর ভাবে নিজের পুরনো লেখাগুলো পড়লাম বসে বসে। ব্লগস্পটেও যে কত ড্রাফট জমে আছে আমার! এই লেখাটাও একটা ড্রাফট হয়ে যেতে পারে শেষ মেষ কে জানে...হা হা হা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;খুব লিখতে ইচ্ছা করছে কিছু যেন। একটা কোন গল্প। পুরনো গল্পগুলো পড়লাম, মাত্র কয়েকটাই, কিছুই হয় নি সেগুলো। তবু মায়া মায়া চোখে তাই পড়লাম। এখন যদি একটা এরকম কিছুই না-ও লিখতে পারতাম...কি যে একটা শান্তি হতো মনে।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/1090308001181777331-1349781447739584314?l=projapoti.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://projapoti.blogspot.com/feeds/1349781447739584314/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=1090308001181777331&amp;postID=1349781447739584314&amp;isPopup=true' title='5 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/1349781447739584314'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/1349781447739584314'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://projapoti.blogspot.com/2010/08/blog-post.html' title='গঙ্গাফড়িং'/><author><name>নিঘাত সুলতানা তিথি</name><uri>http://www.blogger.com/profile/01171944509548484876</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='21' height='32' src='http://img1.orkut.com/images/medium/1188076426/19981351.jpg'/></author><thr:total>5</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-1090308001181777331.post-8519250436209760561</id><published>2010-07-11T03:35:00.006+10:00</published><updated>2010-08-17T02:36:49.736+10:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='খেরোখাতা'/><title type='text'>ওয়াকা ওয়াকা এ ও...</title><content type='html'>রাত জেগে বিশ্বকাপের খেলাগুলোও দেখে চলছি নিয়মিত। খেলা দেখা মিস করতে আমি কিছুতেই রাজী না। আফটার অল, ইট হ্যাপেনস ওয়ান্স ইন ফোর ইয়ারস! পাড়ার মাঠের খেলা নাকি, বিশ্বকাপ বলে কথা। অবশ্য অস্ট্রেলিয়াতে খেলা দেখে বাংলাদেশের মত মজা আর কই? খেলা শুরু হবার সময় বেশ এক্সাইটেড হয়ে অফিসের সবাইকে এক এক করে জিজ্ঞেস করি, "বিশ্বকাপ শুরু হচ্ছে। অস্ট্রেলিয়া তো আছেই, আর কোন দল তুমি সাপোর্ট কর?" ব্যাটারা কিছুক্ষন বোঝেই না, চোখ কুঁচকে অবশেষে উলটা প্রশ্ন করে, "সকার"? মেজাজটা এমন খারাপ হয়, বিশ্বকাপ তো সকারেরই চলছে, ঢং! অবশ্য এদের বলে আর কি হবে? এরা ক্রিকেটে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয়েও ক্রিকেটে উৎসাহ নেই, আর তো ফুটবল। সারা বছর আছে শুধু ফুটির তালে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এখানে খেলাগুলোর টাইমিং খুব ঝামেলায় ফেলে দিয়েছে। রাত বারোটা এবং ভোড় সাড়ে চারটায় হয় খেলাগুলো। সাড়ে চারটার খেলা শেষ হয় ভোর সাড়ে ছয়টায়! কখনও এক ঘুম দিয়ে উঠে খেলা দেখি, কখনও একবারে খেলা দেখে ঘুমাই। ইনফ্যাক্ট আমি অবশ্য বেশিরভাগই টানা জেগে থাকি, যেমন আজ আছি। এমন ব্যাপার দাঁড়িয়ে গেছে, এখন খেলা না থাকলেও ঘুম আসে না রাতে। সারা রাত ধরে জেগে থাকি, পরের দিন অফিসে যাই প্রচন্ড মাথা ব্যথা আর চোখ ব্যথা নিয়ে। আজকের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচটা না দেখলেও চলতো। কিন্তু আছেই আর মোটে দুইটা ম্যাচ, তারপর তো আবার চার বছর। ততদিনে তো মইরাও যাইতে পারি! &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;------------------------------------------------&lt;br /&gt;এই পর্যন্ত লিখে খেলার সময় হয়ে গিয়েছিলো সেদিন। পুরো ম্যাচ এত চমৎকার খেলেও উরুগুয়ে শেষমেশ হেরে গিয়েছিলো জার্মানীর কাছে। তবে খেলাটা দেখার মত হয়েছিলো। অন্তত ফাইনাল খেলার মত কনফিউজিং ছিলো না...কনফিউজিং এই অর্থে যে ওটা ফুটবল ছিলো নাকি রেসলিং এটা বুঝতেই প্রথমার্ধ শেষ হয়ে গেলো। স্পেনের এত সুন্দর খেলাটা নেদারল্যান্ডের খেলোয়ারদের কাছে মার খেয়ে খেয়ে তালই খুঁজে পাচ্ছিলো না যেন। দ্বিতীয়ার্ধ থেকে একটু মারামারি কমলেও থামে নি। যাক, ধারাবর্ণনায় কাজ কি? ফাইনালি স্পেন যে শেষ মুহুর্তে গোলটা দিয়ে জিততে পেরেছে এতেই আমি খুশি, শুধু এজন্য নয় যে আমি ফাইনালে স্পেনের সমর্থক ছিলাম, বরং এজন্য যে ওরা আসলেই এবারের কাপটা ডিজার্ভ করে। অবশ্য নেদারল্যান্ডও ফাইনাল ছাড়া টুর্নামেন্টের বাকি খেলায় অপরাজিতই ছিলো। আর খুব ভালো লেগেছে এই মারামারির পুরো ম্যাচে নেদারল্যান্ডের রোবেনের একার দলকে টেনে নিয়ে যাবার প্রচেষ্টা। খেলা শেষ হয়ে যাবার পরে পরাজিত দলের জন্য আমার কেন যেন বরাবরই খুব খারাপ লাগে। কতগুলো কান্নাভেজা, ভীষন হতাশ, যেন সব হারানো সারি সারি মুখ...। খেলা দেখতে এত ভালো লাগে, শুধু এই একটা ব্যাপারই কষ্টের, প্রতিটা খেলায় কাউকে না কাউকে হারতে হয়। হারতেই হয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বিশ্বকাপ শেষ হয়ে গেলো। আমার রাত জেগে থাকা এখনও বন্ধ হচ্ছে না। নিয়ম করে ভোর ছয়টা পর্যন্ত জেগে থাকি। ফুটবলীয় জেটলেগ!&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/1090308001181777331-8519250436209760561?l=projapoti.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://projapoti.blogspot.com/feeds/8519250436209760561/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=1090308001181777331&amp;postID=8519250436209760561&amp;isPopup=true' title='1 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/8519250436209760561'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/8519250436209760561'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://projapoti.blogspot.com/2010/07/blog-post.html' title='ওয়াকা ওয়াকা এ ও...'/><author><name>নিঘাত সুলতানা তিথি</name><uri>http://www.blogger.com/profile/01171944509548484876</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='21' height='32' src='http://img1.orkut.com/images/medium/1188076426/19981351.jpg'/></author><thr:total>1</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-1090308001181777331.post-8777467020708421523</id><published>2010-03-18T23:27:00.003+11:00</published><updated>2010-03-18T23:31:22.503+11:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='খেরোখাতা'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='পদ্য হলো কি?'/><title type='text'>নিঃশব্দে</title><content type='html'>সংগীর অভাব আমার হয় নি কোনদিনই -&lt;br /&gt;এই যে দেখো&lt;br /&gt;বইয়ের তাকে আর একটুখানি জায়গাও নেই অবশিষ্ট।&lt;br /&gt;গানের জলসায় যাওয়া হয় না আজকাল ঠিকই,&lt;br /&gt;তাই বলে গান শুনি না ভাবো না নিশ্চয়ই!&lt;br /&gt;গানের বাজারজাতকরণ ব্যাপারটা মন্দ নয় কি বল?&lt;br /&gt;যদিও ইদানিং আগের মত&lt;br /&gt;খবরের কাগজে খুঁজি না&lt;br /&gt;আজ কোথায় কখন কোন নাটকের শো চলছে,&lt;br /&gt;অথবা ভালো লাগা মুভির ফেস্টিভাল।&lt;br /&gt;কিন্তু সব আছে ডিভিডি হয়ে,&lt;br /&gt;হাতের কাছেই অন্য সব কিছুর মতই।&lt;br /&gt;আর আছে বিশ্বজোড়া জাল ছড়ানো এক গণকবাক্স।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এত কিছু নিয়ে&lt;br /&gt;কাটানোর মত সময়গুলো&lt;br /&gt;অতিরিক্ত হয়ে যায় নি কখনই তাই আমার জন্য।&lt;br /&gt;বুঝতে পারছো তো?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;তোমাকে আজকের ব্যস্ত বিকালটার কথাই বলি নাহয়--&lt;br /&gt;আজ কি হলো জানো?&lt;br /&gt;বিকাল বেলা হঠাত সে কি উত্তাল বাতাস! ঝড় !&lt;br /&gt;আমি বারান্দায় গিয়ে দাঁড়াতেই&lt;br /&gt;ভীষণ বাতাসে আমার স্কার্টের ঝুল গোল হয়ে ফুলে উঠলো!&lt;br /&gt;ঠিক ছোট্টবেলায় যেমন ঘরের কোনায় দাঁড়াতাম&lt;br /&gt;ফ্যানের বাতাসে ফ্রকের ঝুল ফোলাতে!&lt;br /&gt;আর ঠিক তখনই আমার একটুখানি, হ্যা খুব একটুখানিই&lt;br /&gt;তোমার কথা মনে হলো...&lt;br /&gt;ধানমন্ডি লেকে বেড়াতে গিয়ে একদিন&lt;br /&gt;হঠাত এমনি ঝড়ের কবলে পড়েছিলাম আমরা,&lt;br /&gt;তোমার মনে পড়ে?&lt;br /&gt;সবাই যখন ছুটোছুটি করে আশ্রয় খুঁজতে ব্যস্ত,&lt;br /&gt;তখন তুমি আর আমি হাত ধরে লেকের পাড়ের রেলিং ঘেঁষে দাঁড়িয়ে!&lt;br /&gt;আমি সেদিন কেন যেন শাড়ি পড়েছিলাম,&lt;br /&gt;ঝড়ো বাতাসে&lt;br /&gt;পতপত করে উড়ছিলো আমার লাল টুকটুকে শাড়ির আঁচল...।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এই তো, এইসব স্মৃতি রোমন্থনের ব্যস্ততায়ই&lt;br /&gt;কেটে গেলো আমার আজকের বিকেল,&lt;br /&gt;অন্য আর সব দিনের মতই।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এবার বলো তো, তোমাকে ভাবার বিলাস&lt;br /&gt;তবু কেন কাঁদাবে আমায়?&lt;br /&gt;সময় কোথায় আমার তেমন!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কিন্তু কি আশ্চর্য!&lt;br /&gt;প্রতিটা দিনের শেষে কেন যেন রাত নামে।&lt;br /&gt;নামেই,&lt;br /&gt;রোজ।&lt;br /&gt;আর আমার সারাদিনের নিজস্ব সংগীদের&lt;br /&gt;ঠিক সেই মুহুর্তে সবচেয়ে বড় শত্রু মনে হয়।&lt;br /&gt;আমার ভীষন ব্যস্ততার আলগা মুখোশ&lt;br /&gt;এক নিমেশে খসে পড়ে।&lt;br /&gt;আমার চিতকার করে বলতে ইচ্ছা করে --&lt;br /&gt;আমার এসব কিচ্ছু চাই না&lt;br /&gt;কিচ্ছু না!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমার--&lt;br /&gt;শুধু তোমাকে চাই!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;------------------------------------------&lt;br /&gt;২০০৭-এর কোন এক ভোরে ভুতের প্রভাবে লেখা হয়েছিলো এই জিনিস। দিন তারিখ মনে থাকার কথা নয়, কিন্তু সামহোয়ারইন ব্লগে পোস্ট করেছিলাম বলেই জানা গেলো সময়টা ২৪মে, ভোর ৪টা ৩ ছিলো। থাকুক এখানে, নিজের ব্লগে।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/1090308001181777331-8777467020708421523?l=projapoti.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://projapoti.blogspot.com/feeds/8777467020708421523/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=1090308001181777331&amp;postID=8777467020708421523&amp;isPopup=true' title='5 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/8777467020708421523'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/8777467020708421523'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://projapoti.blogspot.com/2010/03/blog-post_18.html' title='নিঃশব্দে'/><author><name>নিঘাত সুলতানা তিথি</name><uri>http://www.blogger.com/profile/01171944509548484876</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='21' height='32' src='http://img1.orkut.com/images/medium/1188076426/19981351.jpg'/></author><thr:total>5</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-1090308001181777331.post-5821350868554978672</id><published>2010-03-17T00:23:00.003+11:00</published><updated>2010-03-17T00:38:57.516+11:00</updated><title type='text'>রেললাইনে বডি দেবো, মাথা দেবো না</title><content type='html'>নাহ, অনেক হয়েছে, এইবার আমি সিদ্ধান্তে অটলঃ আগামীকাল থেকে চিনি বন্ধ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ব্যাপারটা এরকম মোটেই নয় যে আমি খুব মিষ্টি খেতে পছন্দ করি। বরং মিষ্টিজাতীয় যেকোন খাবারে যথেষ্ট অনীহাই রয়েছে। কিন্তু ঝামেলা বাধাচ্ছে একটা খাবার, থুড়ি পানীয়। আর কি...চা নয়ত কফি। চা-কফিতে ব্যাপক আসক্তি আমার, এবং সেটা চিনি সহ। প্রতি কাপে মিনিমাম এক চামচ চিনি খাই। তো দিনে তিন কাপ চা/কফি খেলে একদম ডিরেক্টলি তিন চামচ চিনি পেটে ঢুকে যাচ্ছে। তাইলে আর কেমনে কি? বয়স বাড়ছে, দিনে এক্সারসাইজ বলতে বাড়ি থেকে স্টেশন পর্যন্ত সতেরো মিনিট হাঁটা...আর কিছু না হলেও এই তিন চামচ করে চিনি তো শরীরে জমেই যাচ্ছে। গত আড়াই বছরে দশ কেজি ওজন কি এমনি এমনি বাড়লো? আড়াই বছর মানে ৯১২ দিন, মানে ২৭৩৭ চামচ চিনি!!! আজ রাতে যেহেতু ইতিমধ্যেই চা খেয়ে ফেলেছি, আগামীকাল থেকেই তাহলে শুরু। মরি-বাঁচি, চায়ে অন্তত চিনি খাবো না।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/1090308001181777331-5821350868554978672?l=projapoti.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://projapoti.blogspot.com/feeds/5821350868554978672/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=1090308001181777331&amp;postID=5821350868554978672&amp;isPopup=true' title='4 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/5821350868554978672'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/5821350868554978672'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://projapoti.blogspot.com/2010/03/blog-post.html' title='রেললাইনে বডি দেবো, মাথা দেবো না'/><author><name>নিঘাত সুলতানা তিথি</name><uri>http://www.blogger.com/profile/01171944509548484876</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='21' height='32' src='http://img1.orkut.com/images/medium/1188076426/19981351.jpg'/></author><thr:total>4</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-1090308001181777331.post-72085438268401063</id><published>2009-12-30T11:54:00.005+11:00</published><updated>2009-12-30T12:45:50.299+11:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='খেরোখাতা'/><title type='text'>মধ্যপথে ঠেকলো গাড়ি...</title><content type='html'>কুয়ালামপুরে বসে লিখছি। আমার এখনও বিশ্বাসই হচ্ছে না যে আমি সত্যি সত্যি দেশে যাচ্ছি! &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এরকম হয়, যে ব্যাপারগুলো নিয়ে সবচেয়ে বেশি উতসাহ, আগ্রহ, প্রত্যাশা, অপেক্ষা বা এমন যেকোন ভালো লাগা বা কষ্টের অতি মানবীয় আবেগ জড়িয়ে থাকে, সেই ব্যাপারগুলো চোখের সামনে চলে এলে আমি ঠিক বিশ্বাস করে উঠতে পারি না। এয়ারপোর্টে তারুকে ফেলে যখন ইমিগ্রেশান পার হচ্ছিলাম, তখন আবার এটাও বিশ্বাস হচ্ছিলো না যে আমি সত্যি একা যাচ্ছি। তারুর সাথে যেকোন কিছু শেয়ার করে নিতে ভালো লাগে। নিশ্চিন্ত লাগে। আজ প্লেনে মোবাইল ফোনটা সুইচ অফ করবার পরেও কতবার যে কত কারনে ওকে কল করতে ইচ্ছা করেছে...। জানা কিছু ব্যাপার, তবু কথা বলে মিলিয়ে নিতে ভালো লাগে। মানুষ আজব ভীষণ। একই সাথে ভালো লাগা আর কষ্টের মিশেল দিয়ে কি যেন আজব এক আজব অনুভূতি হয়। এতদিন পরে দেশে যাচ্ছি সেই আনন্দ, আবার সবচেয়ে কাছের মানুষটিকে ছেড়ে দশটা দিন আলাদা থাকাটাও অনেক কষ্টের। এই মানুষটার কাছে থাকবার জন্যই তো দেশ আর বাবা, আপু, বন্ধুদের ছেড়ে আসা! &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কুয়ালালামপুর এয়ারপোর্টে এই প্রথম এলাম। অনেক গরম বাইরে। নেমেই একটা মজার ব্যাপার হলো, দু'টো বাংলাদেশি ছেলে, এখানেই থাকে বোধ করি, আমাকে নিয়ে ছোটখাট একটা গবেষণা চালালো। একজন নিশ্চিত, আমি বাংলাদেশি, দেখে নাকি মনে হয় বাংলাদেশি মেয়ে না হয়ে যায়ই না। আরেকজনের দ্বিধা আছে। ফাইনালি তারা এইসব কথা আমার পাশ দিয়ে যেতে যেতে বাংলায়ই বললো, আমি কিছু বুঝি নাই ভাব করে থাকি, কি দরকার বেচারা স্বদেশী ভাইদের বিব্রত করে। একটা ব্যাপার ইন্টারেস্টিং লাগে, বাংলাদেশি, ভারতীয়দের অন্য দেশের মানুষেরা গড়পরতা ভারতীয়ই মনে করে, কিন্তু কোথাও একটা অন্যরকম তো আছেই। আমরা কেমন করে বুঝে যাই, কে বাংলাদেশের আর কে ভারতের!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;নেমেই ভাবলাম, একটু নাস্তা করে কফি খাই। এক্সপেরিমেন্টের ঝামেলায় না গিয়ে ম্যাকডোনাল্ডসেই ঢুকে গেলাম। কিন্তু যেই কফি খাওয়ার উদ্দেশ্যে গেলাম তাই নেই। মানে আছে, কিন্তু কেবলই ব্ল্যাক কফি। ক্যাপুচিনো, লাটে--এইসব কিছু নেই। আমার ব্ল্যাক কফি একেবারেই চলে না। চা-কফির মধ্যে অনেক দুধ থাকবে, আর সেই সাথে গাঢ় লিকার, এবং খানিক চিনি- এই হলো আমার আদর্শ চা-কফি। সেই বিচারে লাটে খুব প্রিয়, ইদানিং ক্যাপুচিনোও ভালো লাগে। কাজেই কেবল পানিই নিলাম। আজ প্লেনে পড়ছিলাম এয়ার ট্রাভেলিং-এর সময় পিউর পানি আর জুস ছাড়া অন্য যেকোন ড্রিংক্স না নেয়াই উচিত, ওগুলো আরো শুষ্ক করে দেয় শরীর, উচ্চতায় তো এমনিতেই শুষ্ক থাকে। তো অর্ডার করে অস্ট্রেলিয়ান ডলারে পে করতে পারলাম ঠিকই কিন্তু চেঞ্জটা দিলো মালয়েশিয়ান রিংগিটে! ৮.৪৫ রিংগিট হয়েছিলো বিল, আমি দিলাম ৫০ ডলার, আর ফেরত পেলাম ১২৫.৫৫ রিংগিট। খুচরা পয়সাগুলো দেখেও মজা লাগছে। কিছুমিছু কেনা যেতো, কিন্তু লাগেজ তো অলরেডি ফুল...।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এখন যে নেট সার্ফিং করছি সেটা কে.এল. এয়ারপোর্টের ফ্রি সার্ভিস। দুই ঘন্টার জন্য ফ্রি। কানেক্ট করার আগে এই রকম হুমকি দেখেই করলাম যে, এটা সিকিউরড নয়, যে কেউ দেখতে পারবে। কিন্তু আসলে কিছু হবে না মনে হয়। বসে বাংলা লিখছি, কেউ বুঝলে তো! অবশ্য ক'দিন ধরে জিমেইল, ফেসবুকে কেউ আমার একাউন্ট হ্যাক করার চেষ্টা করছে, ইমেইল আসে, আমি নাকি নতুন ইমেইল সেট করতে চেয়েছি বা ইনফর্মেশান বদলাতে চেয়েছি। কোন ফাজিল যে এই কাজগুলো করে?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;একটু ঘুম ঘুম পাচ্ছে, কফিটা খেতে পারলে খুব ভালো হতো। মালয়েশিয়ান সময়ে সাড়ে নয়টা বাজে মাত্র। আমার ঢাকার ফ্লাইট আরো সাড়ে চার ঘন্টা পরে, কেমনে যে পার করি। বই আছে একটা সঙ্গে, মাহমুদুল হকের "প্রতিদিন একটি রুমাল", পড়ি। আচ্ছা আমি কি সত্যি দেশে যাচ্ছি? আজকে সত্যি বাবার সাথে দেখা হবে? একে একে সবার সাথে? আর আমার দেশটার সাথেও? এখনও মাথায় ঢুকছে না। গতকাল এক বড় ভাই উপদেশ দিয়েছেন, খুব সাবধানে থাকবেন, বাংলাদেশ এমন এক উইয়ার্ড দেশ, সব ঘটা সম্ভব। হায়, সেই উইয়ার্ড দেশটাকে দেখবার জন্যই তবু মন কেমন করে..."প্রতিদিন তোমায় দেখি সূর্যপ্রাতে/ প্রতিদিন তোমার কথা হৃদয়ে জাগে/ ও আমার দেশ/ ও আমার বাংলাদেশ"।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আর এই দশটা দিন.........পার করে দিস তারু, ভালো থাকিস, প্লিজ। আর তাড়াতাড়ি চলে আয়। তোকে ছাড়া কোন আনন্দই পরিপূর্ন হয় না যে আমার...।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/1090308001181777331-72085438268401063?l=projapoti.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://projapoti.blogspot.com/feeds/72085438268401063/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=1090308001181777331&amp;postID=72085438268401063&amp;isPopup=true' title='3 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/72085438268401063'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/72085438268401063'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://projapoti.blogspot.com/2009/12/blog-post.html' title='মধ্যপথে ঠেকলো গাড়ি...'/><author><name>নিঘাত সুলতানা তিথি</name><uri>http://www.blogger.com/profile/01171944509548484876</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='21' height='32' src='http://img1.orkut.com/images/medium/1188076426/19981351.jpg'/></author><thr:total>3</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-1090308001181777331.post-6823890289455659158</id><published>2009-11-28T03:24:00.005+11:00</published><updated>2009-11-28T03:46:59.401+11:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='খেরোখাতা'/><title type='text'>আমি গাই ঘরে ফেরার গান...</title><content type='html'>ঈদে আমার রান্নাবান্নার ফিরিস্তি শুনে বাবা খুব চিন্তায় পড়েছে, ভাবছে আমার ছোট্ট মেয়েটা কি বেশি গিন্নী গিন্নী হয়ে গেলো? এবার যখন দেশে আসবে তখন সেই আদরের মেয়েটাকে পাবো না? আমার খুব আনন্দ লাগে, আমার চোখে পানি চলে আসে...। এই সেই মানুষ, যে বয়সের হিসাব দিয়ে আমাকে পরিপক্ক হয়ে যেতে দেখতে চায় না। আমার কাছে জাগতিক লাভ-লোকসানের কোন চাহিদা নেই তো তার, আছে কেবল অসীম মমতা। ভালোবাসা-মমতায় সেইসব হিসাব কি চলে? কিন্তু বাবা, এখানে, তোমার থেকে এত দূরে, অচেনা সব আবছায়া মানুষদের ভীড়ে বড় তো আমাকে হতেই হয়, অন্তত অভিনয়, নইলে যে কেবল অভিযোগ! &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;অনেক হলো বাবা, আবার ক'টা দিন, অন্তত সামান্য ক'টা দিন তোমার কাছে এসে আবার আগের আমি হতে চাই, যেখানে সমস্ত আবদার কেবল আমিই করব, ইচ্ছেমত যত খুশি যন্ত্রণা করব তোমাকে...। সেইসব যন্ত্রণা ঈশ্বরের উপহার ভেবে বুকে জড়াবে তুমি, জানি আমি। তাই তো বলছো আজীবন, তেমন করেই আগলে রেখেছিলে...অনেক অপেক্ষার পরও মা'র বুকে ঝাঁপিয়ে পড়তে পারি নি আমি, কখনও পারবোও না। তোমার গলা জড়িয়ে আবার একটু কাঁদতে চাই বাবা, একটু হাসতে চাই... আসছি বাবা, আর মাত্র ক'টা দিন।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/1090308001181777331-6823890289455659158?l=projapoti.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://projapoti.blogspot.com/feeds/6823890289455659158/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=1090308001181777331&amp;postID=6823890289455659158&amp;isPopup=true' title='2 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/6823890289455659158'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/6823890289455659158'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://projapoti.blogspot.com/2009/11/blog-post_28.html' title='আমি গাই ঘরে ফেরার গান...'/><author><name>নিঘাত সুলতানা তিথি</name><uri>http://www.blogger.com/profile/01171944509548484876</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='21' height='32' src='http://img1.orkut.com/images/medium/1188076426/19981351.jpg'/></author><thr:total>2</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-1090308001181777331.post-1723510414403756904</id><published>2009-11-15T01:13:00.003+11:00</published><updated>2009-11-15T01:29:21.531+11:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='খেরোখাতা'/><title type='text'>নেটবুক নিয়ে মহা খুশি</title><content type='html'>ইদানিং ছুটির দিনগুলো বেশ মজা করে কাটছে...ছুটির মত করেই। সকালে ইচ্ছামত অনেক ঘুমানো হচ্ছে, আবার তারপরে অনেক ঘুরাঘুরিও হচ্ছে, প্রায় চর্কিবাজি। সামনে দেশে যাবো ইনশাল্লাহ, সেই সূত্র ধরে টুকটাক শপিং-ও চলছে। আজকেও খানিকটা তাই। হালকা পাতলা কেনাকাটা করলেও করতে পারি এরকম ভাব নিয়ে বেরিয়েছিলাম। কেমনে কেমনে যেন ফাটাফাটি সেল পেয়ে একটা দারুন জিনিস কিনে ফেললাম, একদম আনপ্ল্যান্ড! একটা পুচকি সাইজের নেটবুক। ল্যাপটপ বা নোটবুকের খালাতো ভাই বলা যায়। ১০ ইঞ্চি স্ক্রীন, পুরা ব্যাপারটাই কিউট লাগে আমার। খুব খুশি লাগছে। পুচকিটাকে পেটের ওপর ফেলে রাত-দুপুরে টাইপিং করতেও খুব মজা লাগছে। আজকে, আবার অনেক দিন পরে ব্লগস্পটে ঢুঁ মারলাম ওরই অনারে। থ্যাঙ্ক ইউ মাই নিউ মেট। :-)&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/1090308001181777331-1723510414403756904?l=projapoti.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://projapoti.blogspot.com/feeds/1723510414403756904/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=1090308001181777331&amp;postID=1723510414403756904&amp;isPopup=true' title='1 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/1723510414403756904'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/1723510414403756904'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://projapoti.blogspot.com/2009/11/blog-post.html' title='নেটবুক নিয়ে মহা খুশি'/><author><name>নিঘাত সুলতানা তিথি</name><uri>http://www.blogger.com/profile/01171944509548484876</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='21' height='32' src='http://img1.orkut.com/images/medium/1188076426/19981351.jpg'/></author><thr:total>1</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-1090308001181777331.post-7743308642450951187</id><published>2009-08-14T22:09:00.000+10:00</published><updated>2009-08-15T01:11:23.059+10:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='খেরোখাতা'/><title type='text'>বলিও আমার পরদেশীরে</title><content type='html'>টুক টুক করে যেতে যেতে তারপর বেশ ঘট ঘট করেই চলে যায়- সময়। এটা সেটা ভাবি, সেইসব জঞ্জাল নিয়ে লিখব বলেও ভাবি, লিখা হয় ওঠে না। কতটা সময় গিয়েছে মাঝে? উত্তর জানতে কষ্ট করে পেছনে তাকাতে হলো না, ডানে "সাম্প্রতিক লেখা" তে একটা ক্লিক করেই জানা গেলো, শেষটা ছিলো গত নভেম্বরে! খুব টান পড়েছে সূতোয়, একটু আলগা করার চেষ্টা করেই দেখি না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কিন্তু অনেক দিনের বিচ্ছিন্নতায় কেমন আড়ষ্টতা পেয়ে বসছে। এখন কি এসব লিখতে পারবো? এই রোজকার আটপৌরে জীবন নিয়ে? ও তো সবাই পার করে, রোজ। তবু লিখব আজ, কিছু একটা, ভীষন এলোমেলো করেই নাহয়। আজ আবার সচল হবো।&lt;br /&gt;লিখবো কেমন পাখির মত উড়ে উড়ে বেড়াচ্ছি... "তোমরা রেকর্ড করে ফেলেছো, গত আট মাসে তিনটা ভিন্ন বাসায় থাকছো!"। আমি হাসি। "পরের জায়গা পরের জমি, ঘর বানাইয়া আমি রই/ আমি তো ভাই জমির মালিক নই"। এই ভিন দেশ, তার আবার বাড়িঘর, ভাবি "একখানে থাকলেই হইলো"। উহু, তাও কেমন যেন নির্লজ্জের মত মায়া পড়ে যায়, মানুষ হবার জ্বালা। এসব কি কেউ লিখে?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;[গাড়ি খানিক চলছে বোধ হয়, অনেক দিন পরে তেল পড়ে লাফাচ্ছে, কখন দড়াম করে হোচট খায় তাই ভাবছি!]&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;অফিস যাবার রাস্তাটা বদলেছে। এখন বাড়ির সামনেই বাস নয় বরং বেশ খানিকটা তাড়াহুড়া করে হেঁটে গিয়ে ট্রেন ধরি...লাগবে ঠিক ষোল থেকে সতের মিনিট, এতটা রাস্তায় একদম একা নাই বা থাকি, একটু গান থাক সংগে। আগের রাতে পিসি থেকে গনহারে বেশ কিছু গান নিয়েছি মোবাইলে, All Songs ছেড়ে দিই। স্ক্রিণে তাকিয়ে দেখি আশা ভোঁশলে গাইবেন, "সন্ধ্যাবেলা তুমি আমি বসে আছি দুজনে/ তুমি বলবে আমি শুনব"। খুশি হই, কিন্তু একি, কেউ একজন গলাকে যথাসম্ভব মোটা-চিকন করে শুরু করে, "DJ...you say I just listen to you...o babe"!! হেসে ফেলি। কিসের মধ্যে কি, পান্তা ভাতে ঘি! পরের গানে খালিদ গেয়ে যান "যদি হিমালয় হয়ে দুঃখ আসে এ হৃদয়ে সে কিছু নয়"...চলুক। এইসব হাবিজাবি হলেও আজ লিখব।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ট্রেনে উঠে হেডফোন নামিয়ে রেখে বই খুলে বসি। ইদানিং ট্রেনে চড়ার সুবাদে পড়ছি আবার। শুরু করেছিলাম শাহাদুজ্জামানের "গল্প, অগল্প, না-গল্প সংগ্রহ"। বইয়ের প্রথম সংগ্রহ "কয়েকটি বিহবল গল্প" ভালো লাগে নি তেমন। লেখার ধরনটা ইউনিক, কোন সন্দেহ নেই। কিন্তু নতুন হলেই যে খুব ভালো লাগবে এমন কথা নেই। এই লেখাগুলো প্রসংগে প্রকাশকের একটা কথা যুতসই মনে হয়ঃ "তার কোন কোন লেখাকে অবশ্য প্রচলিত অর্থে গল্প বলা দুষ্কর। সেখানে বরং গল্প, কবিতা, প্রবন্ধ তাদের পরস্পরের দেয়াল ভেঙে মিলিত হয়েছে।" এমনটাই মনে হয় আমারও। সেই অর্থে ভালোই লাগে, গল্প হিসেবে নয়। বরং কেমন একটা "ব্লগর ব্লগর"-এর আমেজ আছে যেন। কিন্তু খুব ভালো লাগে পরের বইটি, "পশ্চিমের মেঘে সোনার সিংহ"। এই দু'টো বইতে লেখকের লেখনীতে যেন বেশ খানিকটা পরিবর্তন এসেছে, অনেক পরিপক্কতাও। শেষের বইটির প্রায় সবকটি গল্প আমার ভালো লাগে। বিশের করে গ্রামীণ পটভূমির কিছু বর্ণনা, অনুষঙ্গ দারুণ লাগে পড়তে। যেমন "ইব্রাহিম বক্সের সার্কাস", "নিজকলমোহনায় ক্লারা লিন্ডেন"। আবার "আন্না কারেনিনার জনৈক পাঠিকা" পড়ে মনে হয় একদম দারুন একটি ব্লগর ব্লগর, গল্প নয়! পরবর্তি সংগ্রহ "ঃতে দুঃখ" আপাতত না পড়ে আমি চলে যাই উপন্যাস "ক্রাচের কর্ণেল"-এ, চলছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এই বই পড়তে পড়তে, ভাবতে ভাবতেই হঠাৎ দেখি পাশের সারির পাগড়ি পরা বয়স্ক এক লোক আমার দিকে মাঝে মাঝে যেন তাকাচ্ছে। আমি তাকাতে চোখে চোখ পড়তেই বলে ফেললো, "সিটি কিতনা দূর হ্যায়?" এই জাতীয় কিছু একটা। আমি হিন্দি বুঝেছি কিন্তু বলা সম্ভব না। ইংরেজিতেই উত্তর দিলাম। ভাইজান খুবই প্রসন্ন হাসি হেসে এবার ভাঙা ভাঙা ইংরেজিতে সুধান যে আমি ইন্ডিয়ার কোন অঞ্চল থেকে এসেছি। অতঃপর গর্বিত বাংলাদেশী বাঙালী আমি তাকে পরিচয় জানাই। তুমুল উৎসাহে সে এবার তার সারি থেকে আমার সারিতে ঠিক আমার মুখোমুখি এসে বসে। বহুকষ্টে ইংরেজি বলার চেষ্টা করা দেখে আমি তাকে হিন্দি বলতে সায় দিই, জানাই আমি হিন্দি না বললেও মোটামুটি বুঝি। কি যে খুশি তখন তার। বলে, "আমার তো পাঞ্জাবী মিশানো হিন্দি। যাক, নিজের দেশের না হোক, তাও তুমি প্রতিবেশি দেশের। তাও তো আমার কথা বোঝ। জানো, আমি ইন্ডিয়াতে গানের শিক্ষক ছিলাম, আমার অনেক ছাত্র-ছাত্রী আছে দেশে। এখানে এসেছিলাম এক বন্ধুর কাছে, ছয় মাস হলো..."। ইন্ডিয়ান ক্লাসিকের প্রতি আমার বেশ অনুরাগ। গানের শিক্ষকের সাথে কথা বলছি জেনে ভালো লাগে। ভদ্রলোকের চেহারার মধ্যেই গানপাগল একটা ভাব আছে। তাকে আরো সহজ হতে জানালাম যে আমিও গান করি। জানতাম, এবার তার সরল হাসিটা আরো বিস্তৃত হবে। খুব অনুরোধ করতে লাগলেন যেন আমার "বাঙাল ভাষায়" একটা গান তাকে শোনাই। আমি হেসেই শেষ, তাকে গাইতে বলতেও ভুলে গেছি। তাতে কি ততোধিক সরলতায় ওস্তাদজি নিজেই বলেন, "ঠিক আছে, তুমি তো শোনালে না, আমি শোনাই"...সঙ্গে সঙ্গে ধরলেন একটা রাগ...ততক্ষনে স্টেশন প্রায় চলে এসেছে। কিন্তু গান শুনে আমি হতবাক। যেন পানির কলটা খুলে দেয়া হয়েছে, এমনি কলকল করে চলতে শুরু করলো তার কন্ঠ। হাত নেড়ে, মুখে পূর্ণ অভিব্যক্তি এনে ওস্তাদজি গেয়ে চললেন, কন্ঠ খাদ থেকে চড়ায়, চড়া থেকে আবার খাদে ওঠানামা করছে সাংঘাতিক মসৃণভাবে...আমি মুগ্ধ চোখে তাকিয়ে থাকি। ঠিক সেই সময়েই আমাদের স্টেশন চলে আসে...গান থামিয়ে আবেগে সে আমার হাত ধরে বলে..."তুমি খুব ভালো, আবার দেখা হবে হয়ত কোনদিন, সেদিন তোমার গান শুনবই"।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ট্রেন থেকে নেমে মুগ্ধতার রেশ কাটতে সময় লাগে আমার। আহারে, নিজস্ব গানের ভুবন ছেড়ে এই মানুষটা কোথায় এসে পড়েছে এখনও বোধহয় বুঝতে পারছে না। কেউ কি বুঝবে তার এই ক্লাসিকের মূল্য?&lt;br /&gt;কদিন ধরে একটা গান তোলার চেষ্টা করছিলাম গলায়, সেটাই আবার চালিয়ে দেই কানে,&lt;br /&gt;"পরদেশী মেঘ যাওরে বলে&lt;br /&gt;বলিও আমার পরদেশীরে..."।।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/1090308001181777331-7743308642450951187?l=projapoti.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://projapoti.blogspot.com/feeds/7743308642450951187/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=1090308001181777331&amp;postID=7743308642450951187&amp;isPopup=true' title='3 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/7743308642450951187'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/7743308642450951187'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://projapoti.blogspot.com/2009/08/blog-post.html' title='বলিও আমার পরদেশীরে'/><author><name>নিঘাত সুলতানা তিথি</name><uri>http://www.blogger.com/profile/01171944509548484876</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='21' height='32' src='http://img1.orkut.com/images/medium/1188076426/19981351.jpg'/></author><thr:total>3</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-1090308001181777331.post-6053526542131906890</id><published>2009-06-15T12:44:00.003+10:00</published><updated>2009-06-15T13:34:25.927+10:00</updated><title type='text'>বরষার প্রথম দিনে...</title><content type='html'>মাথার ভেতর একগাদা গান ঘিড়িং পিড়িং করে ঘুরছে। একবার গেয়ে ফেলছি "আজ শ্রাবণের আমন্ত্রণে দুয়ার কাঁপে/ ক্ষনে ক্ষনে ঘরের বাঁধন যায়, যায় বুঝি আজ টুটে"। তারপরেই মনে হলো, আরে না আজ তো শ্রাবণ নয়, আষাঢ়- পহেলা আষাঢ়। এরপরে লতা মুঙেশকরের "আষাঢ় শ্রাবণ মানে না তো মন"। আছে হুমায়ূন আহমেদের "বরষার প্রথম দিনে/ ঘনকালো মেঘ দেখে/ আনন্দে যদি কাঁপে তোমার হৃদয়/  সেদিন তাহার সাথে কর পরিচয়/ কাছাকাছি থেকেও যে কভু কাছে নয়"। হুম, আজ বরষার প্রথম দিন। আজ আর তেমন কিছু নয়। কিন্তু তবু আজ আমার কাজে যেতে ইচ্ছা করছে না...ঠিক কি ইচ্ছা করছে তাও অবশ্য বুঝতে পারছি না। ভালো একটা কিছু কাজ করা যায়? রোজ তো সেই একই শুরু হয়েছে ক'দিন ধরে, রাতে ঘুমুতে যাবার আগে ইন্টারনেটে বাসা খোঁজা, কবে কোনটার ইন্সপেকশান মার্ক করে রাখা, সকালে উঠে এপ্লিকেশন রেডি কর, দৌড়াও সেইটা নিয়ে...এইসব হাবিজাবি...নট ব্যাড, নট দ্যাট ব্যাড। আজকেও তো তাই...এখন কি কাজের কাজ করব কিছু? অগোছালো রান্নাঘর গুছাবো? উহু পারবো না, ইচ্ছাই করছে না। ভ্যাকুয়াম ক্লিনারটা বের করে এলাম, কিন্তু এসে আবার হাবিজাবি লিখতে বসলাম...দেড়টা বেজে গেলো, আর তো লিখাও হবে না...দৌড়ুতে হবে আবার...আজ কি বাসে যেতে যেতে নতুন কোন গান শুনব? হুম, এই কাজটা করা যায় বোধ হয়...আচ্ছা, কাজ থেকে ফিরে কি করব? কিছু কি করব? আচ্ছা আজ না একটু সাজুগুজু করতে চেয়েছিলাম...অন্তত একটু চোখে কাজল? আচ্ছা দেখা যাক...আমি কি কাউকে থ্যাংক্স বলব? বাবা, আম্মুকে? আই শুড, বিকজ অব দেম আই এম ইন দিস ওয়ার্ল্ড...এন্ড তারু, ফর হুম, আই এক্সিস্ট...মাথা এলোমেলো থাকলে ইদানিং এই বিচ্ছিরি ভাষাটা বেরোয় নাকি আমার? কি বাজে ব্যাপার...&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/1090308001181777331-6053526542131906890?l=projapoti.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://projapoti.blogspot.com/feeds/6053526542131906890/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=1090308001181777331&amp;postID=6053526542131906890&amp;isPopup=true' title='6 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/6053526542131906890'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/6053526542131906890'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://projapoti.blogspot.com/2009/06/blog-post.html' title='বরষার প্রথম দিনে...'/><author><name>নিঘাত সুলতানা তিথি</name><uri>http://www.blogger.com/profile/01171944509548484876</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='21' height='32' src='http://img1.orkut.com/images/medium/1188076426/19981351.jpg'/></author><thr:total>6</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-1090308001181777331.post-9208164156447647183</id><published>2009-01-25T09:22:00.004+11:00</published><updated>2009-01-26T18:21:33.829+11:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='খেরোখাতা'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='সংসার'/><title type='text'>চা - নাস্তা বিষয়ক গপসপ</title><content type='html'>একটা রুটি, এক কাপ চা। এই ছিলো আমার আমার নিয়মিত সকালের নাস্তা। রুটি আমার এত প্রিয় ছিলো যে বাবা-মা আমাকে বলতো বিহারী মেয়ে। আজ অনেক দিন পরে এই মেন্যুতে সকালের নাস্তা হলো। দেশে থাকতে ভীষন স্বাস্থ্য-সচেতন ছিলাম, হালকা খেতে হবে, মোটা হওয়া যাবে না। ভাত ভালো লাগতো না মোটেই, শুধু দুপুরে অল্প একটু ভাত সাথে প্রচুর শশার সালাদ, আর সকালে এবং রাতে একটা করে রুটি, সাথে সবজি, ডিম পোচ বা অন্য কিছু। অবশ্য খানিক গুলিয়ে ফেলছি বোধ করি, কারন এই রুটিন একেবারে ছোটবেলার এবং দেশে থাকার শেষ দু'বছরের, যখন বাবা ঢাকায় বদলি হয়ে এলেন। মাঝে ইউনিভার্সিটির হলে ছিলাম যখন, তখন তো খাবারের কোন ঠিক ছিলো, যখন যা পাই তাই খাই অবস্থা। সকালে নাস্তাই হতো না, ক্লাসের ফাঁকে দুম করে গিয়ে হয়তো একটা সিঙারা খেতাম, তাও সিঙারার ভেতরের সব আলু ফেলে বাহিরের খোলস। মাঝে মাঝে একটা মজা হতো, কেউ কেউ সিঙারার আলু বেশি পছন্দ করতো বাইরের ময়দার খোলসের চাইতে, তাদের সাথে আমার এই খোলস এবং আলু বিনিময়। &lt;br /&gt;-ওই তুই আলু ফালাস ক্যান, আমারে দে।&lt;br /&gt;-আচ্ছা, তাইলে তুই আমারে সিঙারার কোনার দিকের শক্ত অংশটা দে।&lt;br /&gt;ভালো বিনিময় প্রথা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;রানীর কথা মনে পড়ে খুব, বিশেষ করে যখন চা খেতে ইচ্ছা হয়। ভীষন চা-কফির ভক্ত আমি। স্কুলে থাকতে দিনে কমপক্ষে পাঁচবার চা খেতাম, আম্মুই করে দিতো। আহারে মেয়ে রাতদিন লেখাপড়া করে, এই আদরে। ইউনিভার্সিটিতে চা খাওয়ার ব্যাপারটা আমার জন্য সবচেয়ে সহজ হয়ে গেলো। চাইলেই ক্যান্টিন থেকে চা পাওয়া যায়, খেতে জঘন্য এই যা সমস্যা! সেটা কোন বড় ব্যাপার নয় মোটেই, পোলাপানের সাথে আড্ডা মারতে মারতে যেকোন চা-ই অনায়াসে খেয়ে ফেলা যায়। বন্ধুদের মধ্যে যারা মেয়ে তারা অধিকাংশই আমার এরকম চা-প্রীতিতে আপত্তি জানাতো, চা খেলে নাকি স্কিন সুন্দর থাকে না, কালোও হয়ে যায়! আমি এমনিতেই ফর্সা নই, আরেকটু ডার্কার হতেও আমার মোটেও আপত্তি নেই। আর এই কারনে চা খাওয়া কমাবো? কাভি নেহি! সুতরাং অবিরাম সারাদিন চলতো। সন্ধ্যায় একটু স্পেশাল চা খেতে মন চাইতো, হলের ভেতরে আমার প্রাণের দোস্ত রুমা অসম্ভব ভালো চা বানানক। সে আবার মহা পড়ুয়া, তারে সিস্টেম করে রিডিং রুম থেকে বের করে কিছুক্ষন গল্প-গান-হাঁটাহাঁটি করে তার হাতের অসাধারণ চা খেতাম। আমার চা-কফির ন্যাক সম্পর্কে রুমার বক্তব্য ছিলো, আমাকে একটা কাপ হাতে এক পুকুর চা বা কফির মধে ডুবিয়ে রাখলে নাকি আমি সবচেয়ে খুশি হতাম, মাঝে মাঝে হাত বাড়িয়ে পুকুর থেকে চা-কফি খেতাম! আহা, তার চিন্তার ক্রিয়েটিভিটিতে আমি মুগ্ধ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আর বাসায় ছিলো আমাদের সার্বক্ষনিক হেল্পিং হ্যান্ড রানী। এই মেয়ে আমার চেয়ে কমসে কম দশ বছরের ছোট, অথচ কি যে আদর করত আমাকে, আমিও কি ওকে কম আদর করতাম। যাই হোক, সে বড়ই মিষ্টি করে বলতো, "ছোট আপু চা খাবেন?" (তার কথার ভাষা অত্যন্ত শুদ্ধ)। আমার ঠোঁট বিস্তৃত হয়ে যেতো খুশিতে। রানী অবশ্য বিরাট ফাঁকিবাজ ছিলো, সে অনেক কাজই করতো, অধিকাংশই ফাঁকিবাজির সহিত। সুতরাং তাকে বিশেষভাবে বলে দিতে হতো, "একটু বেশি মজা করে বানাস", তাহলেই কেবল চা-টা মজা হতো, নইলে মাশাল্লাহ ক্যান্টিনের চায়ের সাথে খুব একটা পার্থক্য হতো না। আমার ওতে অভ্যাস ছিলো এই হলো সুবিধা। সুবিধা আরো আছে, যখন তখন চাইলেই এবং না চাইতেই এই যে চা চলে আসত এজন্য আমি রানীর কাছে কি যে কৃতজ্ঞ! &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আহারে, এখন আর কেউ চা বানিয়ে দেয় না। দোস্ত রুমাও নাই, বাসার রানীও নাই। একটা দোস্তজামাই আছে, আমিই তারে চা বানাইয়া খাওয়াই। অবশ্য সেটাও এক রকম জোর করে। সে চা-কফির মোটেই ভক্ত নয়। অবাক হয়ে কেন জিজ্ঞাসা করলে সে বেশ গম্ভীর গলায় জবাব দেয়, "জীবন থেকে জটিলতা কমাই"! এই ডায়ালগ দিয়ে শ্বশুরবাড়িতে সে বেশ বিখ্যাত হয়ে গেছে, আমার বাবাকে এরপরে যেকোন কিছু নিয়ে অভিযোগ করলেই বাবা সহাস্যে উত্তর দিতো, "জীবন থেকে জটিলতা কমাই"। সুতরাং বাসায় চা খাবার কোন সংগী নেই, আমার একার জন্য বানিয়ে খেতে আরো নিরুৎসাহ লাগে। সম্ভবত এইটা বুঝেই সে আমার সাথে টুকটাক চা খেতে শুরু করলো। ইদানিং ভালোই ভক্ত হয়েছে চায়ের, সন্ধ্যাবেলা অন্তত এক কাপ হয়ে যায়। আহারে বেচারা, বিয়ে করে জীবনের জটিলতা বেড়ে গেলো!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ফুটনোটঃ দেশে ছেড়ে আসার পরে বেশি বেশি দেশী হয়ে গিয়েছি আমি। খাদকও হয়েছি। এখন রুটি খাওয়া হয় না। খালি ভাত খাই। এবং বিরিয়ানী রাঁধতে শিখে বিরাট ঝামেলা হয়েছে, ওইটাও খাওয়া হয় নিয়মিত বিরতিতে। আগে অনেক প্রিয় হওয়া সত্তেও আইসক্রিম-চকলেট খেতাম না, এখন গপাগপ চকলেট খাই। নতুন করে যোগ হয়েছে চিজময় পিৎজা খাওয়া। আর মাঝে মাঝেই বিরিয়ানী। মাঝের থেকে আমার এত সাধের চা খাওয়া কমে গেছে, নিজের বানিয়ে খেতে হবে সেই আলস্যতে। কেমন যেন সব 69 হয়ে গেছে। অবশ্য এইবার বেশ একটা মুডে আছি। খানিক পরিবর্তনের হাওয়া লেগেছে। বাড়ি বদলে গেলো, নতুন বাড়িটা পছন্দ হয়েছে খুব। নিজের নয় তো কি, যতদিন আছি নিজের ভাবতে সমস্যা কি? এবার থেকে আবার রুটি খাবো, চা খাবো। বিরিয়ানী খুব কম হবে। নো চকলেট (মাঝে মাঝে কেবল ফেরেরো রোশার)। আর মাঝে মাঝে একটু পিৎজা না খেলে মনের দুঃখে অসুস্থ হয়ে যাবো, ওইটাও চলবে। আর বাকি সব কন্ট্রোল। বয়স বেড়ে যাচ্ছে, নতুন করে স্বাস্থ্য-সচেতন না হয়ে উপায় কি?&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/1090308001181777331-9208164156447647183?l=projapoti.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://projapoti.blogspot.com/feeds/9208164156447647183/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=1090308001181777331&amp;postID=9208164156447647183&amp;isPopup=true' title='9 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/9208164156447647183'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/9208164156447647183'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://projapoti.blogspot.com/2009/01/blog-post_25.html' title='চা - নাস্তা বিষয়ক গপসপ'/><author><name>নিঘাত সুলতানা তিথি</name><uri>http://www.blogger.com/profile/01171944509548484876</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='21' height='32' src='http://img1.orkut.com/images/medium/1188076426/19981351.jpg'/></author><thr:total>9</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-1090308001181777331.post-3750300345367537643</id><published>2009-01-11T13:46:00.004+11:00</published><updated>2009-01-11T14:18:25.605+11:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='খেরোখাতা'/><title type='text'>পুনর্বচন</title><content type='html'>মাত্র সচলায়তনে অরূপ'দার &lt;a href="http://www.sachalayatan.com/arup/21042"&gt;"প্ল্যানেট আর্থ"&lt;/a&gt; পোস্টটা পড়লাম। সংগে থাকা ক্লিপিং-গুলো দেখলাম। প্রকৃতির কি অপার বিস্ময়!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;...অরূপ'দা বলেছেন আপনার বাবা-মায়ের সাথে বসে এই ডকুমেন্টারীটা দেখার কথা। আমারও ওমনি মনে হলো, আমার বাবা-মায়ের সাথে বসে আমি এটা দেখতে পারতাম। ওরা দুজনেই খুব প্রকৃতি পছন্দ করে। বিশেষ করে আমার মা। ফুল দেখলে পাগল হয়ে যেতো। আর সারাদিন ন্যাশনাল জিউগ্রাফি চ্যানেল খুলে বসে থাকতো। একটা সময় আমাদের বাসায় স্যাটেলাইট চ্যানেল ছিলো না, "একুশে টিভি"তে সপ্তাহে একবার নাকি প্রতিদিন সন্ধ্যায় এরকম কোন একটা অনুষ্ঠান থাকতো, তাই দেখতো মুগ্ধ হয়ে। স্যাটেলাইট চ্যানেল আসার পরে মামণি কোনদিন হিন্দী সিরিয়াল দেখে নি। বাংলা অনুষ্ঠান দেখতো, নাটক-সিনেমা। আমরা মাঝে মাঝে অনুবাদ করে দিয়ে কিছু হিন্দী সিনেমা দেখিয়েছি, অপছন্দ করতো না। কিন্তু তার যত বিশেষ আগ্রহ ছিলো এই ফুল-পাখি-হরিণ-চিতাবাঘ-গহীন অরণ্য-অতল সুমদ্রের বুকে নাম না জানা অসংখ্য প্রাণীর প্রতি। আহারে, কি খুশি হতো যেন এই "প্ল্যানেট আর্থ" দেখে। এখন প্রতিটা মুহুর্ত দেখবো আর মা'র কথা মনে হবে। কি বিস্ময় আর আনন্দ ফুটে উঠতো তার মুখে!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আরো কত কথা ডুকরে উঠে বুকের মধ্যে। সব বলা যায় না, সব লেখা যায় না... প্রতিটা মুহুর্তে যাই দেখি, যাই করি, ভাবি মামণি তো দেখলো না, জানলো না...কি লাভ?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;পুনশ্চঃ এইটুকু লিখেই হঠাৎ মনে পড়লো, আজ ১১ই জানুয়ারী। বাবা-মায়ের ৩৭তম বিয়েবার্ষিকী। তিন বছর হয়ে গেলো, এই দিনে কেউ আমাদের বাসায় লাজুক মুখে পোলাউ রেঁধে মেয়েদের খেতে ডাকে না...মা নতুন শাড়ী আর বাবা নতুন শার্ট পড়ে, একটু বাইরে থেকে আসি বলে স্টুডিওতে গিয়ে একটা নতুন ছবি তুলে আসে না...। তবু এই দিনটাকে আমরা তিনটা বোন এখনও স্মরণ করি। এই দিনে এই দু'টো অসাধারণ মানুষ এক হয়েছিলো বলেই আমরা পৃথিবীর আলো দেখেছিলাম। মামণি এবং বাবা, জীবন আর মৃত্যুর বিশাল দূরত্ব মাঝে রেখে, দু'টো ভিন্ন অবস্থান থেকে তোমরা দু'জন ভালো থাকো।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/1090308001181777331-3750300345367537643?l=projapoti.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://projapoti.blogspot.com/feeds/3750300345367537643/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=1090308001181777331&amp;postID=3750300345367537643&amp;isPopup=true' title='1 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/3750300345367537643'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/3750300345367537643'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://projapoti.blogspot.com/2009/01/blog-post_11.html' title='পুনর্বচন'/><author><name>নিঘাত সুলতানা তিথি</name><uri>http://www.blogger.com/profile/01171944509548484876</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='21' height='32' src='http://img1.orkut.com/images/medium/1188076426/19981351.jpg'/></author><thr:total>1</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-1090308001181777331.post-7005361524526648921</id><published>2009-01-01T23:48:00.003+11:00</published><updated>2009-01-02T00:52:51.132+11:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='খেরোখাতা'/><title type='text'>আজ শুধু নতুন</title><content type='html'>এরকম ধুরুম ধারুম করে যে কেমন একটা বছরই চলে গেলো টের পেলাম এই ৩১ ডিসেম্বরে এসে! ভাগ্যিস, এমন করেই কেটেছে। আজ নতুন বছর ২০০৯-এর প্রথম একটা দিন পার করে ভাবছি, কেমন কাটতে পারে এই বছরটা? নতুন বছরের রেজ্যুলেশন বলতে যদি এবার কিছু থেকে থাকে, তার শুরুতেই আছে...আর কি? দেশে যেতে চাই। শুধু চাই বলে দীর্ঘশ্বাস ফেলা নয়, এবার সম্ভাবনার শতকরাও বেড়ে গিয়েছে অনেকটা। তাই কেবল অপেক্ষা সেটা সত্যি হবার, আর প্রার্থনা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আজ একটা মজার কথা মনে হলো, ছোটবেলার অনেক কুসংস্কারের মধ্যে এটা একটা। নতুন বছরের প্রথম দিনটা নাকি সারা বছরের একটা সারাংশ। সুতরাং এই দিনটায় সব ভালো ভালো কিছু করার চেষ্টা করতে হবে, নইলে বছরের বাকি দিনগুলোও যে তেমনই যাবে! সেই বিশ্বাসটা এখন আর নেই ছোটবেলার মত, কিন্তু একটু হলেও মনের মধ্যে উঁকি দেয়, খানিক হাসিমিশ্রিত হলেও। আজ অনেক চেষ্টা করেও মনে করতে পারলাম না গত বছরের ১ জানুয়ারী আমি কি কি করেছিলাম! তাই দুম করেই ঠিক করলাম, আজ কি কি করেছি তা লিখে রাখব যেন বছর শেষে মেলাতে পারি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আজ দিনের শুরু যদি দিবাগত রাত ১২টার পর থেকে ধরি তাহলে প্রথম যে কাজটা করেছিলাম তা হলো, অত রাতে হঠাৎ করে নুডুলস রাঁধতে শুরু করেছিলাম! দেশে ফোন করে কথা বলেছি বেশ খানিকক্ষন। তারপর খানিক মুভি দেখেছি। কোন এক ফাঁকে নেট থেকে বেশ কিছু নাটক আর অন্য অনুষ্ঠান ডাউনলোড করেছি। ইপ্রথমআলোর সাইটে ঢুঁ মেরেছি। এরপর ছোটআপুর সাথে চ্যাট করা শুরু করে শেষ করেছি রাত (নাকি ভোর?) সাড়ে ৪টায়। তক্ষুনি ফজরের আজান শুনে (কম্পিউটারে, সফটওয়্যার আর কি) নামাজ পড়ে নিলাম। এইটা একটা ভালো ব্যাপার, প্রথম দিনটায় প্রথম নামাজটা পড়েছি। তারপরে ৫টায় ঘুমুতে গেলাম। সারারাত জেগে যা হলো আর কি, ঘুম ভাঙলো অর্ধেক দিন পার করে, দুপুর ১:৪৭-এ। ফ্রেশ হয়ে যথারীতি সকালের নাস্তা তো করাই হলো না, এবং লাঞ্চও নয়। আমি বরং পরের বেলার জন্য সবজি রাঁধলাম। ঘুম ভেঙেই এসএমএস পেয়েছিলাম, আজ ভারী খাবার না খেয়ে রুটি-সবজি খাবার বাসনা পোষন করেছেন তিনি (এইটা একটা বেশ ভালো রকম রেভ্যুলেশন বলা যেতে পারে)। তো সবজি রাঁধা শেষ হতে হতেই মনে হতে লাগলো, বছরের প্রথম দিনে মা বাসায় কত কি রাঁধতেন। আমার কি সেই ট্র্যাডিশন রাখা উচিত নয়? মনে মনে রুটির প্ল্যান বাদ দিয়ে অন্য কিছুর নকশা করা হয়ে গেলো। সে ফেরার পরই বলতেই রাজি হয়ে গেলো ডায়েটিং প্ল্যান বাতিল করতে (হবে না আবার :-)? )&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;তারপরে একটু ঘুরতে বেরুনো হলো, টুকিটাকি বাজার। আবার ঘুরঘুর। যেটা মজা হলো, হুট করেই ড্রাইভিং শেখানোর একটা চেষ্টা করা হলো আমাকে। ড্রাইভিং-এ আমার খুব ইন্টারেস্ট আছে, আমি বহুবার স্বপ্নে দেখেছি যে গাড়ি চালাচ্ছি। নানান ধরনের এক্সাইটিং স্বপ্ন। কখনও স্বাভাবিকভাবে চালাই, কখনও বা কোন ভীষন ক্রাইসিস মুহুর্তে কাউকে উদ্ধার করতে হাতে নিই গাড়ির স্টিয়ারিং হুইল। নানান দুর্গম পথ পাড়ি দিই অনভিজ্ঞ হাতে দারুন দক্ষতায়। কিন্তু সেই আমাকেই যখন তারু হাতে-কলমে শেখাতে চায়, আমি নানা গাঁইগুই শুরু করি। ভয় লাগে, পারব না...ইত্যাদি ইত্যাদি। আজও তাই করতেই সে বেশ ভাব নিয়ে প্রায় অর্ডার করে বললো, আজ এসব বলিস না, এটা নতুন বছরের নতুন একটা চেষ্টা। কমান্ড পেয়ে আমি বেশ সুবোধ বালিকার মত চট করেই রাজি হয়ে গেলাম। এটা দ্বিতীয় দিন আমার সত্যি গাড়ি চালানোর। মন্দ করিনি, তারু বলেছে। আমারও বেশ লাগলো। কিন্তু একসাথে এত কিছু কেন করতে হয় এটাই রাগ লাগছিলো। রাইটে দেখো, লেফটে দেখো, সামনে-পেছনে, একই পা দিতে ব্রেক এবং এক্সেলেটর, সিগনাল দাও...কত কি রে বাবা! ওইটুকু আঁকাবাকা রাস্তায় বারবার চক্কর দিতে আমার বেশ লাগছিলো, কিন্তু বড় রাস্তায় কেমনে কি! যা বুঝলাম, রাস্তায় যদি আর কোন গাড়ি না থাকে তো আমি ব্রেক চেপে বেশ ভালোই চলতে পারবো!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এরপর গান শুনতে শুনতে এবং গাইতে গাইতে বাড়ি ফিরে দুমদাম করে ভুনা খিচূড়ী, আলু চপ আর গরুর মাংস রন্ধন। অতঃপর সবজি এবং শশা-টমেটো-গাজর-পেঁয়াজ-সরিষা তেলের সালাদের সাথে ভক্ষন। বেশ খানিকক্ষন আড্ডা। আর তারপর এই এখন লিখছি খানিক খেরোখাতায়। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উফফ। মনে হচ্ছে নিজের সাথে বকর বকর করেই যাচ্ছি অনেকক্ষন ধরে। তবু তো ধরে রাখা হলো আজকের দিনটা। রাতটা বাকি আছে এখনও। সেইটুকু থাকুক নিজের কাছেই।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কেউ যদি পড়ে থাকে এই সাধারণ দিনলিপি তাকে জানাই নতুন বছরের শুভেচ্ছা। ভালো কাটুক, ভালো থাকুক সবাই। ভালো থাকুক আমাদের সোনার দেশটা, নতুন সম্ভাবনাকে সংগী করে বাস্তব সাফল্যের পথে।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/1090308001181777331-7005361524526648921?l=projapoti.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://projapoti.blogspot.com/feeds/7005361524526648921/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=1090308001181777331&amp;postID=7005361524526648921&amp;isPopup=true' title='11 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/7005361524526648921'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/7005361524526648921'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://projapoti.blogspot.com/2009/01/blog-post.html' title='আজ শুধু নতুন'/><author><name>নিঘাত সুলতানা তিথি</name><uri>http://www.blogger.com/profile/01171944509548484876</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='21' height='32' src='http://img1.orkut.com/images/medium/1188076426/19981351.jpg'/></author><thr:total>11</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-1090308001181777331.post-5049065370748928310</id><published>2008-12-30T22:08:00.006+11:00</published><updated>2008-12-31T15:23:13.669+11:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='স্বদেশ'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='খেরোখাতা'/><title type='text'>ক্যা কোঁ ক্যা কোঁ</title><content type='html'>আহ!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;অবশেষে মৌলবাদী এবং যুদ্ধাপরাধীদের বাঙালী চুড়ান্ত "না" বলতে শিখেছে। এবারের জাতীয় নির্বাচনে তাদের শোচনীয় পরাজয় এইটুকু আশা দেখাচ্ছে, নতুন প্রজন্ম তাদের ক্ষমা করে নি, করবে না। চিহ্নিত এইসব যুদ্ধাপরাধীদের ক্ষমতার আসনে আর তামসা করতে দেখব না। আহা কি শান্তি। মুক্তিযোদ্ধা আলী আমানের পিঠে মারা লাথি এইবার চরম হয়ে গেড়ে বসেছে তাদেরই পিঠে। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আহা কি আনন্দ! ক্যা কোঁ, ক্যা কোঁ!&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/1090308001181777331-5049065370748928310?l=projapoti.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://projapoti.blogspot.com/feeds/5049065370748928310/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=1090308001181777331&amp;postID=5049065370748928310&amp;isPopup=true' title='7 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/5049065370748928310'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/5049065370748928310'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://projapoti.blogspot.com/2008/12/blog-post_30.html' title='ক্যা কোঁ ক্যা কোঁ'/><author><name>নিঘাত সুলতানা তিথি</name><uri>http://www.blogger.com/profile/01171944509548484876</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='21' height='32' src='http://img1.orkut.com/images/medium/1188076426/19981351.jpg'/></author><thr:total>7</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-1090308001181777331.post-5615995242927905286</id><published>2008-12-14T08:24:00.003+11:00</published><updated>2008-12-14T14:33:09.100+11:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='খেরোখাতা'/><title type='text'>কথোপকথন</title><content type='html'>সকাল সাড়ে সাতটা। এই সময়ে আমি জেগে বসে আছি এবং লিখছি এটা আমার জন্য মোটামুটি বিরাট কাহিনী।&lt;br /&gt;ঘুমটা যে নেই চোখে তা নয়, কিন্তু ঘুমাতে ইচ্ছেও করছে না। থাকি জেগে কিছুক্ষন। ছুটিরই তো দিন, যদি আবার ঘুম পায় তো ঘুমানো যাবে।&lt;br /&gt;আজ সাড়ে পাঁচটায়ও একবার ঘুম ভাঙলো। উঠে গিয়ে ফজরের নামাজটাও পড়ে নিলাম, বেশ একটা শান্তি শান্তি লাগছে।&lt;br /&gt;কি যেন লিখতে চেয়েছিলাম ভুলে গিয়েছি.....&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বাসায় একদম একলা থাকতে কেমন যেন আজব লাগে। এই যে তারু এখন কাজে চলে গেলো, আমার ছুটি, কি ভালো হত যদি এখন গল্প করা যেতো। কেমন হতো যদি ছোটআপুর সংগে বসে গল্প করা যেতো। সকালের নাস্তাটা তো তৈরিই থাকতো নিশ্চয়ই টেবিলে। প্লেট হাতে নিয়ে হয়ত টিভির সামনে বসে গুটুর-গুটুর গল্প করতাম দুই বোনে মিলে। বা দৃশ্যটাকে এখনকার সময়ের সাথে মিলিয়েও নেয়া যায়। এখন তো দুজনেই বড় হয়ে গেছি, কেউ একজন হয়ত উঠে গিয়ে দুপুরের খাবারের রান্নাটা চড়াতাম চুলায়। ভাব নিয়ে "কেউ হয়ত" বলার অবশ্য কিছু নেই, এই "কেউ"টা ছোট আপু থাকতে আমি হবার কোন সম্ভাবনা কোনকালেই ছিলো না, নতুন করে হবেও না। কিন্তু এখন হয়ত বা আমি ওকে একটু সাহায্য করতাম, আর কাজের ফাঁকে ফাঁকে গল্প করেই যেতাম। অবশ্য আমাদের কথায় আমি মূলত শ্রোতা, আপুই বলে যায় বেশি, আমার ভালো লাগে শুনতে...কিন্তু এখন আসলে খুব বেশি হলে আমি যা করতে পারি তা হলো বাংলাদেশের এই মাঝরাত্তির সময়ে ওর মোবাইলে একটা কল দিতে পারি। নাহ, দরকার নেই। কত কিই তো চাইলেই হয়ে ওঠে না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কাল আমার খুব প্রিয় একটা খাবার রেধেছিলাম, কাঁচা আম দিয়ে ডাল! আমার কিইইইই যে মজা লাগে এটা। আহারে বাবারও খুব প্রিয়। আম্মু রোজ বেশ বড় সড় একটা পাতিলে ডাল রাঁধতেন, আর আমি আর বাবা মিলে সেটা সাবাড় করে দিতাম। আশেপাশে খালা-চাচীরা অবাক হয়ে বলতেন, এত বড় পাতিলে ডাল রাধেন ক্যান? সেই ডালটা যেমন তেমন হলে হবে না, মায়ের একটা স্পেশাল স্বাদ তাতে থাকবে। কখনও শুধু ডাল, কখনও সংগে টমেটো বা গ্রীষ্মকালে কাঁচাআম। আগে বুঝতাম না কেমন করে মা করেন, আর কারো ডাল কেন এত মজা লাগে না। এখন ঠিক শিখে গিয়েছি, তিন বোনই, ঠিক আম্মুর মত করে। ভাগ্যিস! আমিও প্রায় রোজ ডাল রাঁধি এখন, তবে ছোট্ট একটা হাঁড়িতে। তারুও খুব ডাল পছন্দ করে, সেও ভাগ্যিস! কালকে ডালের সাথে কাঁচা আম দেবার পর থেকেই কেবল বারবার আম্মুকে দেখাতে ইচ্ছা করছে। কি ছাতার জীবন হয়েছে, যেই মানুষটাকে দেখালে সব কিছু সার্থক হত মনে হয়, তাকেই কোথাও খুঁজে পাই না।&lt;br /&gt;আচ্ছা, বাবাকে কে বলছে যে আমি ফেব্রুয়ারিতে দেশে যাচ্ছি। এ তো ভীষন বিপদ হলো! একেবারেই জানি না যে কবে যাওয়া হবে, কিন্তু এরকম আশা করে বসে থাকলে তো সমস্যা, পরে কি কষ্টটা পাবে। সেদিন যখন আমার বোনের ছেলে শাদিব আমাকে বললো, "তিততা, তুমি নাকি ঈদের এক মাস পরে দেশে আসছো?" আমি পুরাই আকাশ থেকে পড়লাম, আরো অবাক হলাম যখন শুনলাম ও বানিয়ে কিছু বলে নি, ওকে নাকি বাবা বলেছে। আহারে বাবাটাও এমন ছেলেমানুষ হয়ে গেছে। আমি কবে বললাম যে আমি আসছি? হুম, বিষয়টা হলো, কবে যেন বলেছিলাম যে ফেব্রুয়ারীতে দেশে আসতে খুব ইচ্ছা করছে। তা ফেব্রুয়ারী নিয়ে আদিখ্যেতা তো আমি সব সময়ই করি, কিন্তু ইচ্ছা করলেই আর যেতে পারবো? কি জানি, কেমন একটা আশা হয় বোকার মত, হয়ত যেতেও পারি। কিন্তু বাবাকে ফোন করে বলে দিতে হবে যেন আশা করে বসে না থাকে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আচ্ছা, এত হাবিজাবি কি সব বকে যাচ্ছি আমি, এখনও কি ঘুমের ঘোরে আছি? আবার কি ঘুমিয়ে পড়ব? ঘুম পাচ্ছে কিন্তু জেগে থাকতে ইচ্ছা করছে। পরোটা আর ডিম ভাজি নাস্তা করতে ইচ্ছা করছে কিন্তু ভীষন আলস্য হচ্ছে। সবকিছুতে এত বৈপরিত্য কেন?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বাইরে রোদ নেই একটুও, রোদ আজও আসবে না গত কয়েকদিনে মতই। কেমন বিষন্ন চারদিক। গুড়িগুড়ি বৃষ্টি পড়ে আর প্রচন্ড ঠান্ডা আর দমকা হাওয়া। তবু একে মোটেই পাগলা হাওয়া বাদল দিন বলা যাচ্ছে না। গান শুনতেও ইচ্ছা করছে না, গল্প পড়তেও না, সিনেমা দেখতেও না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কি যে করতে পারি এখন, জানি কি আমি?&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/1090308001181777331-5615995242927905286?l=projapoti.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://projapoti.blogspot.com/feeds/5615995242927905286/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=1090308001181777331&amp;postID=5615995242927905286&amp;isPopup=true' title='3 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/5615995242927905286'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/5615995242927905286'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://projapoti.blogspot.com/2008/12/blog-post_14.html' title='কথোপকথন'/><author><name>নিঘাত সুলতানা তিথি</name><uri>http://www.blogger.com/profile/01171944509548484876</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='21' height='32' src='http://img1.orkut.com/images/medium/1188076426/19981351.jpg'/></author><thr:total>3</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-1090308001181777331.post-9120527578972428197</id><published>2008-12-04T23:51:00.004+11:00</published><updated>2008-12-14T14:33:29.983+11:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='খেরোখাতা'/><title type='text'>ভরসা থাকুক</title><content type='html'>অবশেষে সুমন চাটুজ্জের একঘেয়ে সুরের কল্যানেই দুম করে কিছু একটা লিখতে বসলাম। নইলে তো রোজকার সেই যেই কে সেই মনের ভেতরে সব লিখে আজীবন ড্রাফট হিসেবে জমা করে রাখা খেরোখাতার ঝুলি। আজ দিদির সাথে টেলিফোনে কথা বলতে গিয়েও ব্যাপারোটা টের পেলাম। দিদি যখন বললেন, "মন খারাপ লাগলে ফোন দিও", আমি হেসে ফেলে বলি, "মনে মনে অনেক ফোন দেয়া হয় দিদি, বাস্তবে হয়ে ওঠে না"। দিদি হাসেন। তক্ষুনি মনে হয়, এমনি করেই আরো কত কি রোজ করব বলে ভেবেও করা হয়ে ওঠে না, কিন্তু আমার মনে মনে সেসব যেন ঠিক ঠিক হতে থাকে। যেমন এই টুকটাক দিনকার খানিক লিখালিখি। এমনি হাবিজাবিসহ বেশ কিছু বিশেষ বিষয় নিয়ে লিখতে চেয়েছি। কাজে যাবার পথে মাথার মধ্যে সেইসব কথা ঘুরপাক খেয়েছে, খুব সুন্দর উচ্চারনে পরিপাটি করে যত্ন নিয়ে আমি নিজের মধ্যে সেইসব কথা বলে গেছি, যেন বা গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হিসেবে সাক্ষাৎকার দিচ্ছি কারো সামনে বসে। মনে মনে পুরোটা বলা হয়ে গেলে ভাবি, আজ বাড়ি ফিরে এই কথাগুলোই লিখে ফেলি না কেন? কিন্তু মন বেচারা মনে হয়, এতে খুব ক্ষেপে যায়। কেন রে বেটি, সব বলা হয়ে গেলো আমার কাছে, আবার কেন আঙুলে ছোট ছোট বোতাম টিপে সেইসব কথার চর্বিত চর্বন? কোন মানে হয়? তারচে' ভুলে যা, যা জানার আমি তো জেনেই গেছি, নয়?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মনের সাথে এই আমার প্রায়দিনের খুঁনসুটি পর্যায়ের বিতন্ডা। অনেক কিছু লিখতে গিয়েও মনের মধ্যে হারিয়ে ফেলা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কিন্তু সুমন বাবু অনেক বারের মত আজ আবার নাড়া দিলেন। কেমন করে কোন খানে বলতে পারি না। তবু ওইসব সুর আর গান মনটাকে আরো বেশি বিষন্ন করেই নাকি অনেক বেশি আশ্বাস দিয়ে কি যেন করে দিলো। আর অমনি উঠে বসে এইসব অনর্গল প্রলাপ লিখতে লিখতে আবার ভাবি, "একেকটা দিন মসৃন/ মিলে যায় মোটামুটি হাতে কিছু থাকে/ একেকটা দিন উঁচুনিচু/ কেউ নিলে পিছু/ ধোকা দিলে চুপিসারে কোনের দরজায়/"...তবু হাল না ছাড়ার গান থাকে। থাকে ভরসার গান। তো, থাকুক। ভরসা থাকুক।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/1090308001181777331-9120527578972428197?l=projapoti.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://projapoti.blogspot.com/feeds/9120527578972428197/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=1090308001181777331&amp;postID=9120527578972428197&amp;isPopup=true' title='3 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/9120527578972428197'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/9120527578972428197'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://projapoti.blogspot.com/2008/12/blog-post.html' title='ভরসা থাকুক'/><author><name>নিঘাত সুলতানা তিথি</name><uri>http://www.blogger.com/profile/01171944509548484876</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='21' height='32' src='http://img1.orkut.com/images/medium/1188076426/19981351.jpg'/></author><thr:total>3</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-1090308001181777331.post-3866118799145752512</id><published>2008-11-14T02:15:00.004+11:00</published><updated>2008-11-14T04:24:03.994+11:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='সাহিত্যপাঠ'/><title type='text'>"আগুনপাখি" পড়েছি বলে</title><content type='html'>এইমাত্র একটা উপন্যাস পড়ে শেষ করলাম। উপন্যাস নয়, যেন পূর্ণ একটা জীবন-দেশ-ইতিহাসের দলিল। হাসান আজিজুল হক-এর "আগুনপাখি"। বইয়ের পাতা বন্ধ করে দেখি চোখে কেমন পানি আসতে গিয়ে শুকিয়ে যাচ্ছে, বুকের ভেতরটা গুমড়ে উঠতে গিয়ে শক্ত হয়ে উঠছে, ঠিক তারই মত। সে-- নাম কি তার? পুরো উপন্যাসে কোথাও কি তার নাম এসেছে একবারও? মনে পড়ছে না তো। কিন্তু সেই এই উপন্যাসে প্রধান চরিত্র, তার বয়ানেই সবটা বলা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সেই বয়ান বড় সরল। ঠিক ঠান্ডা জলের মত শান্তিময়। কত কি ঘটে গেলো তার জীবনে। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমি গ্রামে জন্মাইনি। মাঝে সাঝে হঠাৎ বেড়াতে যাওয়া ছাড়া গ্রামের কিছুই জানি না। "আগুনপাখি" পড়েছি বলেই এই গ্রাম্য সরল মহিলার বয়ানে গ্রামীন জীবন এবং তা দেশ-কাল অতিক্রম করে জীবন্ত হয়ে আজ আমার চোখের সামনে ঘুরে বেড়াচ্ছে। যেন আমিই মাতৃহারা কৈশোরে ভাই কোলে নিয়ে পার করে দিতাম বেলা। তেমনি দিন পার করতে করতেই একদিন পা দিয়েছিলাম নতুন সংসারে। রূপকথায় শোনা "ফসলভরা ক্ষেত, গোলাভরা ধান, পুকুরভরা মাছ" নিয়ে সমৃদ্ধ ছিলো সেই সংসার। মস্ত বড় বাড়ি, তেমনই বড় সংসার, স্বামী-সন্তান-শাশুড়ী-ননদ-দেওর-ভাসুর-জা আর রাখাল-মানিষ-মুহুরী নিয়ে ভরা। কোথাও কোন কমতি নেই। কত্তা বড় শক্ত-শীতল মানুষ, একা সামলে চলেন গোটা সংসার। তার কথার উপরে কেউ কোন কথা বলে না। সেই তুমুল সুখের জীবনেই হঠাৎ কোন দুনিয়ার যুদ্ধের ছায়াও লাগে। হঠাৎ পরনের কাপড়ে বড্ড কমতি পড়ে যায়। সেই সাথে স্বদেশী আন্দোলনে একাত্ব হয়ে মোটা কাপড় পরা শুরু হয়, একদিন সেই কাপড়ও আর যেন জোটে না। সূতা-রং আর অন্যান্য কাঁচামালের অভাবে বন্ধ হয়ে যায় দেশী তাঁত। এর মাঝে "ওলাবিবি" আর "মা-শেতলা"ও ছাড়ে না...গ্রামে গ্রামে ঘুরে বেড়িয়ে তারা কলেরা আর বসন্তে নিঃশেষ করে দিয়ে যায় গ্রামকে গ্রাম। প্রকৃতিই বা ছাড়বে কেন? পরপর দু'বছর ফসল হয় না--একবার খরায়, একবার অতি বর্ষনে। হায় আকাল। তবু এই করেই দিন যায়। দুঃখ-কষ্টে ভেঙে ছত্রখান হয়ে যায় সেই বিশাল সংসার, সবাই আলাদা, যার যার মত। আকাল কাটে, আসে নতুন দুর্দিন। দেশে স্বাধীনতার আন্দোলনের মাঝে কে যেন রব তোলে মোসলমানের আলাদা দেশের দাবি তুলে। শুরু এক সম্পূর্ণ নতুন যুদ্ধ, হিন্দু-মোসলমানের যুদ্ধ। দিকে দিকে হিন্দু আর মোসলমান একে অপরকে মেরে কেটে এতদিনের সহাবস্থান সব ভুলে যায়, ভারতবর্ষ স্বাধীন করে দেবার আগে ব্রিটিশদের শেষ ইচ্ছা পূরণ হয়। আসে স্বাধীনতা, আর ভেঙে টুকরো টুকরো হয় ভারতবর্ষ। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এই আমার শেকড়, আমার ইতিহাস।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এই মহিলা, যিনি আজীবন মুখ বুজে কেবল পিতা বা স্বামী বা শাশুড়ীর আদেশই পালন করে গেলেন। নিজের কোন অভিমত কোন বিষয়ে দিতে গেলেন না এবং তা হাসিমুখেই, সেই একই মানুষ তার সমস্ত জীবনের সবটুকু অভিজ্ঞতা নিয়েই সবার বিপরীতে, সবার অমতে আঁকড়ে রইলেন তার দেশের মাটি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;দেশভাগের পরে সবাই যখন আলাদা হয়ে যাওয়া মোসলমান দেশ পাকিস্তানে যেতে শুরু করলো, তখন নিজের দেশে বসে থেকে তিনি ভাবেন--&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;"আমাকে কেউ বোঝাইতে পারলে না ক্যানে আলাদা একটো দ্যাশ হয়েছে গোঁজামিল দিয়ে যিখানে শুদু মোসলমানরা থাকবে কিন্তুক হিঁদু কেরেস্তানও আবার থাকতে পারবে। তাইলে আলাদা কিসের? আমাকে কেউ বোঝাইতে পারলে না যি সেই দ্যাশটো আমি মোসলমান বলেই আমার দ্যাশ আর এই দ্যাশটি আমার লয়। আমাকে আরো বোঝাইতে পারলে না যি ছেলেমেয়ে আর জায়গায় গেয়েছে বলে আমাকেও সিখানে যেতে হবে।"&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;হায়, হিন্দুরাষ্ট্র আর মুসলমানরাষ্ট্র তত্ত্বর অসাড়তা, অবাস্তবতা এবং অকার্যকরিতা ভারতবর্ষর হাজারো সাধারণ মানুষ মর্মে মর্মে উপলদ্ধি করলেও, করে নি দেশের হর্তা কর্তারা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ইতিহাস, কিন্তু তথ্য-তত্ত্বর খটখটে বিবরণ নয়, অতি সাধারণ গ্রাম্য এক মহিলার জীবনের ছবি এঁকে, তারই মুখে সেই জীবনের কাহিনী বর্ণনা করে যেভাবে এখন থেকে অনেক কাল আগের সেই সময়ে লেখক নিয়ে যেতে পেরেছেন পাঠককে, এর চেয়ে সহজে আর কি করে ততটা বাস্তব উপলদ্ধির জন্ম দেয়া যেত আমার জানা নেই। "আগুনপাখি" হাসান আজিজুল হক-এর প্রথম এবং এ পর্যন্ত একমাত্র উপন্যাস। ১৯৬০ সাল থেকে লেখালেখি করে এতটা স্বনামধন্য হবার পরেও কেন এতদিন কোন উপন্যাস লিখেন নি, এই প্রশ্নের মুখে "আগুনপাখি" একটি যথার্থ উত্তর। এরকম একটি উপন্যাস সারা জীবনে একটি লিখতে পারলে বোধহয় লেখক জীবনে আরও খুব বেশি কিছুর প্রয়োজন পড়ে না।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/1090308001181777331-3866118799145752512?l=projapoti.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://projapoti.blogspot.com/feeds/3866118799145752512/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=1090308001181777331&amp;postID=3866118799145752512&amp;isPopup=true' title='6 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/3866118799145752512'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/3866118799145752512'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://projapoti.blogspot.com/2008/11/blog-post_14.html' title='&quot;আগুনপাখি&quot; পড়েছি বলে'/><author><name>নিঘাত সুলতানা তিথি</name><uri>http://www.blogger.com/profile/01171944509548484876</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='21' height='32' src='http://img1.orkut.com/images/medium/1188076426/19981351.jpg'/></author><thr:total>6</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-1090308001181777331.post-7903272614890609445</id><published>2008-11-06T21:53:00.002+11:00</published><updated>2008-11-06T22:10:47.432+11:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='খেরোখাতা'/><title type='text'>এই স্বপ্ন ভেঙে না যায়...</title><content type='html'>রোজ সকালে এলার্ম দেয়া থাকে, সুন্দর একটা সময়, যেন সব কিছু ঠিকঠাক করে নেয়া যায়। আমার ওঠা হয় না। ন'টার এলার্ম পেরিয়ে দশটা, এগারোটা...। কোনমতে ঘুম ভেঙে ধুমধাম। সেই ঠিকঠাক করে আর কিছুই করা হয়ে ওঠে না। আজও তাই হলো। কিন্তু আজ সকালের ঘুমে স্বপ্ন দেখেছি...দারুণ! দেখি আমি দেশে গিয়েছি। বাবা, ছোট'পু, বড়'পুর সাথে দেখা হলো, ওদের জড়িয়ে ধরে কত গল্প। ধোঁয়া ধোঁয়া স্বপ্ন নয়, একদম যেন টলটলে জলের মত...পরিষ্কার অনুভূতি। তারপর দেখি, সবাই মিলে ঘুরতে গিয়েছি...সাগর পাড়ে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;তারপর কেমন যেন স্বপ্নের মাঝেই বুঝতে পারি, এইসব ভালোলাগা সত্যি নয়। আত্মাটা বুঝি উড়ে চলে গিয়েছিলো সাত সাগর পাড়ি দিয়ে আমার আপন দেশে, আর একটু একটু করে যখন সে ফিরে এসে আমার দেহে আবার বসতে থাকে, ঠিক তখনই বুঝতে পারি আমি স্বপ্ন দেখছি। হাঁচড়ে-পাঁচড়ে যতই আমি বাস্তব থেকে স্বপ্নে ফিরে যেতে চাই, বাস্তবতা ততই আরো আষ্টেপৃষ্ঠে আমাকে জড়িয়ে ধরে আমার অস্তিত্ব থেকে সবাইকে দূরে সরিয়ে নেয়...&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ভেঙে যায় আমার স্বপ্ন। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বাড়ি যেতে ইচ্ছে করে...ভীষন! এখনও বাড়িতেই আছি, নিজের ঘর, নিজের সংসার। অনেক ভালোলাগা, অনেক ভালোবাসা প্রতি মুহুর্তে ঘিরে থাকে। তবুও...কেমন যেন ইচ্ছে করে একটুখানি বাবার কোলে বসতে, আপুদের সাথে আল্লাদি করতে। একটুখানি আমার নিজের দেশের দূষিত বাতাসে নিঃশ্বাস নিতে...&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কবে যাবো?&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/1090308001181777331-7903272614890609445?l=projapoti.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://projapoti.blogspot.com/feeds/7903272614890609445/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=1090308001181777331&amp;postID=7903272614890609445&amp;isPopup=true' title='5 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/7903272614890609445'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/7903272614890609445'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://projapoti.blogspot.com/2008/11/blog-post.html' title='এই স্বপ্ন ভেঙে না যায়...'/><author><name>নিঘাত সুলতানা তিথি</name><uri>http://www.blogger.com/profile/01171944509548484876</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='21' height='32' src='http://img1.orkut.com/images/medium/1188076426/19981351.jpg'/></author><thr:total>5</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-1090308001181777331.post-8706263945687167407</id><published>2008-10-28T01:53:00.007+11:00</published><updated>2008-10-28T03:38:16.884+11:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='খেরোখাতা'/><title type='text'>বাদলা দিনে মনে পড়ে</title><content type='html'>&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://3.bp.blogspot.com/_WqggG_iahQg/SQXuU1hQyyI/AAAAAAAAAaM/hLRejDaRaMo/s1600-h/ay+brishti+jhepe.....jpg"&gt;&lt;img style="float:left; margin:0 10px 10px 0;cursor:pointer; cursor:hand;width: 320px; height: 213px;" src="http://3.bp.blogspot.com/_WqggG_iahQg/SQXuU1hQyyI/AAAAAAAAAaM/hLRejDaRaMo/s400/ay+brishti+jhepe.....jpg" border="0" alt=""id="BLOGGER_PHOTO_ID_5261873781383678754" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;দেশে নাকি খুব বৃষ্টি হচ্ছে ক'দিন ধরে। গরম থেকে আস্তে আস্তে ঠান্ডা পড়ে যাচ্ছে। এই সব খুব স্বাভাবিক প্রক্রিয়া প্রকৃতির। তবু দূর থেকে শুনে কেমন যেন অন্য রকম মনে হয়। ছোটবেলার কথা মনে পড়ে। হঠাৎ যখন একটু একটু করে হালকা শীত পড়তো, সেই সময়টার কথা। হঠাৎ একদিন ফ্যান চালানো বন্ধ হয়ে যায়। বারান্দার রোদ্দুরে চেয়ার বা মাদুর পেতে বসে কিছু পড়তে খুব ভালো লাগতে শুরু করে। রাতে ঘুমানোর সময় একটু ভারী কাঁথা গায়ে জড়ানো শুরু হয়ে যায়। কেমন আদুরে, সুন্দর একটা সময়। এটাই তো হেমন্ত, না? ছোটবেলায় খুব ছবি আঁকার ঝোঁক ছিলো। একটা ছবির কথা মনে পড়ছে, গাঁয়ের মেঠো পথে একজন কৃষক মাথায় নতুন ফসলের ঝাঁকা নিয়ে হেঁটে যাচ্ছেন, তার পাশে কিছু গাঁয়ের বধু-ঘোমটা পরা, তাদের শাড়ির রঙ খুব উজ্জ্বল করে রাঙাতাম আমি, হয় সবুজ শাড়ি লাল পাড়, নয়ত লাল শাড়ি সবুজ পাড়--এই ছবির মানেই হেমন্ত। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;লিখতে গিয়ে খুব অবাক হয়ে ভাবছি, তখন এই হেমন্ত'র মর্ম বোঝাটা কত কৌতুহল-উদ্দীপক ছিলো। এবং এরকম সবকিছুই। এখন যেমন খুব জেনে গিয়েছি,অনেক কিছুই। তখন সেই স্বপ্নমাখা, কৌতুহলী মনে সব কিছুই ছিলো নতুন আবিষ্কারের মতন আনন্দদায়ক। এই যে, ফসল তুলে কৃষকের ঘরে ফেরা মানেই হেমন্ত,পিঠা-উৎসব--এই জানাটাও কত উত্তেজনাকর ছিলো তখন! সবকিছুতেই অবারিত সম্ভাবনার সম্ভাবনা। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ইদানিং এরকম আবার অনেক কিছু নতুন করে জানতে ইচ্ছা করে। ঠিক তখনকার মত করে। আবিষ্কার করতে ইচ্ছা করে একেকটা শব্দের মানে, নতুন করে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের "তালগাছ এক পায়ে দাঁড়িয়ে"র পাশাপাশি কাজী নজরুল ইসলামেরও তালগাছ নিয়ে একটা ছড়া আছে যেদিন জানতে পারি, সেই নিয়ে সে কী আনন্দ আমার। ক্লাসের বন্ধুদের উৎসাহ নিয়ে বলি, তোমরা কি এই কবিতাটা পড়েছো কখনও, "ঝাকড়া চুলো তালগাছ/ তুই দাঁড়িয়ে কেন ভাই?/ আমার মত পড়া কি তোর/ মুখস্থ হয় নাই?" কেউ জানে না, কেউ পড়ে নি...আমি পড়েছি, এইটুকুতেই সে কি আনন্দ!!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আহা ছেলেবেলা! কি পরম ঐশ্বর্য জীবনের। কেমন যেন মনে হয় খুব বেশি যত্ন করে একেকটা স্মৃতিকে আলাদা আলাদা রেশমী কাপড়ে মুড়ে মণিমাণিক্যখচিত দামী সিন্দুকে ভরে মস্ত ঢাউশ একটা তালা দিয়ে জমা করে রেখেছি। চাবিটাকে রেখে দিয়েছি এত বেশি গোপন কুঠুরীতে যে মাঝে মাঝে খুঁজেই পাই না। হঠাৎ যদি তার সন্ধান পাই, চারপাশে খুব সাবধানে তাকিয়ে সন্তর্পনে পা ফেলে আমি সেই সিন্দুকের কাছে যাই। ডালা খুললেই ঝিলিক দিয়ে ওঠে সেই সব অগণিত অমূল্য সম্পদ। একেক দিন একেকটাকে দেখি আর ভাবি, নাহ ততটা গরীব বোধহয় নই সত্যি আমি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;a href="http://www.esnips.com/doc/8e411edf-1082-4b65-a0cf-9f52f1304086/habib-cholo-Brishti"&gt;বৃষ্টি নিয়ে একটা গান।&lt;/a&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/1090308001181777331-8706263945687167407?l=projapoti.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://projapoti.blogspot.com/feeds/8706263945687167407/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=1090308001181777331&amp;postID=8706263945687167407&amp;isPopup=true' title='1 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/8706263945687167407'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/8706263945687167407'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://projapoti.blogspot.com/2008/10/blog-post_28.html' title='বাদলা দিনে মনে পড়ে'/><author><name>নিঘাত সুলতানা তিথি</name><uri>http://www.blogger.com/profile/01171944509548484876</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='21' height='32' src='http://img1.orkut.com/images/medium/1188076426/19981351.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://3.bp.blogspot.com/_WqggG_iahQg/SQXuU1hQyyI/AAAAAAAAAaM/hLRejDaRaMo/s72-c/ay+brishti+jhepe.....jpg' height='72' width='72'/><thr:total>1</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-1090308001181777331.post-8536116259200380989</id><published>2008-10-05T00:11:00.024+10:00</published><updated>2008-10-05T03:10:57.206+11:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='খেরোখাতা'/><title type='text'>রঙ</title><content type='html'>&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://1.bp.blogspot.com/_WqggG_iahQg/SOeS8_AUsNI/AAAAAAAAAWs/AlV5iwFBIkg/s1600-h/7.JPG"&gt;&lt;img style="float:right; margin:0 0 10px 10px;cursor:pointer; cursor:hand;" src="http://1.bp.blogspot.com/_WqggG_iahQg/SOeS8_AUsNI/AAAAAAAAAWs/AlV5iwFBIkg/s200/7.JPG" border="0" alt=""id="BLOGGER_PHOTO_ID_5253329066753568978" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://1.bp.blogspot.com/_WqggG_iahQg/SOeSPQ5-5VI/AAAAAAAAAWU/pnwGVtMQuWs/s1600-h/3.JPG"&gt;&lt;img style="float:right; margin:0 0 10px 10px;cursor:pointer; cursor:hand;" src="http://1.bp.blogspot.com/_WqggG_iahQg/SOeSPQ5-5VI/AAAAAAAAAWU/pnwGVtMQuWs/s200/3.JPG" border="0" alt=""id="BLOGGER_PHOTO_ID_5253328281284830546" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://2.bp.blogspot.com/_WqggG_iahQg/SOeSPnp-c4I/AAAAAAAAAWc/VR6DxdvlhP4/s1600-h/4.JPG"&gt;&lt;img style="float:right; margin:0 0 10px 10px;cursor:pointer; cursor:hand;" src="http://2.bp.blogspot.com/_WqggG_iahQg/SOeSPnp-c4I/AAAAAAAAAWc/VR6DxdvlhP4/s200/4.JPG" border="0" alt=""id="BLOGGER_PHOTO_ID_5253328287391708034" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://4.bp.blogspot.com/_WqggG_iahQg/SOeSP4r_TdI/AAAAAAAAAWk/pmaMgyGERvk/s1600-h/5.JPG"&gt;&lt;img style="float:right; margin:0 0 10px 10px;cursor:pointer; cursor:hand;" src="http://4.bp.blogspot.com/_WqggG_iahQg/SOeSP4r_TdI/AAAAAAAAAWk/pmaMgyGERvk/s200/5.JPG" border="0" alt=""id="BLOGGER_PHOTO_ID_5253328291963555282" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://1.bp.blogspot.com/_WqggG_iahQg/SOeSHrBhEMI/AAAAAAAAAV8/XKmWyRGCB1w/s1600-h/1.JPG"&gt;&lt;img style="float:left; margin:0 10px 10px 0;cursor:pointer; cursor:hand;" src="http://1.bp.blogspot.com/_WqggG_iahQg/SOeSHrBhEMI/AAAAAAAAAV8/XKmWyRGCB1w/s200/1.JPG" border="0" alt=""id="BLOGGER_PHOTO_ID_5253328150856798402" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://2.bp.blogspot.com/_WqggG_iahQg/SOeSHviu-zI/AAAAAAAAAWE/m4cjT2J6db0/s1600-h/2.JPG"&gt;&lt;img style="float:left; margin:0 10px 10px 0;cursor:pointer; cursor:hand;" src="http://2.bp.blogspot.com/_WqggG_iahQg/SOeSHviu-zI/AAAAAAAAAWE/m4cjT2J6db0/s200/2.JPG" border="0" alt=""id="BLOGGER_PHOTO_ID_5253328152069864242" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://1.bp.blogspot.com/_WqggG_iahQg/SOeSHtCVj-I/AAAAAAAAAWM/ygoHh2JvlVs/s1600-h/6.JPG"&gt;&lt;img style="float:left; margin:0 10px 10px 0;cursor:pointer; cursor:hand;" src="http://1.bp.blogspot.com/_WqggG_iahQg/SOeSHtCVj-I/AAAAAAAAAWM/ygoHh2JvlVs/s200/6.JPG" border="0" alt=""id="BLOGGER_PHOTO_ID_5253328151397109730" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;নানান কারনে মন খারাপ হয়ে কেমন যেন ধূসর হয়েছিলো সব কিছু। একটার পর একটা দুঃসংবাদ। একটু একটু করে সেই সব কাটিয়ে ওঠার খুব চেষ্টা করে যাচ্ছি। আজ কি ভেবে ব্লগের চেহারাটাও বদলে দিলাম। রঙ্গীন আনন্দময় হোক চারপাশটা, সেই প্রচেষ্টায়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এর মাঝে ঈদ পার করেছি। এবারের ঈদটা বেশ কেটেছে। দুঃসময়ের মাঝে কেমন যেন একটা আনন্দ-বাতাসের মত। অনেক রান্নাবান্না, খাবারের আয়োজন...তার মাঝে সময় করে এক ফাঁকে হাতটা মেহেদিকে রাঙিয়ে নেয়া, পরিচিত জনদের বাসায় গিয়ে দেখা করা, নিজের বাড়িতে আপ্যায়ন করা- এই সমস্ত কিছুতেই কেটে গেলো বেশ উৎসবের আমেজ নিয়ে। তার মাঝে সারাটা দিনই ঘুরে ফিরে বিদ্যুৎ ঝিলিকের মত পুরনো ঈদের স্মৃতি উঁকি দিয়ে গ্যাছে। মনে পড়েছে ভোরবেলা বাবা নামাজ পড়তে যাবার আগে সালাম করা, তিন বোনের মিলিত আনন্দ, খুব জোরে গান বাজানো, বন্ধুদের সাথে ঘুরতে যাওয়া, মনে পড়েছে মা'কে, সারাটা দিন কেমন পরিশ্রম করে এটা সেটা রেঁধে আমাদের আনন্দের সময় করে দিতো মা। সময় বদলায়, দায়িত্ব বদল হয় প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে। কত কি-ই করতে পারি এখন, কিছু ইচ্ছায়, কিছু অনিচ্ছায়...দায়িত্ব নিতে পারি। কেবল মা-ই কিছু দেখে গেলেন না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ঈদের পরদিন এবার দারুন একটা জায়গায় ঘুরতে গিয়েছিলাম। টিউলিপ মেলা। টিউলিপ আমার বরাবরের প্রিয় ফুল। মাঠ জুড়ে ধানক্ষেতের মত টিউলিপ ক্ষেত! ব্যাপারটা চিন্তা করতেও অসাধারণ লাগে। কিছু জরুরী কাজে অনেক দেরি হয়ে গেলো পৌঁছুতে। পাঁচটায় ফেস্টিভাল বন্ধ হবে, আমরা পৌঁছুলাম সাড়ে চারটায়। আধঘন্টা বেশি ঘুরতে দিয়েছে অবশ্য কর্তৃপক্ষ, তাই রক্ষে। এত এত রঙ্গীন ফুলের মাঝে দৌড়াদৌড়ি, ঘুরোঘুরি করে মনটা কি ফুরফুরে যে হয়ে উঠেছিলো। ওই সময়টুকু জুড়ে কেবল রঙ গুলোই ঘিরে ছিলো মনটা। ইশ, পুরো জীবনটা যদি এরকম রঙীন হত!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বলে, লিখে এমনকি ছবি তুলেও এই সৌন্দর্য ধরে রাখা যায় না, তবু কিছু ছবি ব্লগে দিয়ে রাখলাম...থাকুক, একটু রঙীন চিহ্ন থাকুক।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/1090308001181777331-8536116259200380989?l=projapoti.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://projapoti.blogspot.com/feeds/8536116259200380989/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=1090308001181777331&amp;postID=8536116259200380989&amp;isPopup=true' title='7 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/8536116259200380989'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/8536116259200380989'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://projapoti.blogspot.com/2008/10/blog-post.html' title='রঙ'/><author><name>নিঘাত সুলতানা তিথি</name><uri>http://www.blogger.com/profile/01171944509548484876</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='21' height='32' src='http://img1.orkut.com/images/medium/1188076426/19981351.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://1.bp.blogspot.com/_WqggG_iahQg/SOeS8_AUsNI/AAAAAAAAAWs/AlV5iwFBIkg/s72-c/7.JPG' height='72' width='72'/><thr:total>7</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-1090308001181777331.post-1402309469701583229</id><published>2008-09-28T13:53:00.023+10:00</published><updated>2008-10-08T00:31:38.635+11:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='খেরোখাতা'/><title type='text'>জুবায়ের ভাই...সুখে থেকো ভালো থেকো</title><content type='html'>&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);font-family:trebuchet ms;font-size:100%;"  &gt;যে মানুষটিকে নিয়ে লিখতে বসেছি তাকে নিয়েই লিখব ঠিক করে রেখেছিলাম। কিন্তু বিষয়বস্তুটা যে এমন করে বদলে যাবে, কিছুতেই তো বুঝতে পারি নি আগে। এখনও কি বুঝছি? বিশ্বাস করতে পারছি? না জুবায়ের ভাই, তিনটা বিষন্ন দিন পার করে এখনও বিস্ময়ে ভাবছি, সত্যি চলে গেলেন এতটা দূরে?&lt;/span&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);font-size:100%;" &gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);font-family:trebuchet ms;font-size:100%;"  &gt;গত তিনটা দিন অসংখ্যবার একটা কিছু লিখব ভেবে শিউরে উঠে দূরে সরে গিয়েছি...এও কি হয়? এই ভীষন প্রাণবন্ত জীবন্ত মানুষটাকে নিয়ে কি করে এমন শোকগাঁথা লিখা যায়? কেন লিখতে হয়? গত মাসে সচলায়তনে তার অসুস্থতার খবর পড়ে আঁতকে উঠেছিলাম, এত প্রিয় মানুষটা এত কষ্ট পাচ্ছে এই ভেবেই কষ্ট হচ্ছিলো। কিন্তু ভীষন বিশ্বাস ছিলো, বেশিদিনের জন্য নয়, জুবায়ের ভাই সুস্থ হয়ে উঠবেন অতি শিঘ্রী। এসেই আনন্দমাখা একটা পোস্ট দেবেন। আমরা সবাই ঝাপিয়ে পড়ে সেই পোস্টে মন্তব্য করে, পাঁচ তারা দিয়ে তাকে স্বাগত জানাবো আর খুব করে বকে দেব মাঝের কয়েকটা দিন আমাদের এরকম দুশ্চিন্তায় রাখার জন্য। সচলায়তনে আমার পরবর্তী পোস্ট হবে জুবায়ের ভাইয়ের সুস্থতা উপলক্ষ্যে আনন্দপোস্ট, কি লিখব সেইসব ভাষাও ঠিক করে রেখেছিলাম। একটা মুহুর্তের জন্যও কি এই ভয়াবহ পরিণতির কথা ভেবেছিলাম?&lt;/span&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);font-size:100%;" &gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);font-family:trebuchet ms;font-size:100%;"  &gt;আজকে লিখতে গিয়ে পেছনে ফিরে তাকাতে হয়। এই মানুষটা বয়সে আর সবার চাইতে অনেকটা বড় হয়ে কখনও দাদাগিরি ফলালেন না, অনেক বেশি অভিজ্ঞ লেখক হয়েও কখনও আমাদের শিক্ষানবিস বলে ছোট করে দেখলেন না, আমাদের পাশে ঠিক চিরতারুণ্য ধরে রেখে প্রিয় বন্ধুর মত বলে গেলেন নিজের কথা। দেখালেন তার বাতিঘরের আলো।&lt;/span&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);font-size:100%;" &gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);font-family:trebuchet ms;font-size:100%;"  &gt;জুবায়ের ভাইয়ের লেখা আমি প্রথম পড়ি সামহোয়ারইন ব্লগে, তার উপন্যাস "পৌরুষ"। প্রতিদিনই দেখতাম একজন নতুন ব্লগার (তখনও জানি না কতদিনের লেখক তিনি) ধারাবাহিকভাবে উপন্যাসের একেকটি পর্ব পোস্ট করতেন। আমি খুব অবাকই হয়েছিলাম, ওই ব্লগের ওই পরিবেশে উপন্যাস পোস্ট করার সাহস দেখে। পড়ব পড়ব করে পড়া হচ্ছিলো না। একদিন প্রিয় বন্ধু আনোয়ার সাদাত শিমুল বললেন উপন্যাসটি পড়া শুরু করতে। শিমুলকে ধন্যবাদ সেই থেকেই আমার জুবায়ের ভাইয়ের লেখা এবং তার সাথে পরিচয়। আমি যখন উপন্যাসটি পড়তে শুরু করি ঠিক সেইদিনই তিনি শেষ পর্বটি পোস্ট করেছিলেন। "প্রজাপতি" নামে ওখানে আমি ব্লগিং করতাম। আমি মন্তব্য করার পরে বললেন,&lt;/span&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);font-size:100%;" &gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;span style="font-style: italic; color: rgb(0, 0, 0);font-family:trebuchet ms;font-size:100%;"  &gt;প্রজাপতি, শোনা কথা বিশ্বাস করতে নেই। :-)&lt;/span&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);font-family:trebuchet ms;font-size:100%;"  &gt;  &lt;/span&gt;&lt;span style="font-style: italic; color: rgb(0, 0, 0);font-family:trebuchet ms;font-size:100%;"  &gt;আজ এই একটু আগে এই লেখার শেষ কিস্তি পোস্ট করেছি। কাকতালীয় হোক বা ইচ্ছাকৃত, বিলম্বে ক্ষতি কিছু হয়নি। শামিল হওয়ার জন্যে ধন্যবাদ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);font-family:trebuchet ms;font-size:100%;"  &gt;আমার কেমন মনে হলো,&lt;/span&gt;&lt;span style="font-style: italic; color: rgb(0, 0, 0);font-family:trebuchet ms;font-size:100%;"  &gt; &lt;/span&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);font-family:trebuchet ms;font-size:100%;"  &gt; যেন খানিক মন খারাপ হয়েছে কেউ এত দেরিতে পড়া শুরু করেছে বলে।&lt;/span&gt;&lt;span style="font-style: italic; color: rgb(0, 0, 0);font-family:trebuchet ms;font-size:100%;"  &gt; &lt;/span&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);font-family:trebuchet ms;font-size:100%;"  &gt;যদিও ব্যাপারটা মোটেও সেরকম ছিলো না, তিনি তো আর আমার মত ছেলেমানুষ ছিলেন না! এই কথোপকথনগুলো খুব মনে পড়ছে, আর তো কথা হবে না কখনও, এইটুকুই নিজের কাছে এনে রাখি।&lt;/span&gt;&lt;span style="font-style: italic; color: rgb(0, 0, 0);font-family:trebuchet ms;font-size:100%;"  &gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);font-size:100%;" &gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;span style="font-style: italic; color: rgb(0, 0, 0);font-family:trebuchet ms;font-size:100%;"  &gt;প্রজাপতি: জুবায়ের ভাই, পড়ছি কিন্তু। প্রথম পর্বে বলেছি বিশ্বাস করেন নি ঠিকমতো। এই যে একটু করে চিহ্ন রেখে গেলাম। আজকে টানা অনেকটা পড়ব।&lt;/span&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);font-family:trebuchet ms;font-size:100%;"  &gt; &lt;/span&gt;&lt;span style="font-style: italic; color: rgb(0, 0, 0);font-family:trebuchet ms;font-size:100%;"  &gt; এবং পড়তে ভালো লাগছে। তার'চে বড় কথা, আগ্রহ বোধ করছি সামনে এগুনোর।              &lt;/span&gt; &lt;span style="font-style: italic; color: rgb(0, 0, 0);font-family:trebuchet ms;font-size:100%;"  &gt;&lt;br /&gt;মুহম্মদ জুবায়ের: প্রজাপতি, একটু ভুল বুঝেছেন। আপনি পড়ছেন সে বিষয়ে সন্দেহ প্রকাশ করিনি। আমার লেখা সম্পর্কে প্রশংসামূলক কথা শুনেছেন জেনে বলেছিলাম শোনা কথা বিশ্বাস না করতে। অর্থাৎ পড়ার জন্যে আপনাকে পরোক্ষে তাগিদ দেওয়া আর কি! :-)&lt;/span&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);font-size:100%;" &gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);font-family:trebuchet ms;font-size:100%;"  &gt;এরপর প্রতিটা পর্বেই আমি যে পড়েছি সেই চিহ্ন রাখার একটা ছেলেমানুষী শুরু করলাম। জানি না সেইজন্যই কিনা জুবায়ের ভাই আমাকে মনে রাখলেন। সচলায়তনের একদম শুরুর দিকে আমার জন্মদিনের তারিখ পড়লো। জন্মদিনের পোস্টে কারও মন্তব্য পেলে খুবই ভালো লাগে কিন্তু কেউ শুভেচ্ছা না জানালে তো দোষের কিছু নেই। তবু জুবায়ের ভাইকে ঝাড়ি দিলাম আমাকে শুভেচ্ছা না জানানোর জন্য। তিনি খুবই দুঃখিত হয়ে বললেন, "কেমনে বুঝব যে নিঘাত তিথিই ওই বাড়ির প্রজাপতি?" তারপরে ওই পোস্টে গিয়ে বললেন,&lt;/span&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);font-size:100%;" &gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);font-family:trebuchet ms;font-size:100%;" class="thread"  &gt; &lt;/span&gt;      &lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);font-size:100%;" &gt;&lt;br /&gt;&lt;a style="font-style: italic; font-family: webdings;" href="http://www.sachalayatan.com/user/zubair" title="সদস্যের প্রোফাইল দেখুন।"&gt;মুহম্মদ জুবায়ের&lt;/a&gt;&lt;/span&gt;&lt;span style="font-style: italic; color: rgb(0, 0, 0);font-family:trebuchet ms;font-size:100%;"  &gt; | শুক্র, ২০০৭-০৬-১৫ ০২:৪১&lt;/span&gt; &lt;p  style="font-style: italic; color: rgb(0, 0, 0);font-family:webdings;"&gt;&lt;span style="font-size:100%;"&gt;দেরি হইছে তো কী হইছে? এখন চিল্লাইয়া কই, শুভ জন্মদিন।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt; &lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);font-family:trebuchet ms;font-size:100%;"  &gt;কেউ বলবে এই মানুষটার মধ্যে সিনিয়র লেখকসুলভ কোন অহংকার আছে? আমার মত এরকম অনেককেই ক্রমাগত মন্তব্য দিয়েছেন, উৎসাহ দিয়েছেন। বন্ধু হয়ে থেকেছেন। &lt;/span&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;মন্তব্য-প্রতি মন্তব্যে কত মজা করা, দুঃখ ভাগ করে নেয়া...। দেশের বাইরে আসার পর আমি ক্রমাগতই দেশ নিয়ে মন খারাপ করা পোস্ট দিয়ে গিয়েছি সচলায়তনে। একবার সেরকম এক পোস্টে নিজের প্রতি কেমন জেদ নিয়ে লিখলেন,&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);" class="thread"&gt;&lt;/span&gt;&lt;a style="font-style: italic; color: rgb(0, 0, 0);" href="http://www.sachalayatan.com/user/zubair" title="সদস্যের প্রোফাইল দেখুন।"&gt;মুহম্মদ জুবায়ের&lt;/a&gt;&lt;span style="font-style: italic; color: rgb(0, 0, 0);"&gt; | বুধ, ২০০৮-০৪-০২ ১৪:১৩&lt;/span&gt;&lt;p style="font-style: italic; color: rgb(0, 0, 0);"&gt;আমরা সবাই দেশের কথা ভেবে, আপনজনদের কথা ভেবে বিষাদাক্রান্ত হবো, চলে যাবো বলে সংকল্প করবো। কিন্তু সেই সংকল্প ভুলে যাবো পরদিন সকালে সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে। আমাদের আর যাওয়া হয়ে উঠবে না। যাবো-যাচ্ছির বিলাসিতাই সার। কাউকে ছোটো করার জন্যে বলছি না, এটা আমার নিজের কথা বলা। নিজেকে ধিক্কার দেওয়া। বাইশ বছর হয়ে গেলো ....&lt;/p&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;সেই সমস্ত স্মৃতিগুলোই ঘুরেফিরে বারবার চোখ ভিজিয়ে দিচ্ছে। হতভম্ব হয়ে বুঝার চেষ্টা করছি,&lt;/span&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);font-family:trebuchet ms;font-size:100%;"  &gt; তার লেখা গল্প, উপন্যাস, ব্লগ, দেশচিন্তা, তার বাতিঘরের আলো এবং বন্ধুর ও অভিভাবকের মত সমালোচনা বা আলোচনা সব কিছু থেকে কি আশ্চর্য অলীক দ্রুততায় এবং অকস্মাৎ আমরা বঞ্চিত হয়ে গেলাম!&lt;/span&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);font-size:100%;" &gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);font-family:trebuchet ms;font-size:100%;"  &gt;এই সমস্ত কথা এবং আরো অনেক অনেক কথাই এখন আমাদের হৃদয়জুড়ে। যতটা কথা, তার চেয়েও বেশি দীর্ঘশ্বাস আর হাহাকার। &lt;/span&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;জানি না আমাদের প্রিয় জুবায়ের ভাই কোথায়, কেমন করে আছেন। আমরা রয়ে গেছি এখনও এইখানেই, তার অস্তিত্ব বুকে ধারণ করে। প্রিয় জুবায়ের ভাই, আপনি যেখানেই থাকুন, ভালো থাকুন। শান্তিতে থাকুন।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);font-family:trebuchet ms;font-size:100%;"  &gt;আমরা আপনাকে কখনও ভুলব না।&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/1090308001181777331-1402309469701583229?l=projapoti.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://projapoti.blogspot.com/feeds/1402309469701583229/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=1090308001181777331&amp;postID=1402309469701583229&amp;isPopup=true' title='3 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/1402309469701583229'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/1402309469701583229'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://projapoti.blogspot.com/2008/09/blog-post_28.html' title='জুবায়ের ভাই...সুখে থেকো ভালো থেকো'/><author><name>নিঘাত সুলতানা তিথি</name><uri>http://www.blogger.com/profile/01171944509548484876</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='21' height='32' src='http://img1.orkut.com/images/medium/1188076426/19981351.jpg'/></author><thr:total>3</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-1090308001181777331.post-7626838486823169969</id><published>2008-09-14T12:00:00.004+10:00</published><updated>2008-09-14T12:03:26.903+10:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='খেরোখাতা'/><title type='text'>অগাস্ট পেরুলো, বাঁচলাম।</title><content type='html'>&lt;span style=";font-family:courier new;font-size:100%;"  &gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;কেমন করে যেন সময় চলে যায়। নিজের ব্লগের দিকে তাকিয়ে দেখি, জুলাই-এর পরে আর কোন লেখা নেই। আমি লেখাতে অনিয়মিতই থাকি ব্লগে, কিন্তু পুরো অগাস্টে কোনই লেখা নেই দেখে অদ্ভুত লাগছে।  অন্তত নিজের ব্লগস্পটে তো হাবিজাবি অলেখাগুলো লিখি, কেউ দেখবে না ভেবে, এখানেও কিছু নেই। এই মাসটায় কিছুই কি ঘটে নি লেখার মত?  এমনকি নিজের ডায়েরীতেও? ...অগাস্ট মাসটাকে আমার ইচ্ছা করে আমার জীবন থেকেই মুছে দিই। কি আছে অগাস্টে? দুইটা তারিখ অভিশাপের মত কালো অন্ধকার হয়ে থাকে। পনেরো আর তেইশ। পনেরো অগাস্টে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মৃত্যুদিন, পুরো পরিবারসহ। এরচেয়ে কালো কোন অধ্যায় তো আর নেই বাংলাদেশের ইতিহাসে...নির্মলেন্দু গুনের কবিতাটা মনে পড়ে, "আগস্ট শোকের মাস, কাঁদো"।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;এরপরে আরেকটা তারিখ যোগ হলো ২০০৫-এ, ২১ অগাস্ট। বোমা মারা হলো আওয়ামী নেত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে। তিনি বেঁচে গেলেন ভাগ্যজোড়ে, হয়তো দুর্ভাগা পুরো পরিবারের অবশিষ্ট সবটুকু আশির্বাদ তাকে আগলে রেখেছিলো। কিন্তু মরতে হলো সেই সভায় আসা সাধারণ কিছু মানুষকে, ইশ, কি ভীষন অনর্থক মৃত্যু! জীবন্মৃত হয়ে আজো বেঁচে আছেন মৃতদের চাইতেও হতভাগ্য আরো ক'জন। লিখতে গিয়ে চোখের সামনে ভেসে উঠছে সেদিনের পেপার জুড়ে ছড়িয়ে থাকা লাশের ছবি! ওহ ঈশ্বর, আমি ভুলতে চাই...!&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;২০০৫-এর ২১শে আগস্টে আম্মুর সাথে কথা হলো, তখন আমি ইউনিভার্সিটির হলে, অনার্স থার্ড ইয়ার ফাইনাল চলছে। মামণি খুব চিন্তায় ছিলো, আমি আবার ওই সভায় গিয়েছি কিনা, কি অমূলক টেনশান- মায়েরাই কেবল করেন। তাকে বুঝিয়ে শান্ত করা হলো। আর মাত্র দু'দিন পরে ২৩ তারিখ, আমার শেষ পরীক্ষা। পরীক্ষা শেষ করেই বাসায় ফিরে আসব। তখন এইসব টেনশানের আলাপ বাদ দিয়ে আমরা সব মজার মজার গল্প করব। মা আমার আশ্বস্ত হন। একটা মাস ধরে দিন গুনে চলেছেন কবে আমি পরীক্ষা শেষ করে বাড়ি ফিরব, আর মাত্র দু'টো দিন। তেইশ তারিখের শেষ পরীক্ষাটা আমার খুব ভালো হলো। অভ্যাসবশত পরীক্ষা শেষ করেই আম্মুকে ফোন দিলাম, কেউ রিসিভ করলো না।  ভাবলাম নিশ্চয়ই মা ঘুমুচ্ছেন। বন্ধুদের সাথে তুমুল আড্ডায় মেতে উঠলাম, শেষ পরীক্ষা বলে কথা।  বাসা থেকে একটা ফোন এলো কিছুক্ষন পরে, আমি যেন বাসায় চলে যাই, মা'র শরীর খারাপ করেছে আরো।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;বাসে যেতে যেতে কত কি ভাবলাম। মামণির একবার গলব্লাডার স্টোন অপারেশন হয়েছিলো, পুরো শরীর অচেতন করে এই অপারেশনটা করতে হয়। এই অপারেশনটাকে বলা হয় সবচেয়ে ছোট্ট, সহজ এবং রিস্ক ফ্রি অপারেশন। অপারেশন শেষ হয়ে যাবার পরে মা'কে কেবিনে ফেরত আনা হলো। একটু পরেই জ্ঞান ফিরবে-মা স্বাভাবিক হয়ে যাবেন জেনেও বিছানার ওপর তার অচেতন শরীর দেখে আমি শিউড়ে উঠেছিলাম। আমার মা কেন একটা মুহুর্তের জন্যও অমন হয়ে থাকবে? এইসব ভাবতে ভাবতে বাড়ি ফিরে দেখি এত এত মানুষ বাসায়...মা'র ঘরে ঢুকে দেখি মা ঠিক তেমনি অচেতন হয়ে শুয়ে আছেন বিছানায়...।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;আর ভাবতে চাই না। আর লিখতে চাই না। আর সইতেও পারি না...। পৃথিবীটা তো অবিশ্বস্তই। ২৩ তারিখটাকে, অগাস্ট মাসটাকে জীবন থেকে মুছে দিলে কি কিছু বদলে যেতো?&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;এখন অগাস্ট মাস এলে আতঙ্কে থাকি, কোন মানে নেই, তবুও। নিজের অজান্তে প্রতি মুহুর্তে এড়িয়ে যাই সময়টাকে। আমি যেন ঠিক আমি থাকি না। এর মাঝে দেশ থেকে খবর আসে, বাবার শরীর তেমন ভালো নেই। আমি রাতে দুঃস্বপ্ন দেখি। কুঁকড়ে ছোট হয়ে আসে শরীর। বাবা তুমি ভালো থাকো প্লিজ। প্লিজ বাবা।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;ফুটনোটঃ সেপ্টেম্বার চলে এসেছে। ১ তারিখ থেকেই আমার মনটা খুশি খুশি হয়ে ওঠে, সবচেয়ে প্রিয় মানুষটাকে "Happy birth month" বলে মাস শুরু করি। গতকাল বাবাকে ফোন করে জেনেছি, সব রিপোর্ট ভালো এসেছে। স্বস্তির নিঃস্বাস ফেলে ভাবছি, এবার প্রিয় সচলে লিখতে না পারলেও অন্তত পড়তে তো পারব প্রিয় মানুষগুলোর লেখা।&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/1090308001181777331-7626838486823169969?l=projapoti.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://projapoti.blogspot.com/feeds/7626838486823169969/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=1090308001181777331&amp;postID=7626838486823169969&amp;isPopup=true' title='3 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/7626838486823169969'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/7626838486823169969'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://projapoti.blogspot.com/2008/09/blog-post.html' title='অগাস্ট পেরুলো, বাঁচলাম।'/><author><name>নিঘাত সুলতানা তিথি</name><uri>http://www.blogger.com/profile/01171944509548484876</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='21' height='32' src='http://img1.orkut.com/images/medium/1188076426/19981351.jpg'/></author><thr:total>3</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-1090308001181777331.post-4101022681482461661</id><published>2008-07-30T23:59:00.003+10:00</published><updated>2008-10-05T00:11:13.699+10:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='খেরোখাতা'/><title type='text'>কি সন্ধানে যাই সেখান আমি...</title><content type='html'>&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);font-family:webdings;" &gt;(গত কয়েক দিনের বিচ্ছিন্ন দিনলিপি)&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;font-size:100%;" &gt;তুমি না থাকলে সকালটা এত মিষ্টি হতো না&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;দুই তিন ধরে একটু সকালে উঠার অভ্যাস করছি। একটু হালকা নাস্তা করি, চায়ের কাপ হাতে নিয়ে সচলায়তনে লগ-ইন করি, পড়তে থাকি। ফেসবুকে ঢুঁ মেরে হোমপেজে বন্ধুদের আপডেট দেখি। এই-ই ভালো লাগে তবু মাঝে কিছুক্ষণ রান্নাঘরের রঙীন মশলাপাতি আর চাল-ডাল-পেঁয়াজ-রসুন নিয়ে নাড়াচাড়া করতে হয়। ভাবছি, সকালে উঠতে পারাটা দারুণ ব্যাপার। প্রয়োজনের বাইরের কাজগুলো আয়েশী ভঙ্গিতে করে নেবার সময় পাওয়া যায়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;দেশ থেকে বই এসেছে অনেকগুলো, অনেক দিন পর নতুন বই হাতে নিলাম- কি যে আনন্দ! "সচলায়তন সংকলন" নিয়ে টুকটাক কিছু অভিযোগ শুনেছিলাম, ফন্ট বেশি ছোট হয়েছে, কাগজের মান তেমন ভালো নয়-এসব। আমার তো মনে হলো আমি পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর বইটা হাতে নিয়ে বসে আছি। কি চমৎকার প্রচ্ছদ। ক্ষুদ্র অক্ষরগুলো দেখে ভাবি &lt;span style="font-style: italic;"&gt;আহা কি চমৎকার গুটি গুটি হরফে ছাপা&lt;/span&gt;। বইমেলা নিয়ে বরাবরই আমার উচ্ছ্বাস অনেক বেশি, এবারেরটা আরো অনেক বেশি আকর্ষণীয় ছিলো, খুব কাছের মানুষদের বই ছাপা হয়েছে বলে। আর এমন কপাল, এবারই প্রথম বইমেলায় থাকতে পারলাম না। তখন থেকেই অপেক্ষায় আছি। কিন্তু "সচলায়তন সংকলন" আজিজে খুঁজে পাওয়া গেলো না, আগেই বইমেলা থেকেই যেটা কেনা হয়েছিলো সেটাই পাঠিয়ে দিয়েছে আমার বোন। এসেছে নজমুল আলবাব ভাইয়ের "বউ, বাটা, বল সাবান", আরিফ জেবতিক ভাইয়ের "তাকে ডেকেছিলো ধূলিমাখা চাঁদ", মুর্তালা রামাতের "কষ্টালজিয়া", সুমন রহমানের "গরিবি অমরতা", "সিরামিকের নিজস্ব ঝগড়া"। মাঝের থেকে কেমন করে যেন অমিত আহমেদের "গন্দম" এলো না, কেনা হয়েছিলো তো ঠিকই-মনটাই খারাপ হয়ে গেলো। আহমেদুর রশীদ ভাইকে এখানে একটা বিশাল ধন্যবাদ দিতেই হবে, আমার বোন খুব উচ্ছ্বাস নিয়ে প্রশংসা করলো তার। আজিজে ঘুরে আপু খানিক হিমশিম খাচ্ছিলো এই স্পেশাল বইগুলো খুঁজে পেতে। "শুদ্ধস্বর"-এ যাবার পর বইয়ের নাম শুনে রশীদ ভাই জানতে চাইলেন কাদের জন্য পাঠানো হচ্ছে। ভাগ্যিস আমি ছদ্মনামে লিখি না, তাই চিনতে পারলেন (কনফুর নাম তারেক বলাতে চিনে নাই :) )। &lt;/span&gt;&lt;span style="font-weight: bold; color: rgb(0, 0, 0);font-family:webdings;" &gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0); font-weight: bold;font-family:webdings;" &gt;হিমালয়ের কাছের কিছু মানুষ&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);font-family:webdings;" &gt;আমার কাজের জায়গায় দক্ষিন এশীয়দের মিলন বসে। আমি একজনই বাংলাদেশি এবং বাঙ্গালী। ভারতীয় আছে বেশ কিছু, একজন পাকিস্তানী, একজন শ্রীলঙ্কান, একজন নেপালী। খুব সম্প্রতি আরো দু'জন নেপালী যোগ দিয়েছে। অস্ট্রেলিয়া আসতে পথে প্রথম যে ভিনদেশীর সাথে আমার পরিচয় হলো, সে ছিলো একজন নেপালী, অবধারিতভাবে ভীষন সুন্দরী (আজ পর্যন্ত যত নেপালী মেয়ে দেখেছি সবাই মারাত্মক সুন্দরী, মনীষা কৈরালাকে দিয়ে শুরু!)।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);font-family:webdings;" &gt;বাংলাদেশ থেকে মেলবোর্ণ আসার পথে ব্যাংকক এয়ারপোর্টে ৭ ঘন্টার দীর্ঘ ট্রানজিটে একলা একলা কিছু করার ছিলো না, ছোট লাগেজটায় তাই বই ছিলো দু'টো সংগী হিসেবে- অবশ্যই ছোট গল্পেরঃ একটা আবু ইসহাকের, গত বইমেলা থেকে কেনা; আরেকটা গী দ্য মোঁপাসার। আবু ইসহাকের বইটা খুলে পড়া চলতে চলতে দেখি একটা মেয়ে হন্তদন্ত হয়ে আমার সামনে এসে থেমে গেলো। আমি বসেছিলাম সি ১ গেটের পাশে, বেঞ্চিতে। ওই গেট দিয়ে নেক্সট ফ্লাইট ধরতে হবে। জীবনের প্রথম বিদেশযাত্রায় একা থেকে,  কোন ভুল করে বিপদে পড়তে চাই নি। তাই  প্লেন থেকে নেমেই প্রথম কাজ ছিলো ইন্টারনেটে বসে  খবর পৌঁছে দেয়া, আর তারপরেই আমার টার্মিনাল খুঁজে বের করে ধারেকাছে বসে থাকা।  মেয়েটা বন্ধ সি১ গেট বেশ কিছুক্ষণ ধাক্কাধাক্কি করার চেষ্টা করে হতাশ হয়ে আমার পাশে বসে পড়লো। গন্তব্য কোথায় জিজ্ঞেস করতে জানায় মেলবোর্ণ। এইবার আমি বেশ একটা প্রশস্ত হাসি দিয়ে বলি, আমিও। সে খানিক ভরসা পেলেও ততোধিক দুশ্চিন্তায় বলে, আমাদের টার্মিনাল গেট বন্ধ হলে যাবো কি করে। আমি ভাবি কি পরিমান সরল একটা মেয়ে। তাকে বুঝাই তখনও আরো ৬ ঘন্টা বাকি ফ্লাইটের, গেট এখনই কেন খোলা থাকবে? এবার সে খানিক শান্ত হয়। একটু একটু করে আলাপ চলতে থাকে। নাম গীতা পন্ত। আমার মত তারও প্রথম বিদেশযাত্রা। কপালে (সিঁথিতে নয়) বেশ বড়সড় লাল সিঁদুরের প্রলেপ। জানা গেলো সে নেপালী, আসবার আগে মা পূজো করে আশীর্বাদ স্বরূপ এই চিহ্ন দিয়ে দিয়েছে। এই ৬ ঘন্টা টুকটুক করে অনেক কথাই হলো, সে খুব চিন্তিত তার দুর্বল ইংরেজী নিয়ে। মেলবোর্ণ পৌঁছেই আগে ইংরেজী শেখার কোন কোর্স করবে ঠিক করেছে। এক ফাঁকে গীতা তার ব্যাগ থেকে বেশ কিছু চুড়ি বের করে আমাকে দিলো স্মৃতি হিসেবে। আমি মোটামুটি ভ্যাবলা হয়ে দেখি তাকে দেবার মত এরকম কিছুই নেই আমার কাছে। বাংলা সাহিত্য তো আর দেয়া যায় না! মেলবোর্ণ আসার পাঁচ মাস পর হঠাৎ একদিন রাস্তায় দেখা হলো আবার গীতার সাথে, ফোন নাম্বার পেয়েছি-তবু যোগাযোগ হয় না।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);font-family:webdings;" &gt;গীতার কারনেই নতুন আসা নেপালী মেয়েটাকে দেখে খুব খুশি হলাম। ইনিও মাশাল্লাহ সুন্দরী, আমার চেয়ে অনেক ছোট বয়সে, নাম রেটিনা। প্রথম ক'দিন খুব মন খারাপ করে থাকতো। কাজের মাঝে বিরতিতে নানাভাবে তার মন ভালো করার চেষ্টা করতে করতে বলি, এখানে আরেকজন নেপালী ছেলে আছে, মানীশ। আবার মানীশকেও বলি, নতুন একটা নেপালী মেয়ে এসেছে। শুনেই ভারতীয় ছেলেগুলো মানীশকে ক্ষেপানো শুরু করলো, মানীশ তো গার্লফ্রেন্ড পেয়ে গেলো। দু'দিন পর দেখা গেলো সত্যিই তাদের খুব ভাব হয়ে গিয়েছে। বেশ একটা আজব অনুভূতি হয়, দু'জনের মিল করিয়ে দিয়েছি ভেবে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0); font-weight: bold;font-family:webdings;" &gt;মায়াবতী দিদি আমাদের&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);font-family:webdings;" &gt;সূচেতা দিদির বাসার এলে কেমন যেন ছেলেমানুষ হয়ে যাই একটু বেশি। এখানে সবাই খুব বেশি বড় হয়ে যেতে চায়, স্কুলপড়ুয়া ছেলেমেয়েগুলোরও ইউনিফর্ম না পড়লে বয়স বুঝার উপায় নেই। আর সেখানে আমি তো জীবনের দুই যুগ পার করে আরো এগুচ্ছিই ক্রমাগত। বড় বড় ভাব নিতে হয়। নিজের দায়িত্ব নিজে নিতে হয়। অন্যদের সাথেও দায়িত্বশীল আচরণ করতে হয়। নয়ত আর কি?এখানে কোথায় পা'ব বাবাটাকে। কোথায় পা'ব পাশের বাড়ির প্রিয় খালাকে...কে করবে ছেলেমানুষ ভেবে অনেক বেশি আদর আর সেইসাথে শাসন? এই একজনই আমাদের, সূচেতা দিদি। এই এখন দিদির বাসায় এসে দিদি খাবার-দাবার রেডি করছে আর আমি দিদির পিসি কিবোর্ডে হাত চালাচ্ছি। অন্য যেকোন বাসায় গেলে নির্ঘাত বেশ দায়িত্বশীল ভাব নিয়ে রান্নাঘরে আর খাবার টেবিলে সাহায্য করতে যেতাম। মাত্রই দিদি খানিক ভর্তসনাও করে গেলেন কম্পিউটারে এডিক্ট হয়ে গিয়েছি বলে। এই একটুখানি বকাও যে কত ভালো লাগে! এখন বকা খাচ্ছি, একটুপরে খাবো খিচূড়ী। আহা নিজে না রেঁধে খেলে খিচূড়ীর মজা যে কতখানি বেড়ে যায়!&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);font-family:webdings;" &gt;দিদির বাসায় টুকটুক করে কত কি সাজানো। দু'টো ঘোড়া আছে, দারুণ। একটার পিঠে আবার জিনও আছে, আছে পা রাখার জায়গা, যেন এক্ষুনি কেউ ওতে পা রেখে ওর পিঠে চড়ে বসবে, তারপর টগবগ টগবগ...। অথবা যদি ওর একটা ডানাও থাকতো পক্ষিরাজের মত! সবার অলক্ষ্যে আমি কি ঘুরে আসতে পারতাম আমার সবুজ দেশটা?&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0); font-weight: bold;font-family:webdings;" &gt;পাগলা ঘোড়া রে, কই থেইকা কই লইয়া যাস...&lt;/span&gt;&lt;span style="font-weight: bold; color: rgb(0, 0, 0);font-family:webdings;" &gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);font-family:webdings;" &gt;আমার ব্যাচের পোলাপানের মাস্টার্স শেষ হলো মাত্র ক'দিন আগে ঢাকা ইউভার্সিটিতে, থিসিস-এর কাজ চলছে। ই-চিঠিতে যোগাযোগ হয় এক বন্ধুর সাথে। ভালো রেজাল্ট হবে তার সন্দেহ নেই, তাই পরামর্শ দিই মাস্টার্স-এর পরে বাইরে কোথাও পড়তে যাবার, স্কলারশীপের জন্য যেন চেষ্টা করে। সে-ও জানায় তাই ভাবছে। তারপরের লাইনটাই চমকে দেয় খুব- "অদ্ভুত তুই বাইরে গিয়ে ভাবছিস দেশে কবে আসবি আর আমি দেশ থেকে বাইরে যাবার কথা ভাবছি। এজন্যই মুজতবা আলী বলেছিলেন, বাঙ্গালীরা বড় বেইমান প্রকৃতির, কখনও দেহমনের সহাবস্থান করতে জানে না..."।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);font-family:webdings;" &gt;কি অদ্ভুর নিয়ম। আমরা যা ইচ্ছে তাই করছি ভেবেও আসলে কি দারুণ পুতুল হয়ে বসে আছি প্রকৃতির। ইচ্ছেগুলোও কি দারুন বদলে দেয় একেকটা পরিবর্তিত পরিস্থিতি। প্রবাসে কনকনে ঠান্ডায় নিজেকে নানান শীতবস্ত্রে ড়্যাপিং করে, দারুন ভালো গতির ইন্টারনেটে এখানে সেখানে ঘুরে অতঃপর নিজের পাতায় টাইপ করতে করতে লক্ষ্য করি আজ ২৯শে জুলাই। ঠিক একটা বছর হয়ে গেলো এই ভিনদেশে! দীর্ঘ ৩৬৫ টা দিন!! তবুও দেহমনের সহাবস্থান করা হলো না।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;font-family:webdings;" &gt;&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/1090308001181777331-4101022681482461661?l=projapoti.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://projapoti.blogspot.com/feeds/4101022681482461661/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=1090308001181777331&amp;postID=4101022681482461661&amp;isPopup=true' title='6 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/4101022681482461661'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/4101022681482461661'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://projapoti.blogspot.com/2008/07/blog-post_26.html' title='কি সন্ধানে যাই সেখান আমি...'/><author><name>নিঘাত সুলতানা তিথি</name><uri>http://www.blogger.com/profile/01171944509548484876</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='21' height='32' src='http://img1.orkut.com/images/medium/1188076426/19981351.jpg'/></author><thr:total>6</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-1090308001181777331.post-3585518022257623505</id><published>2008-07-17T01:11:00.006+10:00</published><updated>2008-09-14T12:05:48.618+10:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='স্বদেশ'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='খেরোখাতা'/><title type='text'>"সচলায়তন" নিয়ে উদ্বেগ</title><content type='html'>&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0); font-family: webdings;"&gt;সমস্যা কিছু একটা হয়েছে- কি সেটা এখনো স্পষ্ট নয়। তবে এই ধোঁয়াশার মাঝে পড়ে মনে হচ্ছে, আমাদের অতি প্রিয় "সচলায়তন" ব্যান করা হয়েছে বাংলাদেশ থেকে!&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0); font-family: webdings;"&gt;নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত সচলায়তন সাইটের নির্মাতারা যথেষ্ট ধৈর্য্যের পরিচয় দিয়ে যাচ্ছেন। আমরা সাধারন ব্লগার-লেখক-পাঠকরা অস্থির হয়ে আছি, কিন্তু তারা নিশ্চিত না হয়ে কিছু বলছেন না। কিন্তু এটা নিশ্চিত হওয়া গিয়েছে যে বাংলাদেশ থেকে &lt;a href="http://www.sachalayatan.com/"&gt;www.sachalayatan.com&lt;/a&gt; সাইটে ঢোকা যাচ্ছে না। মূল সার্ভারের সাথে যোগাযোগ করা হয়েছে, সেখানে তো কোন সমস্যা নেই! এবং বাংলাদেশ ছাড়া আর অন্য সব দেশ থেকেই সচলায়তনে ব্রাউজ করা যাচ্ছে। কাজেই এটা অবশ্যই সাধারণ টেকনিকাল সমস্যা না। তো?&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0); font-family: webdings;"&gt;কেন এরকম হচ্ছে বুঝছি না। কেমন গোমট বেঁধে আছে সব। কোন কিছুতে মন বসানো যাচ্ছে না। মনে প্রানে চাইছি যা ভাবছি তা সত্যি না হোক। কিন্তু সেই সম্ভাবনাই যে প্রবল! বাংলাদেশ কোন পথে এগুচ্ছে তাহলে? ইন্টারনেটে বসে মুক্তমনে নিজের কথাগুলো বলাও কি বন্ধ করার পাঁয়তারা চলছে?&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0); font-family: webdings;"&gt;খুব দ্রুত অবসান ঘটুক এই ধোঁয়াশার। আমাদের ভীষন প্রিয় "সচলায়তন" আগের মত সচল হয়ে উঠুক বাংলাদেশে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;------------------------------------------------------------------------------&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;span style="color: rgb(204, 0, 0); font-family: webdings;font-size:130%;" &gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;অনেক অনিশ্চয়তা এবং প্রশ্নের পরে এই মুহুর্তে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গিয়েছে যে, বাংলাদেশে "সচলায়তন"-এর দু'টি পোর্ট ব্লক করা হয়েছে।&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/1090308001181777331-3585518022257623505?l=projapoti.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://projapoti.blogspot.com/feeds/3585518022257623505/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=1090308001181777331&amp;postID=3585518022257623505&amp;isPopup=true' title='3 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/3585518022257623505'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/3585518022257623505'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://projapoti.blogspot.com/2008/07/blog-post_17.html' title='&quot;সচলায়তন&quot; নিয়ে উদ্বেগ'/><author><name>নিঘাত সুলতানা তিথি</name><uri>http://www.blogger.com/profile/01171944509548484876</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='21' height='32' src='http://img1.orkut.com/images/medium/1188076426/19981351.jpg'/></author><thr:total>3</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-1090308001181777331.post-6152244915210169220</id><published>2008-07-07T22:30:00.006+10:00</published><updated>2008-09-14T12:06:04.384+10:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='খেরোখাতা'/><title type='text'>কোলের ওপর...:-)</title><content type='html'>&lt;span style="font-family: webdings;font-size:100%;" &gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;আজব একটা সময় কাটাচ্ছি।  না আসলে সময়টা আজব বলা ঠিক হচ্ছে না, সময় তো একই আছে, আমি সামহাউ আজব হয়ে আছি। কারন এখানে লিখব না। তবে অন্য কিছু লিখি। লিখলে এক ধরনের আরাম হয়। এই আরামটা এখন আমার খুব দরকার।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;আমি মনে হয় ল্যাপটপে বসে জীবনেও লিখি নাই এর আগে, আজকে খুব মজা লাগছে কোলের ওপর জিনিসটা ফেলে লিখতে। এটা তারেকের পুরনো ল্যাপটপটা। নষ্ট হয়েছে ভেবে আরেকটা কেনার বেশ কিছু দিন পরে টের পাওয়া গেলো যে আসলে পুরানটার সমস্যা খুব গুরুতর না, শুধু হার্ডড্রাইভ বদলে দিলেই ঠিক হয়ে যাবে। কিরম লাগে? তাইলে কেন নতুনটা কেনা হলো? এখন আবার খালি খালি আগেরটার জন্য হার্ডড্রাইভ কিনে কি হবে? কিচ্ছু হবে না, তাও আমরা কিনে ফেললাম। এরকম অদরকারী কাজের একটা আলাদা মজা আছে। দুম করেই কেনা হলো। আগের দিন কি ভেবে তারেককে বললাম, "আমাকে একটা হার্ডড্রাইভ কিনে দিবি নাকি পুরান ল্যাপটপটার জন্য"? আমি কিছু চাইলে এই ছেলে বেশ খুশি হয়। একগাল সরল হাসি দিয়ে বললো, "তাই? আচ্ছা দাঁড়া"। পরের দিন তার কাজ চারটা পর্যন্ত, সে ১টার সময় ফোন করে বলে, "ভিক্টোরিয়া ইউনিভার্সিটিতে একটা সোয়াপ মার্কেট বসেছে চারটা পর্যন্ত। আমি কাজ থেকে আজকে আগে ছুটি নিচ্ছি। ২টায় বাসায় আসছি, রেডি থাকিস"। অতঃপর মাত্র ৭০ অস্ট্রেলিয়ান ডলারে ১৬০ গিগাবাইট মেমোরির একখানা হার্ডড্রাইভ কেনা হলো।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;পুরান জিনিস ইউজ করে ক্যান জানি আমি অন্য রকম একটা মজা পাই। স্কুলে পড়ার সময় ছোট আপুর পুরানো বই পড়েছি অনেক। আপুরগুলো আগে পড়তাম, তারপর কিছুদিন পরে নতুন বই কেনা হতো। আমি নতুন বইগুলোর গন্ধ নিতাম, আর আপুর পুরানগুলো পড়তাম! ইউনিভার্সিটিতে পড়ার সময় তো প্রায় সবাইই পুরানো বইয়ের ভক্ত হয়ে যায়। মূল কারণটা অর্থনৈতিক এবং বইয়ের মান, দুইটা মিশ্রিত। কারন নতুন বইগুলো সাধারণত হত ফটোকপি, মান ভালো ছিলো না। ওদিকে পুরানো বই পাওয়া যেতো কিছু যেগুলো আসল কপি কিন্তু পুরানো। সেগুলো ডেফিনিটলি অনেক বেশি আকর্ষনীয় ছিলো। তো, এখন এই পুরনো ল্যাপটপ ল্যাপে বসিয়ে বেশ সেরকম একটা অনূভুতি হচ্ছে আমার। এটা পুরনো হলেও তারেকের নতুনটার চেয়ে মানে ভালো। :-)&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;ল্যাপটপে লেখা উদ্বোধন করতেই আজকে লিখছি। কিন্তু কাহিনী হচ্ছে, লিখতে চেয়েছিলাম চা-কফি বিষয়ক আমার প্রেম-ভালোবাসার কথা, আর লিখে ফেললাম কি? তাতে সমস্যা অবশ্য কিছু নেই, ওই নিয়ে নাহয় আরেক দিন হবে।&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/1090308001181777331-6152244915210169220?l=projapoti.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://projapoti.blogspot.com/feeds/6152244915210169220/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=1090308001181777331&amp;postID=6152244915210169220&amp;isPopup=true' title='3 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/6152244915210169220'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/6152244915210169220'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://projapoti.blogspot.com/2008/07/blog-post.html' title='কোলের ওপর...:-)'/><author><name>নিঘাত সুলতানা তিথি</name><uri>http://www.blogger.com/profile/01171944509548484876</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='21' height='32' src='http://img1.orkut.com/images/medium/1188076426/19981351.jpg'/></author><thr:total>3</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-1090308001181777331.post-2596464601119623074</id><published>2008-06-13T02:29:00.017+10:00</published><updated>2008-09-14T12:05:04.942+10:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='খেরোখাতা'/><title type='text'>পারি না</title><content type='html'>&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0); font-family: webdings;"&gt;অসংখ্য মানুষ। এই শহরে এত মানুষ একসাথে আমি কখনও দেখি নি। কিছু একটা গড়বড় হয়েছে নিশ্চয়ই। ভাবার সময় নেই, আর পাঁচ মিনিটের মধ্যে অফিসে পৌঁছুতে হবে। ডানে ঘুরতেই পুলিশ থামায়, যাওয়া যাবে না। আমি অবাক, হাত দিয়ে সামান্য দূরেই দেখিয়ে বলি, "আমার অফিস ওই তো, পাঁচ পা হাঁটলেই"। "না না, যাওয়া যাবে না, অন্য রাস্তায় যাও"। আমি বুদ্ধি করে রাস্তায় অন্য পাশে যাই, না সেদিক দিয়েও রাস্তা বন্ধ। এবার একটু ঘাবড়ে যাই। এই দেশে বেশি দিন হলো আসি নি, সিটির চেনা জায়গা বলতে আমার এই অফিসখানাই। বাসে করে একটা নির্দিষ্ট জায়গায় নেমে নির্দিষ্ট দু'টি পথ পেরিয়ে আমার অফিস। এর অন্যথা হলেই আর জানি না।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0); font-family: webdings;"&gt;ক'জন পুলিশকে জিজ্ঞেস করি, কোন দিক দিয়ে ওখানে যাওয়া যাবে। প্রথম দু'জন ডিউটি নিয়ে ভীষন ব্যস্ত, আমাকে সময় দিতে অপারগতা জানালো। তৃতীয় এবং চতুর্থজন খানিকটা নির্দেশনা দিলো, একই রকম। ভাবলাম পেয়ে যাবো। কিন্তু ভাবলেও আমি জানি, কাজ হবে না- আমি আসলে পারবো না। রাস্তা আমি কখনও ভালো করে চিনি না। একই রাস্তা দিনের পর দিন, এমনকি বছরের পর বছর ক্রমাগত গেলেও ভুল করে ফেলি তবু। ছোটবেলায় বাড়ি থেকে স্কুলের পথ ভুল করেছি কত, অথচ এইটুকুনি পথ ছিলো সেটা। কখনও কোথাও একা গেলেই সব হারিয়ে ফেলতাম, একা কখনও ছিলামও না অবশ্য, মা ছিলো না সাথে সব সময়? নয়ত ছোট আপু, নয়ত বড় আপু, নয়ত বাবা। মফস্বল থেকে যখন ঢাকায় যাই, কতবার ভুল করে কার্জন হল পেরিয়ে রিকশা নিয়ে চলে গেছি পুরান ঢাকার দিকে। কিন্তু পরিবার থেকে দূরে গেলেও পরম বিশ্বস্ত বন্ধুর হাত পেয়ে গিয়েছি সেখানেও। চোখ বন্ধ করে পরম নির্ভরতায় পার হয়ে গেছি কত শত মাইল, সেই হাত ধরে। মফস্বলের এই আমার ঢাকা শহরের হালচাল খানিক বুঝতেই কেটে গেলো কতগুলো বছর। হায়, এই বিদেশ বিভুঁইয়ের হালচাল বুঝতে কতদিন লাগবে কে জানে?&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0); font-family: webdings;"&gt;ভীড়ের মধ্যে দাঁড়িয়ে বাবার মুখটা খুব মনে পড়ে। বাবার হাতটা ধরতে ইচ্ছা করে...। ওমনি মোবাইলে অর্ণব গেয়ে ওঠে, "তোমার জন্য নীলচে তারার একটুখানি আলো"...তার বিশেষ রিংটোন, ভীষণ চিন্তায় আছে, আমি হারিয়ে যাই কিনা ভেবে। "তুই মাথা ঠান্ডা কর, আমি বলে দিচ্ছি কোন দিক দিয়ে গেলে পাবি।" ও খুব সুন্দর করে রাস্তা বলে দেয় আমাকে...কিন্তু আমি কিছুই বুঝি না। এবার সত্যি খুব অসহায় লাগে আমার। এত্তগুলো মানুষের মাঝখানে নিজেকে খুব বেশি একলা মনে হয়। সে আবার ভরসা দেয়, "মাথা ঠান্ডা কর, আমি আবার বুঝিয়ে বলছি।" কিন্তু জটিল পরিস্থিতিতে মাথা আমার কখনই ঠান্ডা হয় না। বরং আরো জেদ চেপে যেতে থাকে। কেন আমার সব সময় এমন হয়? কেন আমি সব ভুল করি? আমি খুব রাগী রাগী গলায় তাকে ঝাড়ি দিই, " তোর কথা কিছু বুঝছি না আমি, আমাকে একটু নিজে নিজে খুঁজতে দে। আমি পাঁচ মিনিট পরে ফোন করি তোকে।" বলে ফোন কেটে দিই। ও খুব ভালো করে জানে রাস্তা খুঁজতে গিয়ে আমি উল্টো সব হারিয়ে ফেলব। কিছুক্ষন পরেই আবার ফোন ওর। আমার কেন যেন কথা বলতে ইচ্ছা করে না। ফোন কেটে দিই। আবার ফোন। আবার। আমার মনে হয়, আমি কারো কথায় কিছু বুঝব না, আমার মাথায় যে ওসব কিছুই ঢুকছে না। আমি শুধু জানি, বার্কস স্ট্রিট, কলিন্স স্ট্রিট, ফ্লিন্ডারস লেন। এর বাইরে সব কেমন গুলিয়ে-পেচিয়ে কিলবিল করে আমার মাথায় ঘুরতে থাকে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0); font-family: webdings;"&gt;আবার আমার দেশের কথা মনে হয়, মা'র কথা, "মামণি, সাবধানে রাস্তা পার হয়ো!" ছোটআপুর কথা মনে হয় যে আমার হাতটা বড় আদর নিয়ে ধরে রেখেছে যেন হাঁটতে হাঁটতে। আমার মাথাটা চক্কর দিয়ে ওঠে। এ শহর আমার নয়। এই শহরের মানুষদের আমি চিনি না...সারি সারি গাড়ি, ট্রাম, বাস, বাইসাইকেল--কোনকিছুই আমার আপন নয়। ঠিক কোন পথ ধরলে ফের অফিসটা খুঁজে পাবো জানি না। আমার হঠাৎ করে কেন যেন জানতেও ইচ্ছা করে না। ক্রমশ একলা-অসহায় লাগতে থাকা অনুভূতিকে আমি ইচ্ছে করেই বাড়তে দিই। আমার হারিয়ে যেতে ইচ্ছা করে। চোখ বন্ধ করি। দু'পাতায় চাপ লেগে জমে থাকা পানির একটি ফোঁটা টুপ করে পড়ে আমার গাল বেয়ে অচেনা পরিচ্ছন্ন রাস্তায়। আমি হাঁটতে শুরু করি, কোন দিকে নিয়ে যাবে এই পথ জানা নেই।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0); font-family: webdings;"&gt;------------------------------------------------------------------------------------------&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0); font-family: webdings;"&gt;না, হারিয়ে যাওয়া আমার হয় না। ভালোবাসার পিছুটান আবার ঠিকই হাতটা ধরে ফেলে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0); font-family: webdings;font-family:courier new;font-size:130%;"  &gt;&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/1090308001181777331-2596464601119623074?l=projapoti.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://projapoti.blogspot.com/feeds/2596464601119623074/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=1090308001181777331&amp;postID=2596464601119623074&amp;isPopup=true' title='7 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/2596464601119623074'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/2596464601119623074'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://projapoti.blogspot.com/2008/06/blog-post_13.html' title='পারি না'/><author><name>নিঘাত সুলতানা তিথি</name><uri>http://www.blogger.com/profile/01171944509548484876</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='21' height='32' src='http://img1.orkut.com/images/medium/1188076426/19981351.jpg'/></author><thr:total>7</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-1090308001181777331.post-7889327025123240644</id><published>2008-05-23T12:21:00.007+10:00</published><updated>2008-09-14T12:05:26.304+10:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='গল্প'/><title type='text'>রাহেলা</title><content type='html'>&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0); font-family: webdings;"&gt;--রাহেলা,অজুর পানিটা দিয়ে যাও তো। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0); font-family: webdings;"&gt; হঠাত ডাকে সচকিত হন রাহেলা বেগম। জমে যাওয়া পায়ে ধীর গতিতে হেঁটে যান স্বামীর কাছে। অপলক তাকিয়ে থাকেন। ভুলে যান স্বামীর আদেশ। ফের ডাক পড়ে। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0); font-family: webdings;"&gt; -- কি দেখো তাকিয়ে, কথা কানে যায় না? সারা দিন কোন ধ্যানে যে থাকো? আমার প্রথম বউ তো এরকম বেয়াদবী আমার সাথে কখনও করে নি। তোমরা আজকালকার মেয়েছেলে ... &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0); font-family: webdings;"&gt; রাহেলা নিজের অপরাধের মাত্রা বোঝেন। শান্ত গলায় বলেন,&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0); font-family: webdings;"&gt; -- আজকে শরীলটা ভালো নাই, তাই কাজে ভুল হয়ে যাচ্ছে, কিছু মনে কইরেন না। আমি এক্ষনি পানি আনছি।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0); font-family: webdings;"&gt; রাহেলা ওজুর পানি স্বামীর সামনে রাখতেই টান পড়ে হাতে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0); font-family: webdings;"&gt; -- কি করেন? ছাড়েন। এখন না নামাজ পড়বেন!&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0); font-family: webdings;"&gt; রোমান্টিক হবার চেষ্টা ব্যর্থ হতে দেখে জামাল সাহেব বোঝেন অল্প বয়েসী বউয়ের সাথে কঠিন করে কথা বলাটা ভুল হয়েছে। একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে নামাজে বসেন তিনি।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0); font-family: webdings;"&gt; রাহেলা বেগম রান্নাঘরে ঢুকে আবার নিজের চিন্তার জগতে ডুব দেন। আজ তার কি যে হলো ... কেবল পুরনো কথা গুলো এসে ভীড় করছে মনের মধ্যে। চুলায় ভাত ফুটতে থাকে ... &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0); font-family: webdings;"&gt; রাহেলা বেগম এক নিমিষে "রাহু" হয়ে ভাবতে থাকেন একই সাথে সুখ অথবা দুঃখ স্মৃতি।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0); font-family: webdings;"&gt; সুন্দরী রাহেলা। নিজের প্রতি সবার আকর্ষন খুব ভালো করেই টের পায়। সৌন্দর্যের অহংকারে তাচ্ছিল্যে এড়িয়ে চলে সকলকে। কিন্তু কি করেই যেন ভালো লেগে গেলো বড় ভাইয়ের এক বন্ধু, আরমানকে। কি হ্যান্ডসাম দেখতে! তার মত সুন্দরীর জন্য যোগ্য পাত্র আর কে হতে পারে? চুরি চুরি প্রেমে বেশ কেটে যাচ্ছিলো দিন। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0); font-family: webdings;"&gt; কিন্তু একদিন ধরা পড়তেই হলো আর সাথে সাথেই কড়া হুমকী বড় ভাইয়ের "আর কোন দিন ও পথে পা বাড়িয়েছিস তো ... কেন বুঝিস না ও ভালো ছেলে না মোটেই"! &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0); font-family: webdings;"&gt; সতেরো বছরের মন ছিলো অস্থির-চঞ্চল, বাসার কেউ মানবে না আগে থেকেই জানত সে। এদিকে আরমানও তাগাদা দিচ্ছিলো। রাহেলা মনস্থির করার জন্য আর বেশি সময় তাই নিলো না। বিয়ে করে ফেললো পালিয়ে। বাপের বাড়িতে আর ফেরা হলো না তার, এক রকম অবাঞ্ছিতই করা হলো তাকে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0); font-family: webdings;"&gt;রাহেলা প্রবেশ করলো তার নিজের নতুন সংসারে। তার স্বামী আরমান অনাথ। এক সময় অবস্থাসম্পন্ন পরিবার ছিলো যার চিহ্ন রূপে রয়ে গিয়েছে বিশাল বাড়িটা। একমাত্র বোনটার বিয়ে হয়ে গিয়েছে গত বছর। খালি বাড়িতে রাহেলা একেবারে নিজের মত করে শুরু করলো তার সাধের সংসার। বিয়ের ঠিক পরের কটা দিন কেটে গেলো স্বর্গের মত সুখে। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0); font-family: webdings;"&gt; কটা দিন, মাত্রই হাতে গোনা কটা দিনই। এরপর রাহেলার স্বপ্নের হ্যান্ডসাম নায়কের ভিলেনের মত রূপ বেরিয়ে এলো। পারিবারিক ব্যবসা করছে বলে যে কথা বিয়ের আগে বলেছিলো আরমান তার সবটাই মিথ্যা বলে জানা গেলো। সেই সাথে শুরু হলো কিছুদিন আগে বড় ভাইয়ের মুখে শোনা কথাগুলোর বাস্তবায়ন। অনেক রাতে মদ্যপ হয়ে বাড়ি ফেরা, কখনও বা না ফেরা, খারাপ পাড়ায় যায় বলেও শোনা যায় মানুষের মুখে। সবটা রাহেলা বিশ্বাস করে না। অনেক রাত অবধি একলা ঘরে ভয়ে ভয়ে স্বামীর জন্যে অপেক্ষা করে। এক সময় শ্বশুরের রেখে যাওয়া ব্যাংক ব্যালেন্স ফুরিয়ে যেতে থাকে। একে একে ঘরের জিনিস বিক্রি করেও সামলানো যায়না নিত্য দিনের চাহিদা। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0); font-family: webdings;"&gt; দিনের পর দিন রাহেলা চেষ্টা করে যায় স্বামীকে শোধরাবার। কিন্তু দিনগুলোই কেটে যায় কেবল, বদল হয় না কিছুই। সব দেখে শুনে রাহেলা ঠিক বুঝে উঠতে পারে না, বিশ্বাস হয় না সত্যি এমন ঘটে চলেছে তার জীবনে। আরও কিছু দিন যায়, এরই মাঝে ফুটফুটে এক মেয়ে জন্ম নেয় তাদের ঘরে। রাহেলা তাকে বুকে চেপে রাখে। সব ভুলে তাকে অবলম্বন করে বাঁচতে চায়। কিন্তু সেই অবলম্বনকে কেন্দ্র করে শুরু হয় নতুন অশান্তি। কেন? না, সে যে মেয়ে! হোক শিশু, মেয়েমানুষ তো!&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0); font-family: webdings;"&gt; মেয়ের বয়স বাড়ে - এক বছর, দুই বছর করে তিন বছর, কিন্তু বাড়ে না শরীর। অপুষ্টিতে রুগ্ন হয়ে যাওয়া ছোট্ট শরীর। রাহেলা আর্তনাদ করে স্বামীর কাছে বলে, &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0); font-family: webdings;"&gt; -- একটা কিছু কর, এইভাবে বসে থেকে থেকে না খেয়ে না দেয়ে আমাদের হয়তো আর কিছুদিন জীবন কেটে যাবে, কিন্তু এই শিশুটার কথা ভাবো, সে আমাদের সন্তান’! &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0); font-family: webdings;"&gt; আরমানের মদের গন্ধওয়ালা মুখ থেকে অদ্ভুত কিছু শব্দ বেরোয় জবাবে। অস্ফুটে বলে,&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0); font-family: webdings;"&gt; --হুঁ ... সন্তান ... মেয়ে বাচ্চা দিয়ে আমার তো কোন কাজ নেই...তোমার থাকলে তুমিই কাজ করে খাওয়াও না তোমার মেয়েকে ।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0); font-family: webdings;"&gt; রাহেলার মুখে কথা সরে না। দিন দিন কতখানি অমানুষ হয়ে উঠেছে তার স্বামী স্পষ্ট বুঝতে পারে। নিজের জন্য নয়, কোলের শিশুটার কচি মুখের দিকে তাকিয়ে হাহাকার করে উঠে তার বুকের ভেতরটা। বড় অভিমান হয় নিজের ওপর। কেন বাবা-মা’র কথা না শুনে সে বিয়ে করেছিল এই অমানুষটাকে? কেন তার আর পড়ালেখা করা হলো না? যে মেয়ের জন্য পাগল হয়ে ছিল এত মানুষ, আজ তার জীবনের এই দশা! রাহেলার চোখ থেকে ক্রমাগত অশ্রু ঝরে পড়তে থাকে। শত শত প্রশ্নে নিজেকে ক্ষতবিক্ষত করতে থাকে। নিজের হাতে একটা টাকা নেই। রাহেলা বাস্তবিকই কি করবে খুঁজে পায় না। হঠাত মনে পড়ে বাবার বাড়ি থেকে চলে আসবার সময় নিয়ে আসা মায়ের কিছু গয়নার কথা, নিজের ছোট্ট ট্রাংকটায় তালা মেরে যত্ন করে রেখে দিয়েছে। দৌড়ে ট্রাংক খুলেই থম হয়ে যায়। নেই!&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0); font-family: webdings;"&gt;রাহেলা এক নিমিষে বুঝে ফেলে কি ঘটেছে। মাথায় রক্ত উঠে যায় তার। ভেবে পায় না একটা মানুষ কোন পর্যায়ে গেলে নিজের বউ আর বাচ্চাকে না খাইয়ে নিজের ফুর্তির টাকা যোগায়। আজ একটা কিছু রফা করবেই স্বামীর সঙ্গে। গোঁজ হয়ে বসে থাকে আরমানের ফেরার অপেক্ষায়। রাত বাড়ে। এক সময় আরমানের খটখটি শোনা যায়। দরজা খুলে রাহেলা নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে পারে না, আরমান একা নেই। নিজের সঙ্গে আরেকজন মেয়ে নিয়ে এসেছে! লোকমুখে শুনেছিলো কিন্তু এই কথাটা রাহেলা কখনো বিশ্বাস করে নি। আজ আরমান অনেক শান্ত মেজাজে আছে, ঠান্ডা মাথায় ঠান্ডা গলায় দ্বিধাহীনভাবে রাহেলাকে তাই বলতে বাধেনা,&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0); font-family: webdings;"&gt; -- আমি অনেক ভেবে দেখেছি তোমার আমার সংসার করার আর কোন দরকার নাই ... রোজ রোজ তোমার জ্ঞানী জ্ঞানী উপদেশ শুনতে শুনতে আমি বিরক্ত। আমি নিজের জীবনের তালই রাখতে পারি না আরো বাড়তি দুইটা মানুষ! শোন রাহেলা, তোমার মেয়েকে নিয়ে তুমি কালকে চলে যাবা তোমার বাপের বাড়ি। আমি একলা শান্তিতে, ফুর্তিতে জীবন কাটাবো। বিশেষ দরকার হলে আমার ময়নাপাখীদের এইখানে আমার বাসায় নিয়ে আসবো। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0); font-family: webdings;"&gt; সাথের মেয়েটিকে রাহেলার সামনেই জড়িয়ে ধরে পাশের ঘরে ঢুকে যায় আরমান। রাহেলার মুখে কোন কথা সরে না। হাঁ করে তাকিয়ে থাকে স্বামীর চলে যাবার দিকে। অবিশ্বস্ত, বড় অবিশ্বস্ত মনে হয় পৃথিবীটাকে। কতটা সময় চলে গেছে খেয়াল হয় পাশের ঘরের আওয়াজে। চটকা ভেঙে পাথর রাহেলা ছুটে যায় মেয়ের দিকে। নিজের শরীরের সমস্ত শক্তি দিয়ে জাপটে ধরে তাকে, ভেঙে পড়ে মেঝের ওপর ঝড়ে ওপড়ানো গাছের মতো। চিৎকার করে কাঁদতে থাকে। সমস্ত শক্তি নিশেঃষিত হলে একের পর এক বিভীষিকা চোখের ওপর ভাসতে থাকে। পাশের ঘর থেকে হাসির শব্দ খান খান হয়ে ছড়িয়ে পরে অন্ধকারে। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0); font-family: webdings;"&gt; কেমন করে কেটেছিলো ওই বিভতস রাত, আজ ভেবে তার কোন কূল পায় না রাহেলা। পরদিন সকাল হবার সাথে সাথেই ছুটে গিয়েছিলো বাপের বাড়িতে। সংসার ভাঙ্গার জন্য কোন কষ্ট নয়, বাস্তবিক সে যেন মুক্তি পেয়েছিলো অসুস্থ এক জীবন থেকে। বহুদিন পর নিজের চেনা পরিবেশে বাবা-মা আর ভাইয়ের সাথে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে কথা বলে সে। ছোট্ট মেয়ে নীলা বড় হতে থাকে একটু একটু করে। তারও কিছুদিন পর ভাইয়ের বিয়ে উপলক্ষ্যে সে কি আনন্দ রাহেলার! কদিনের জন্য ভুলেই যায় নিজের অভিশপ্ত জীবনের কথা। বিয়ের অনুষ্ঠান শেষ হয়,নতুন ভাবী আসে ঘরে। বিয়ে উপলক্ষ্যে পাওয়া আনন্দ বেদনায় পরিণত হতে সময় লাগে না খুব বেশি দিন। নতুন ভাবীর নিত্য খোটা ছন্দপতন ঘটাতে থাকে দিনযাপনে। নিজের বাবার বাড়িতে প্রতি পদে পদে অপমানিত হতে হতে রাহেলার জীবন আবার দুর্বিষহ হয়ে উঠে। ইচ্ছা করে আবার পড়াশোনা করে চাকরী করে বাঁচতে। মেয়েটাকে যেন তার মতো অবস্থায় না পড়তে হয়। কিন্তু পড়ার খরচটাই বা দিবে কে?&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0); font-family: webdings;"&gt; অবশেষে সিদ্ধান্ত নেয়, এইখানে এইভাবে আর নয়। কিছু একটা করবে। কিন্তু কি যে করবে তাই ভেবে পায় না। একদিন ভাইয়ের ঘরের পাশ দিয়ে যেতে যেতে ভাবীর কথা কানে আসে। তার জন্য বিয়ের প্রস্তাব এসেছে। অবাক হয় রাহেলা। একটু পরেই বুঝতে পারে আসল ঘটনা। পয়ষট্টি বছরের এক বিপত্নীক বৃদ্ধ-- তার দুই ছেলে, দুই মেয়ে, সবাই বিবাহিত। ভাবী চাইছে এই বিয়েটা দিয়ে আপদ বিদায় করতে। রাহেলা নিজের মনে কিছুক্ষন ভাবতে থাকে। পয়ষট্টি বছর! এ যে বাবার বয়েসী। তবু তো সেখানে তার নিজের সংসার হবে, মেয়ের ভবিষ্যতের একটা ব্যবস্থা হবে। রাহেলা সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলে। একটাই কেবল শর্ত থাকবে এই বিয়েতে রাজী হবার, তার মেয়ের দায়িত্ব নিতে হবে। এই শর্তে নিঃসংগ বৃদ্ধের আপত্তির কোন কারন ছিলো না। বিয়েটা হয়ে গেলো তাদের।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0); font-family: webdings;"&gt;আবার সংসারে প্রবেশ করলো রাহেলা। বহুদিন পর কর্তৃত্ব হাতে পেলো। তার ছয় বছরের ছোট্ট মেয়েটিকে নতুন স্বামী অনাদর করলো না মোটেই। নিজের ওই বয়েসী নাতি আছে, সমস্যা কি! নতুন চার ছেলেমেয়ের সাথে পরিচিত হলো রাহেলা। ছোট মেয়েটা ছাড়া বাকি প্রত্যেকেই তার চেয়ে বয়েসে অন্তত পাঁচ-ছ বছরের বড়। ছোটটা তার সমবয়েসী। বড় ছেলে একমাত্র খুশি হলো বাপের বিয়েতে, বাপের সাথে থাকার দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি পেলো যে সে! কিন্তু বাকি ছেলেমেয়েরা বিরক্তিতে চোখ কুঁচকে তাকায় রাহেলা আর তার মেয়ের দিকে। তাদের মন রক্ষা করার জন্য কি করবে ভেবে পান না রাহেলা বেগম। এটা রাঁধেন, সেটা রাঁধেন। সারা দিন তাদের খেদমতেই পার করে দেন। অবশেষে "খালা" সম্বোধনের সম্মান পান তিনি মেয়েদের কাছ থেকেও। বাপের বিয়ের পরের কটা দিন ভাব গতিক বুঝে একদিন ছেলেমেয়েরা চলে গেলো যার যার নিজের বাড়িতে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0); font-family: webdings;"&gt; রাহেলা নিজের সংসার পেলেন পরিপূর্ণভাবে। না, তার কোন অভিযোগ নেই বৃদ্ধ স্বামীর উপর। আগের স্বামীর সাথে তুলনা করলে রীতিমতন ফেরেশতা বলা যায়। কেবল কিছু বাড়তি শাসন, সেগুলোও গায়ে মাখেন না রাহেলা বেগম। বরং স্বামীর পরামর্শে এখন বোরকা পরেন, পান খান যাতে বয়সটা একটু বেশি মনে হয় লোকের কাছে। আবার তারই পছন্দে চোখে কাজল পরেন ঘরের ভেতর! একসাথে টিভি দেখেন। মজা আর রোমান্সও করার চেষ্টা করেন। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0); font-family: webdings;"&gt; রাহেলা বেগমের ছোট্ট মেয়ে নীলা প্রথম কদিন এই নতুন বাড়িতে তাদের অবস্থান ঠিক বুঝে উঠতে পারে নি। তাকে শেখানো হলো নানার মত দেখতে এই লোকটাই এখন থেকে তার বাবা, ধীরে ধীরে সে বুঝে নিলো এটা এখন তাদেরই বাড়ি। সে তার ইচ্ছামত ঘোরে ফেরে। স্কুলে যায়, কেউ তাকে কিছু বলে না, কেবল তার নতুন বাবার বড় বড় ছেলে মেয়েগুলো এ বাড়িতে এলে তাকে খুব চুপচাপ থাকার নির্দেশ দেয় তার মা। রাহেলার ভয় কোন দিন যদি তাকে বাড়তি মনে করে ঝেড়ে ফেলে দিতে বলে তারা! রাহেলা ভাবে কোনভাবে যদি তার নামে বুড়োর কাছ থেকে কিছু সম্পত্তি লিখিয়ে নেওয়া যেতো। কবে দুম করে মরে যাবে তখন কি আর এই ছেলেমেয়েরা তাকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি রাখবে? ভেবে ভেবে মেয়েদের আর বুড়ো স্বামীকে পটানোর নতুন বুদ্ধি করতে থাকেন তিনি মনে মনে...।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0); font-family: webdings;"&gt; সহসা পোড়া গন্ধে চমকে ওঠেন রাহেলা বেগম। ইশ, ভাতটা লেগে গেলো হাঁড়ির তলায়। রান্না শেষ। নতুন করে আর রান্না না করে এই ভাতটাই খাবেন ঠিক করলেন তিনি, নইলে যে দেরী হয়ে যাবে। সদ্য রাঁধা ভাতের দিকে তাকিয়ে রাহেলার হঠাত মনে হয়,এই তো বেশ দেখতে - সাদা, কেবল একটু পোড়া গন্ধওয়ালা!&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0); font-family: webdings;"&gt;--------------------------------------------------------------------------&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0); font-family: webdings;"&gt;অনেক পুরনো লেখা, এখানে তুলে রাখলাম আজ। অনলাইন ম্যাগাজিন &lt;/span&gt;&lt;a style="color: rgb(0, 102, 0); font-family: webdings;" href="http://www.beekkhan.com/"&gt;বীক্ষণ&lt;/a&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0); font-family: webdings;"&gt;-এ প্রথম প্রকাশিত, সামান্য পরিবর্তিত।&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/1090308001181777331-7889327025123240644?l=projapoti.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://projapoti.blogspot.com/feeds/7889327025123240644/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=1090308001181777331&amp;postID=7889327025123240644&amp;isPopup=true' title='10 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/7889327025123240644'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/7889327025123240644'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://projapoti.blogspot.com/2008/05/blog-post_23.html' title='রাহেলা'/><author><name>নিঘাত সুলতানা তিথি</name><uri>http://www.blogger.com/profile/01171944509548484876</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='21' height='32' src='http://img1.orkut.com/images/medium/1188076426/19981351.jpg'/></author><thr:total>10</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-1090308001181777331.post-6331848659697273614</id><published>2008-05-08T12:23:00.000+10:00</published><updated>2008-05-09T03:27:28.310+10:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='সংস্কৃতি'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='খেরোখাতা'/><title type='text'>২৫শে বৈশাখ</title><content type='html'>&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://www.geocities.com/ganesha_gate/tagor.jpg"&gt;&lt;img style="margin: 0pt 10px 10px 0pt; float: left; cursor: pointer; width: 320px;" src="http://www.geocities.com/ganesha_gate/tagor.jpg" alt="" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;পার্থিব সমস্ত অনুভূতির শেষ ভরসা তিনি একজনই- সকল আশার, সকল নিরাশার, যত ভালোবাসা, যত ঘৃণা, যত ভক্তি, যত শোক, যত উচ্ছ্বাস, যত শান্তি এবং পরিপূর্ণতা। হৃদয়ের সমস্ত বিতর্ক অবশেষে এইখানে এই শান্তিময় মহাপুরুষের কাছে এসে থেমে যেতে বাধ্য। "গীতবিতান"-এর পাতায় পাতায় একে একে সব সমাধান লিখে গেলেন তিনি অবলীলায়। মানুষের গভীরতম আবেগকে পরম যত্নে গেঁথে দিলেন সুরের মালায়। সৃষ্টি হলো অমর এবং চির আধুনিক গান। কত্তো বড় জাদুকর তুমি কবিগুরু, সব জেনে বসে আছো! &lt;/span&gt;&lt;p style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;বাংগালীর আজ বড় সৌভাগ্যময় দিন, ২৫শে বৈশাখ। আমার সামর্থ মাত্র এই ক'টা লাইন। তাই সম্বল করেই তোমায় প্রণতি জানাই গুরু।&lt;/p&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/1090308001181777331-6331848659697273614?l=projapoti.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://projapoti.blogspot.com/feeds/6331848659697273614/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=1090308001181777331&amp;postID=6331848659697273614&amp;isPopup=true' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/6331848659697273614'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/6331848659697273614'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://projapoti.blogspot.com/2008/05/blog-post.html' title='২৫শে বৈশাখ'/><author><name>নিঘাত সুলতানা তিথি</name><uri>http://www.blogger.com/profile/01171944509548484876</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='21' height='32' src='http://img1.orkut.com/images/medium/1188076426/19981351.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-1090308001181777331.post-6097880580611605780</id><published>2008-04-30T01:50:00.004+10:00</published><updated>2008-05-01T02:05:03.709+10:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='গল্প'/><title type='text'>বন্ধু</title><content type='html'>&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);font-size:100%;" &gt;&lt;span style="font-family:trebuchet ms,sans-serif;"&gt;সূর্য ডুবে যাবার অল্প কিছু সময় পর থেকে বারান্দায় এসে বসে আছেন জামাল সাহেব।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বয়স বাড়ছে আর প্রতিটা দিনের দৈর্ঘ্য বুঝি বেড়ে যাচ্ছে সমানুপাতিক হারে। অবসর নেবার পর এই সাড়ে তিন বছরে ধীরে ধীরে শরীরটায় কেমন বুড়ো বুড়ো একটা গন্ধ টের পান তিনি। স্ত্রী মনোয়ারা বেগম গত হয়েছেন প্রায় পাঁচ বছর। এখন হাতে থাকা অফুরন্ত সময়ের অধিকাংশই কাটে অলসভাবনা আর বিগত দিনের দেনা-পাওনার হিসেব কষে। আর সময়ের সাথে সাথে সবার থেকে একটু একটু করে আলাদা হয়ে যেতে থাকেন তিনি। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-family:trebuchet ms,sans-serif;"&gt;জামাল সাহেবের তিন ছেলেমেয়ে। বড় ছেলে আর মেয়ে ইউনিভার্সিটিতে পড়ছে, ছোটটি কলেজে। তিন ছেলেমেয়ে আর জামাল সাহেব ছাড়া এই বাড়িতে শেষ সদস্যটির নাম বাদশা- তাদের বাসার কাজের ছেলে। এক বছর আগে তিনি বাদশাকে পেয়েছিলেন কাঁচা বাজার করার সময়। সাত/ আট বছরের ছেলেটা রোজ তার বাজারের ব্যাগ টেনে দিতো। কাজ শেষে বখশিশ পেয়ে তার মুখ ভরে উঠতো নির্মল হাসিতে। টুকটাক কথায় জানা গিয়েছিলো তিনকূলে তার কেউ নেই, বাজারে ব্যাগ টানার এই কাজ করেই কোনমতে চলে। জামাল সাহেবের বড় মায়া হয়। একদিন কি ভেবে একেবারে বাসায়ই নিয়ে এলেন তাকে। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-family:trebuchet ms,sans-serif;"&gt;লাল আভা কেটে গিয়ে অন্ধকার গাঢ় হতে শুরু করেছে। একদৃষ্টিতে সেদিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতে মনোয়ারার কথা মনে পড়ে জামাল সাহেবের। সারাদিন অফিস শেষে এই বারান্দার মুখোমুখি দু'টি চেয়ারে বসে চা খেতে খেতে গল্প করার সুখময় সময়গুলো কি সত্যি কখনও ছিলো তার জীবনে? চোখ ভরে আসে জলে। খুব বেমানান আবহ সংগীতের মত বড় ছেলের ঘর থেকে ভেসে আসছে তুমুল হুল্লোড়, বন্ধুদের নিয়ে পার্টি হচ্ছে। মেয়েটা নিশ্চয়ই রোজকার মত এই সময়টায় মোবাইল ফোনে ব্যস্ত। ছোট ছেলের সামনে পরীক্ষা, নিজের বাসায় তার পড়া হয় না বলে নাকি বন্ধুর বাড়িতে থেকে আজ সারারাত পড়বে। বারান্দার চেয়ারটায় একলা বসে থেকে জামাল সাহেবের বড় শূণ্য লাগে চারপাশটা। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-family:trebuchet ms,sans-serif;"&gt; ঠিক এই সময় সামনের গোল টেবিলটায় চা-ভর্তি একটা কাপ আর দু'টো টোস্ট নামিয়ে রেখে তার সামনে মেঝেতে বসে পড়ে বাদশা। এক মুহুর্ত যায়। আরো কিছু মুহুর্ত কাটে নীরব চাহনিতে। কোন কথা হয় না, তবু কি যেন বলা হয়ে যায় তাদের।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;----------------------------------------------------------------------------------------------------&lt;br /&gt;এই লেখাটা প্রিয় সচলায়তনের ই-বুক; সচলায়তন অণুগল্প সংকলন &lt;a href="http://www.sachalayatan.com/files/diyashlai_prakashyatan.pdf"&gt;"দিয়াশলাই"&lt;/a&gt;-এর জন্য লেখা। ব্যক্তিগত সংগ্রহের জন্য এখানে তুলে রাখলাম।&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;span style="color: rgb(136, 136, 136);"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/1090308001181777331-6097880580611605780?l=projapoti.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://projapoti.blogspot.com/feeds/6097880580611605780/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=1090308001181777331&amp;postID=6097880580611605780&amp;isPopup=true' title='3 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/6097880580611605780'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/6097880580611605780'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://projapoti.blogspot.com/2008/04/blog-post.html' title='বন্ধু'/><author><name>নিঘাত সুলতানা তিথি</name><uri>http://www.blogger.com/profile/01171944509548484876</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='21' height='32' src='http://img1.orkut.com/images/medium/1188076426/19981351.jpg'/></author><thr:total>3</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-1090308001181777331.post-5725537919529004013</id><published>2008-03-25T12:25:00.001+11:00</published><updated>2008-05-01T03:52:52.077+10:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='গল্প'/><title type='text'>(রূপ)টুপ(কথা)টথা</title><content type='html'>&lt;p style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;হেমিংওয়ের বুড়ো সান্টিয়াগো আর সুকুমার রায় বেশ গলাগলি-দোস্তি মুডে আছে আজকে। একটু বসে আড্ডা দেবে ভাবছে কিন্তু তেমন আরামদায়ক, নিরিবিলি জায়গা পাবে কই? একটু খুঁজে টুজে কি ভেবে তারা বসবার জন্য বেছে নিলো আমার মাথাকেই। চুল নামক বিচ্ছিরি কালো কালো আঁশগুলো সরিয়ে একটু বসতে যাবে ওমনি তাদের গাঁয়ে জেকে বসলো একগাদা খুশকি। এহ! দিলো তো গাঁয়ে এলার্জি বাঁধিয়ে...আ ছি ছি ছি বলে তাদের সেকি লাফালাফি। আমার কি আর এসব সহ্য হয়? দু'হাত দিয়ে নিজের মাথায় নিজেই দিলাম বাড়ি। আর ওমনি এই দুই ভদ্রলোক অভদ্রের মত ঢুকে পড়লো একেবারে খুলির ভেতর মগজে!&lt;/p&gt; &lt;p style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;এই সেরেছে! একেবারে মগজে ঢুকে গেলো! তা এসেছেন যখন, নমস্কার নমস্কার, সালাম। আপনারা আমার অতি প্রিয় লোক, ছোটবেলায় কত না হযবরল ভাবনায় আপনারা সংগী হয়েছেন। কত না-মেটানো ইচ্ছা সান্টিয়াগোর মত কল্পনায় ভেবে সাধ মিটিয়েছি। একবার ভেবেছিলাম বড় হলে সান্টিয়াগোর সাগরেদ হয়ে এত্তবড় মাছ ধরব সাগরে। তা এতদিন পরে যখন...&lt;/p&gt; &lt;p style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;"ওরে থাম থাম, অনেক বকেছিস। এবার আমাদের একটু নিজেদের মাঝে গল্প করতে দে। তার আগে বল দিকিনি, ওই যে দেখছিস হাঁস...একটু পরেই ওটা কি হবে?" সুকুমার রায়ের কথায় আমি গর্বিত হেসে বলি, "এ আর এমন কি কঠিন? ও তো হয়ে যাবে সজারু...এই না না, হবে হাঁসজারু। ঠিক হলো?" "বাহ বাহ, বেশ বেশ" সুকুমার বাবু সন্তুষ্ট হলেন। সান্টিয়াগো বললেন, "আচ্ছা, এবার আমাদের একটু গপ্পো করতে দাও মেয়ে। তুমি তোমার কাজ করো"।&lt;/p&gt; &lt;p style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;হুমম। ঠিক আছে। আমি তবে আমার কাজ করি। কিন্তু এ কি? সব যে কেমন উল্টোপাল্টা লাগছে। আমার মগজ নিয়ে কি তেনারা তবে হাতিপাতি করছেন? ঠিক নয়, ঠিক নয়। মাথাটা ঝিমঝিম ঝিমঝিম রিমঝিম। আহা কি সুন্দর রিমঝিম বৃষ্টি বাইরে...টিপটিপ টিপটিপ পানির ফোঁটা, সাদা সাদা। এই তো রঙ বদলাতে শুরু করেছে, সাদা থেকে হলদে...ওমা বৃষ্টির সাথে আকাশ থেকে কি পড়ছে? এ তো খিচুড়ী! ইশ, খিদে পেয়ে গেলো... ওমনি মা-ও ডেকে উঠলো, সোনামণিমা, আগে ইলিশ ভাজাটা খাবি নাকি গরু ভুনা? আমি চেঁচাই, আম্মু, ইলিশ ইলিশ ইলিশ। মা হাসেন, খুব মিষ্টি করে, খুব খুব খু-উ-ব মিষ্টি। কিন্তু মিষ্টি আমি খাবো না, আমার ভালো লাগে না। আচ্ছা, খুব বললে একটা কেবল চমচম খেতে পারি। মিষ্টি খেতে খেতে আমি সুর করে বলতে থাকি, &lt;/p&gt; &lt;p style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;"টমটম চমচম গজারির বন/&lt;br /&gt;টাংগাইল শাড়ি তার গরবের ধন।&lt;br /&gt;আহা গরবের ধ-অ-অ-ন।"&lt;br /&gt;ধুর, কি বিচ্ছিরি এক শাড়ি পরেছি আজ, ফিনফিনে। আমার তাঁতের শাড়িটা গেলো কই? কই মাছ? আরেন্নাহ, আর খাবো না মাছ... গাছের ডালে ঝুলতে পারি বরং দোলনাতে...।"দোল দোল দোলুনি/ রাঙা মাথায় চিরুনী/ এনে দেবো হাঁট থেকে..."। ধূর এইসব হাঁট-বাজার আমাকে দিয়ে হবে না। সেখানে কত লোক গিজগিজি, হিজিবিজি হিজিবিজি তিতলী ভাইয়া, কংকা ভাইয়া জানো আজ রবিবার...আজ রবিবার, আজ রবিবার হুমায়ূন আহমেদ। এই হুমায়ূন লোকটা কি যেন একটা গান লিখেছে, "আজি ঝরঝর মুখর বাদল দিনে..."&lt;/p&gt; &lt;p style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;"খামোশ!!!!! এ গান রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা।" সুকুমার বাবু বাজখাঁই গলায় ধমকে ওঠেন।&lt;br /&gt;আমি আঁতকে উঠে বলি, "কোন গান?"&lt;br /&gt;-এই যে তুই এইমাত্র যেটা গাইলি।&lt;br /&gt;-আমি গাইলাম? গান? আমি তো গাইতেই জানি না।&lt;br /&gt;এবার সান্টিয়াগো বড় বিরক্ত হলো, "আমারও মনে হয় এটা ট্যাগোর সং"।&lt;br /&gt;সুকুমার ঝাড়ি দেন, "ট্যাগোর নয়, বলো ঠাকুর। তোমাদের সাদা চামড়াদের যতসব মস্করা"।&lt;br /&gt;সুকুমার বাবু এবং মিস্টার সান্টিয়াগো দু'জন দু'দিকে মুখ ঘুরিয়ে বসে রইলেন ৮৭ সেকেন্ড। ৮৭ সান্টিয়াগোর লাকি নাম্বার। তাই সে তক্ষুনি বললো, "এই মেয়ের মাথায় আর নয়, অন্য কোথাও চলো"।&lt;br /&gt;বলেই তাদের গাঁয়ে লেগে থাকা আমার মগজগুলোকে নির্মমভাবে ঝেড়েঝুড়ে দুড়ুম করে বেরিয়ে গেলেন আমার খুলি ফুড়ে।&lt;/p&gt; &lt;p style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;অনেকক্ষনের মাথাব্যাথাটা হঠাৎ হালকা হলো মনে হচ্ছে। গানটা ভালো লাগছে শুনতে, "আজি ঝরঝর মুখর বাদল দিনে...।" আচ্ছা, এই একটা গানই বুঝি আমি সিলেক্ট করে রেখেছি সেই তখন থেকে? &lt;/p&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/1090308001181777331-5725537919529004013?l=projapoti.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://projapoti.blogspot.com/feeds/5725537919529004013/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=1090308001181777331&amp;postID=5725537919529004013&amp;isPopup=true' title='4 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/5725537919529004013'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/5725537919529004013'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://projapoti.blogspot.com/2008/03/blog-post.html' title='(রূপ)টুপ(কথা)টথা'/><author><name>নিঘাত সুলতানা তিথি</name><uri>http://www.blogger.com/profile/01171944509548484876</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='21' height='32' src='http://img1.orkut.com/images/medium/1188076426/19981351.jpg'/></author><thr:total>4</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-1090308001181777331.post-7374432813729716534</id><published>2008-02-26T00:36:00.006+11:00</published><updated>2008-05-01T03:54:34.386+10:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='খেরোখাতা'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='চলচ্চিত্র'/><title type='text'>আমার দেখা বাংলা সিনেমা (মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক)</title><content type='html'>&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;হলে গিয়ে সিনেমা দেখা বন্ধ হবার পরে টিভিই রইলো একমাত্র সম্বল। একটু বুদ্ধি হবার পর থেকেই যে সিনেমাটি টিভিতে সবচেয়ে বেশি দেখেছি তা"জীবন থেকে নেয়া"। &lt;/span&gt;&lt;a style="color: rgb(0, 0, 0);" onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://upload.wikimedia.org/wikipedia/en/thumb/8/88/Jebon_Theke_Neya.jpg/200px-Jebon_Theke_Neya.jpg"&gt;&lt;img style="margin: 0pt 10px 10px 0pt; float: left; cursor: pointer; width: 200px;" src="http://upload.wikimedia.org/wikipedia/en/thumb/8/88/Jebon_Theke_Neya.jpg/200px-Jebon_Theke_Neya.jpg" alt="" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;স্বাধীনতা দিবস, বিজয় দিবস, একুশে ফেব্রুয়ারী-- যেকোন দেশাত্ববোধক উপলক্ষে এই একটি সিনেমাই দেখানো হতো। সম্ভবত রাজনৈতিক জটিলতায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক অন্যান্য যেকোন সিনেমা দেখানোটা ওই সময়ের সরকারের পক্ষে সম্ভব ছিলো না (হায়!)। তবে মজার ব্যাপার হচ্ছে এই সিনেমাটি যতবারই দেখেছি, নতুন করে ভালো লেগেছে। ছোটবেলায় এই সিনেমার রূপক অর্থটি বুঝিনি, তবুও ভীষন উপভোগ্য মনে হতো। খান আতার সেই চিরদিনের অসম্পূর্ণ গান, " এ খাঁচা ভাঙব আমি কেমন করে?" কখনোই ভোলার নয়। এবং সেই বিখ্যাত ডায়ালগ, "ঘরে ঘরে দূর্গ গড়তে হবে"...অসাধারণ। একটু বড় হয়ে, একটু বুঝার পর থেকেই কেবল ভাবি, কি পরিমাণ মেধা থাকলে একজন পরিচালক এরকম একটি সিনেমা তৈরি করতে পারেন। কি অসাধারণ প্লট, কি পারফেক্ট রূপক- একটি পরিবারের মধ্য দিয়ে পুরো একটি দেশের সম্পূর্ণ পরিস্থিতিটি তুলে ধরা, সর্বোপরি প্রতিটি পাত্র-পাত্রীর চমৎকার অভিনয়। দেখতে দেখতে মুখস্ত হয়ে যাওয়া এই সিনেমাটি তাই তুমুল উৎসাহ নিয়ে এখনও আবার দেখতে বসি। এই রকম পারফেক্ট সিনেমা বাংলাদেশের চ্চলচিত্র জগতে বোধহয় বিরল। তাই প্রিয় সিনেমা কোনটা কখনো ভাবতে চোখ বন্ধ করে আগে বলে নেই, &lt;/span&gt;&lt;a style="color: rgb(0, 0, 0);" href="http://www.youtube.com/watch?v=E7APb_IdSw0" target="_blank" class="bb-url"&gt;"জীবন থেকে নেয়া"&lt;/a&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;। হারিয়ে যাওয়া প্রিয় জহির রায়হানের উদ্দেশ্যে আরেকবার হ্যাটস অফ।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;ছোটবেলায় মুক্তিযুদ্ধের আর যে সিনেমাটি অনেকবার দেখেছি তা হলো, "আলোর মিছিল", পরিচালনায় মিতা। অভিনেতা অভিনেত্রী মূলত ছিলেন ববিতা-রাজ্জাক, মামা-ভাগ্নি চরিত্রে। আর ছিলেন ফারুক, আনোয়ার হোসেন, রোজী আফসারী। মূলত মুক্তিযুদ্ধের পরের পটভূমি নিয়ে তৈরি এই ছবিতে অসাধারণ একটি গান ছিলো সাবিনা ইয়াসমিনের গাওয়া, "এই পৃথিবীর পরে, কত ফুল ফোটে আর ঝরে/ সে কথা কি কোন দিন, কখনও কারো মনে পড়ে"। এই গানে ফুটফুটে ববিতার চমৎকার হাসির কথা মনে পড়ে। আরেকটি গান, "দুঃখ করো না বন্ধু তোমরা যদি না পারি/ আগেকার সেই সুরে সুরে গাইতে আমার গান/ প্রশ্ন করো না হৃদয়জুড়ে এ কোন অভিমান?"&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;মুক্তিযুদ্ধের আর কোন সিনেমা বিটিভিতে সেই সময় দেখেছিলাম বলে মনে পড়ে না। এরপর টানা অনেকগুলো বছর পরে বিটিভিতে মুক্তিযুদ্ধের সিনেমা দেখার সৌভাগ্য হয়েছিলো '৯৬তে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ শোনার পরে। তখনই দেখেছিলাম সুভাষ দত্তর "অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী (ববিতা)", খান আতার "আবার তোরা মানুষ হ", আলমগীর কবীরের "ধীরে বহে মেঘনা", চাষী নজরুল ইসলামের "ওরা এগারো জন" এই সিনেমাগুলো। '৯৬ আমি ক্লাস নাইনে পড়ি, একটা একটা মুক্তিযুদ্ধের সিনেমা দেখতাম, আর শিউড়ে উঠতাম- কখনও কষ্ট, কখনও আনন্দে। অসাধারণ সব দেশাত্ববোধ সব গান ছিলো এই সবগুলো ছবিতে, " এক সাগর রক্তের বিনিময়ে বাংলার স্বাধীনতা আনলে যারা", "এক নদী রক্ত পেরিয়ে", "মোরা একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে যুদ্ধ করি", "কত যে ধীরে বহে মেঘনা"। মুক্তিযুদ্ধের পরপরই বাংলাদেশের প্রথম সিনেমাটি যতদূর জানি ওপার বাংলার সহায়তায় মির্মিত একটি ছবি, কেন যে নাম মনে করতে পারছি না! ওপারের বিশ্বজিৎ ছিলেন অভিনয়ে। লতা মুঙ্গেরশকরের কণ্ঠে চমৎকার একটি গান ছিলো সেই ছবিতে, " ও দাদাভাই, দাদাভাই মূর্তি বানাও/ নাক-মুখ-চোখ সবই বানাও/ হাত বানাও, পা-ও বানাও/ বুদ্ধ-যীশু সবই বানাও/ মন বানাতে পারো কি? একটা ছোট?/ বোন বানাতে পারো কি?/ দাদাভাই বোন বানাতে পারো কি?"&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;এরপর অনেক বছর পরে সম্ভবত ১৯৯৫তে হুমায়ূন আহমেদ আবার বানালেন মুক্তিযুদ্ধের ছবি, "আগুনের পরশমণি"। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে ঢাকা শহর, ঢাকায় থাকা একটি পরিবারের বন্দি-জীবন, সেই পরিবারে হঠাৎ একজন মুক্তিযোদ্ধার আবির্ভাব- এই নিয়ে মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধের কাহিনী। আমার কাছে ভীষন হৃদয়ছোঁয়া মনে হয়েছিলো। বিপাশা হায়াত, আসাদুজ্জামান নূর, ডলি জহুর, আবুল হায়াত, শিলা আহমেদ- নাটকের এই মানুষগুলো তাদের অভিনয়ক্ষমতায় আরো মহিমান্বিত করেছিলেন এই সিনেমাটিকে। এই সিনেমাটিও আমি টিভিতেই দেখেছিলাম, হলে নয়। আবার দীর্ঘবিরতির পরে ২০০৭ সালে দেখলাম তৌকির আহমদের "জয়যাত্রা", আন্তর্জাতিক চ্চলচিত্র উৎসবে, জাতীয় জাদুঘরে। এবং একই সময়ে দেখলাম টিভিতে মুক্তি পাওয়া হুমায়ূন আহমেদের "শ্যামল ছায়া"। এই দু'টো সিনেমার পটভূমি আশ্চর্যজনকভাবে প্রায় একই। তবু ভালো লাগলো দু'টোই।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;মূলধারার সিনেমার বাইরে একটি সিনেমার কথা বলতে হবে, তারেক মাসুদের পরিচালনা, ক্যাথরিন মাসুদের প্রযোজনায় &lt;/span&gt;&lt;a style="color: rgb(0, 0, 0);" href="http://www.youtube.com/watch?v=vpSR4NSgvrw" target="_blank" class="bb-url"&gt;"মুক্তির গান"&lt;/a&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;। টিভিতেই দেখেছিলাম। এবং মুক্তিযুদ্ধের সমরকার এরকম একটি প্রামাণ্যদলিল দেখে গাঁয়ে কাঁটা দিয়ে উঠেছিলো। একটি দৃশ্যের কথা মনে আছে, এখনও লিখতে গিয়ে চোখে পানি আসছে-- ভারতে যাবার আগে তারেক মাসুদ বাংলাদেশ সীমান্তের এক মুঠো নরম কাদা হাতে তুলে নেন। ওই মুহুর্তে হৃদয়ের গভীর থেকে উপলদ্ধি করি "আমার দেশের মাটি/ খাঁটি সোনার চাইতে খাঁটি"। এই সিনেমাতেই প্রথম শুনি মৌসুমি ভৌমিকের কণ্ঠে মর্মস্পর্শী "যশোর রোড" গানটি। তারেক মাসুদের আরেকটি সিনেমা "মাটির ময়না"। এটিও মুক্তিযুদ্ধের সময়কার গল্প নিয়েই, যদিও এতে প্রাধাণ্য পেয়েছিলো মাদ্রাসা পড়ুয়া ছাত্রের ভুবন। এই চমৎকার সিনেমাটি দেখেছিলাম বলাকা সিনেমা হলে গিয়ে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;এখন অপেক্ষা করে আছি, মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে আরো অনেক ভালো ছবি দেখব বলে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;(চলবে)&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/1090308001181777331-7374432813729716534?l=projapoti.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://projapoti.blogspot.com/feeds/7374432813729716534/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=1090308001181777331&amp;postID=7374432813729716534&amp;isPopup=true' title='2 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/7374432813729716534'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/7374432813729716534'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://projapoti.blogspot.com/2008/02/blog-post_25.html' title='আমার দেখা বাংলা সিনেমা (মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক)'/><author><name>নিঘাত সুলতানা তিথি</name><uri>http://www.blogger.com/profile/01171944509548484876</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='21' height='32' src='http://img1.orkut.com/images/medium/1188076426/19981351.jpg'/></author><thr:total>2</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-1090308001181777331.post-2507357473196744464</id><published>2008-02-24T15:22:00.002+11:00</published><updated>2008-05-01T03:55:09.062+10:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='খেরোখাতা'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='চলচ্চিত্র'/><title type='text'>আমার দেখা বাংলা সিনেমা</title><content type='html'>&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;ছোটবেলায় ব্যাপারটা ছিলো ঠিক উল্টো। মানে এখন যেমন নাক প্রায় সিঁটকিয়েই বাংলা সিনেমার বড়জোর খবর নেই, ছোটবেলায় বরং প্রবল আকর্ষন ছিলো সিনেমা ব্যাপারটার প্রতি। আর সিনেমা মানেই বাংলা সিনেমা। বিটিভিতে ইংরেজী সিনেমা দেখাতো বটে কিন্তু সেটাকে সিনেমা না ভেবে "মুভি অব দ্য উইক" ভাবাটাই বেশি যৌক্তিক মনে হত সেই সময়!&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;অনেক দিন পর্যন্ত আমাদের বাসায় সাদাকালো টিভি ছিলো। তখন টিভিতে দেখানোও হতো বেশিরভাগ সাদাকালো ছবিই। নায়ক-নায়িকা হয় রাজ্জাক-কবরী-ববিতা নয়ত শাবানা-আলমগীর, কখনও শবনম-রহমান। এর বেশি নিজের মনে নেই, তবে আমার মায়ের খুব পছন্দের ছিলো নায়িকা ছিলো সুজাতা। এক্কেবারে পিচ্চীবেলার সিনেমাগুলো বিটিভিতে দেখাতো বৃহস্পতিবার রাত আটটার সংবাদের পরে। আমরা সবাই সার বেঁধে ড্রইং রুমে বসে যেতাম। দেড় ঘন্টা দেখার পরেই ইংরেজী সংবাদ, মানে আধ ঘন্টার বিরতি। সেই সময়েই ঘটতো করুণ ঘটনা। আমার বাবা আমাকে নানান ভাবে ঘুম পাড়িয়ে দেবার চেষ্টা করত। একেক দিন একেক অজুহাত, "মা, আজকে তো আর দেখাবে না, পরের অংশের ফিতা নষ্ট হয়ে গেছে", অথবা "আরে এইটা শুক্রবারে সকালে আবার দেখাবে তখন দেখো" ইত্যাদি নানা অজুহাত। সেই সব স্বপ্নময় সাদাকালো সিনেমাগুলো আমার কখনই তাই দেড় ঘন্টার বেশি দেখা হয় নি।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;তার বেশ কিছুদিন পরে বোধহয় শুক্রবারে সিনেমা দেখানো শুরু হলো। মাসে এক শুক্রবারে বাংলা সিনেমা, বাকি শুক্রবারগুলোতে "মুভি অব দ্য উইক"। ওই এক শুক্রবারের জন্য হা করে বসে থাকতাম। তখন কিছু কিছু রঙীন সিনেমা দেখানো শুরু হলো, কিন্তু আমাদের তো সেই সাদাকালো টিভিই। একটু মন খারাপ হতো, কিন্তু কিছু বলতাম না। কিন্তু যেদিনই আবার সাদাকালো সিনেমা হতো, সেদিনই খুশিমনে বলে উঠতাম, " খুব ভালো হইসে, যাদের বাসায় রঙীন টিভি, আজকে তারাও সাদাকালো দেখবে"!&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;হলে গিয়েও সিনেমা দেখেছি, প্রথম কোনটা মনে পড়ছে না। তবে অনেক ছোটবেলায় একটা সিনেমা দেখেছিলাম, নাম "ভেজা চোখ"। ইলিয়াস কাঞ্চন-চম্পা , মিঠুন, শিশুশিল্পী জয়া আর মনে হয় দিতি নাকি নিপা মোনালিসা  নিশ্চিত নই। চমৎকার সব গান ছিলো। "জীবনের গল্প আছে বাকি অল্প", "তুই তো কাল চলে যাবি আমাকে ছেড়ে/পরশু কি হবে দেখা এমন করে","প্রিয়া আমার প্রিয়া","পেয়েছি চাচী পেয়েছি ও চাচা" এইগুলো মনে পড়ছে। সিনেমা দেখে কাঁদতে কাঁদতে চোখের পানি নাকের পানি একাকার করে ফেলেছিলাম। পত্রিকার একটা রিপোর্টের শিরোনামও মনে আছে হুবুহু, "ভেজা চোখ দর্শকদের চোখ ভিজিয়েছে"। এখন দেখলে কেমন লাগবে জানি না কিন্তু তখন অসাধারণ লেগেছিলো। চম্পা বোধহয় নতুন এলেন তখন সিনেমায়, আমার কাছে চম্পা-ইলিয়াস কাঞ্চনকে খুবই স্মার্ট লাগতো তখন। :)&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;a style="color: rgb(0, 0, 0);" onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://www.bollywood4uonline.co.uk/ekmps/shops/rahman/images/file0152.jpg"&gt;&lt;img style="margin: 0pt 10px 10px 0pt; float: left; cursor: pointer; width: 200px;" src="http://www.bollywood4uonline.co.uk/ekmps/shops/rahman/images/file0152.jpg" alt="" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;প্রায় সমসাময়িক কালে আরো দুইটা সিনেমার কথা মনে পড়ে যেগুলো হলে গিয়ে দেখেছিলাম। মফস্বল শহরের ছোট্ট গন্ডির মজা হচ্ছে প্রায় সবাই সবাইকে চেনে। আর এর মাঝেও যারা কোন কারনে কাছাকাছি থাকে, তাদের আত্মীয়তা বেড়ে যায় আরো অনেক বেশি। আমার বাবা ব্যাংকার। বাবার কলিগদের এবং তাদের পরিবারের মধ্যে খুব সুন্দর সম্পর্ক ছিলো। এই সব কলিগ-পরিবারের একটা গেট টুগেদারের একটা অংশ ছিলো সিনেমা দেখা। হলের দোতলায় আলাদা একটা রুম ছিলো, কি জানি বলতো ওইটাকে, ডিসিই কিনা? ওই রুমটা রিজার্ভ করে আমরা অনেকগুলো পিচ্চী-পাচ্চী এবং আমাদের বাবা-মায়েরা মিলে দেখতে গেলাম ওই সময়ের মহা-হিট সিনেমা "দুই জীবন"। আফজাল-দিতি, বুলবুল আহমেদ-কবরীর অভিনয়, আবদুল্লাহ-আল-মামুনের পরিচালনা। মজার সিনেমা। আমাদের সব পোলাপানেরই খুব পছন্দ হয়েছিলো। এই সিনেমারও চমৎকার সব গান ছিলো, "তুমি আজ কথা দিয়েছো, বলেছো", "একদিন তোমায় আমি না দেখিলে, তোমার মুখের কথা না শুনিলে","তুমি ছাড়া আমি একা, পৃথিবীটা মেঘে ঢাকা","আবার দু'জনে দেখা হলো, কথা হলো","আব্বু আমার বন্ধু, আম্মু খেলার সাথী, একটি ঘরে জ্বলছে যেন তিনটি সুখের বাতি"...। শেষের এই গানটা মোটামুটি আমার জাতীয়সংগীত হয়ে গিয়েছিলো।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;এই সিনেমা দেখার সময় বড়দের আলাপে শুনলাম আফজালের সংগে পাল্লা দিয়ে সুবর্ণা মুস্তফাও একই সময়ে আরেকটি সিনেমা করেছেন, নাম "স্ত্রী"। আম্মু, চাচীরা "স্ত্রী" সিনেমাটি দেখতে খুবই উদগ্রীব হয়ে উঠলেন, অতএব ওইটা দেখতেও সবাই মিলেই যাওয়া হলো। আমার কেমন লেগেছিলো পরিষ্কার মনে নেই তবে বড়দের দেখাদেখি আমিও বলছিলাম, এই সিনেমাটা খুব ভালো হয়েছে! যদিও আমাদের পিচ্চীদের কাছে "দুই জীবন"ই বেশি ভালো লেগেছিলো।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;এরপরে বিরাট একটা সময় মনে হয় হলে গিয়ে কোন সিনেমা দেখা হয় নি। বাবার কলিগরা একেকজন নানান জেলায় ট্রান্সফার হয়ে গেলো। সেই চমৎকার গেট টুগেদার গেলো বন্ধ হয়ে। আমরাও হয়ে উঠতে শুরু করলাম একটু একটু করে বড়। এবং সবচেয়ে দুঃখের বিষয়, শোনা গেলো সিনেমাহলের পরিবেশ এবং দর্শক সবই নাকি খারাপ হতে শুরু করেছে। এই সব নানান কারণে বাংলা সিনেমার প্রতি আকর্ষন সবারই কেন যেন একটু একটু করে কমতে শুরু করলো।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;(চলবে)&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/1090308001181777331-2507357473196744464?l=projapoti.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://projapoti.blogspot.com/feeds/2507357473196744464/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=1090308001181777331&amp;postID=2507357473196744464&amp;isPopup=true' title='6 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/2507357473196744464'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/2507357473196744464'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://projapoti.blogspot.com/2008/02/blog-post_24.html' title='আমার দেখা বাংলা সিনেমা'/><author><name>নিঘাত সুলতানা তিথি</name><uri>http://www.blogger.com/profile/01171944509548484876</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='21' height='32' src='http://img1.orkut.com/images/medium/1188076426/19981351.jpg'/></author><thr:total>6</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-1090308001181777331.post-5205596667981114372</id><published>2008-02-02T15:40:00.001+11:00</published><updated>2008-05-01T03:55:51.679+10:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='খেরোখাতা'/><title type='text'>বইমেলা...তোমার কাছে যাবো</title><content type='html'>&lt;a style="color: rgb(0, 0, 0);" onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://bp1.blogger.com/_WqggG_iahQg/R6R32dbmobI/AAAAAAAAAMc/DH4aIsS-ZAM/s1600-h/facs+phone+%2839%29-1.jpg"&gt;&lt;img style="margin: 0pt 0pt 10px 10px; float: right; cursor: pointer;" src="http://bp1.blogger.com/_WqggG_iahQg/R6R32dbmobI/AAAAAAAAAMc/DH4aIsS-ZAM/s200/facs+phone+%2839%29-1.jpg" alt="" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5162382850370478514" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;আমার একটা স্বভাব আছে, কখনও কখনও একটানা একই গান শুনতে থাকি...ঘন্টার পর ঘন্টা। আজ এরকম চলছে, "আমি বৃষ্টি দেখেছি", অঞ্জন দত্তর। শুনতে শুনতে মনটা গানের ভাবের মত হয়ে যায় নাকি আগে থেকেই মনটা তেমন হয়ে আছে বলেই আসলে গানটা শোনা হয়...ঠিক জানা নেই। তবে গান আর মন মিলে অদ্ভুত একটা পরিবেশ তৈরি হয়,&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;তৈরি হয়ে চলতে থাকে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;আজ দেশের কথা খুব বেশি মনে পড়ছে। বাবার কথা...।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;মা'র কথা মনে পড়ে, মা কবি ছিলো না কিন্তু খুব সহজ করে জীবনের দর্শন বলে ফেলতো মাঝে মাঝে। একটা কথা বলতো, "মানুষ কেমন পাখি দেখো, কাল আমি কোথায় ছিলাম আর আজকে কোথায়?" বলে ফিক করে হেসে ফেলতো। এই কথাটা মা তেমন গুরুতর অর্থে যে বলতো না নয়। হয়তো একদিন বেড়াতে গেলাম টাংগাইলে, পরের দিন ঢাকার বাসায় ফিরেছি, তখন। মা'র দৌড় তো ছিলো সেই ঢাকা-টাংগাইল।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;বইমেলা শুরু হয়ে গেলো। মা'র সেই কথাটা মনে হচ্ছে বারবার...মানুষ কেমন পাখি, মানুষ কেমন পাখি। আট বছর পর এই প্রথম আমি বইমেলায় যাচ্ছি না। পাখি হয়ে উড়ে উড়ে আমি চলে এসেছি এতটা দূরে যেখানে পৌঁছুতে গিয়ে ডানা গেছে কেটে! এখন আর উড়াল দেবার উপায় নেই। কার্জন বা রোকেয়া হল থেকে হেঁটে অথবা পল্লবী থেকে ভলভো বা ট্যাক্সি ধরে বইমেলায় যাবার কোন উপায় নেই। বইমেলার সামনের সুন্দর রাস্তাটার মাঝখান দিয়ে রাজার মত হেঁটে যাবারও কোন উপায় নেই রে গোলাম হোসেন।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;তবুও "মনে তোরে পারলাম না বুঝাইতে রে হায়রে...তুই সে আমার মন..."&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/1090308001181777331-5205596667981114372?l=projapoti.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://projapoti.blogspot.com/feeds/5205596667981114372/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=1090308001181777331&amp;postID=5205596667981114372&amp;isPopup=true' title='7 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/5205596667981114372'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/5205596667981114372'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://projapoti.blogspot.com/2008/02/blog-post.html' title='বইমেলা...তোমার কাছে যাবো'/><author><name>নিঘাত সুলতানা তিথি</name><uri>http://www.blogger.com/profile/01171944509548484876</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='21' height='32' src='http://img1.orkut.com/images/medium/1188076426/19981351.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://bp1.blogger.com/_WqggG_iahQg/R6R32dbmobI/AAAAAAAAAMc/DH4aIsS-ZAM/s72-c/facs+phone+%2839%29-1.jpg' height='72' width='72'/><thr:total>7</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-1090308001181777331.post-5479176609946085717</id><published>2008-01-25T00:57:00.001+11:00</published><updated>2008-05-01T03:56:50.292+10:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='পদ্য হলো কি?'/><title type='text'>নিরন্তর</title><content type='html'>&lt;a style="color: rgb(0, 0, 0);" onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://www.digital-cameras-help.com/images/night-photography.jpg"&gt;&lt;img style="cursor: pointer; width: 200px;" src="http://www.digital-cameras-help.com/images/night-photography.jpg" alt="" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;ছায়ারা কিংবা রূপকথা আসে না আর,&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;আসে কেবল নিশিকাব্যর মত ভূতুড়ে অবয়ব।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;চাঁদের আলো কবেই বিলীন হয়েছে সোডিয়াম লাইটের কাছে ;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;এবার হলুদ আলোয় রহস্য খোঁজার ব্যর্থ চেষ্টায় -&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;অবশেষে হাসির কাছাকাছি বেঁকে ওঠে ঠোঁট!&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;তবু শেষ হাসি হাসা হয় না আমার।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;এবং তোমার।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;অথবা আমাদের।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;কিংবা তোমাদের।&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/1090308001181777331-5479176609946085717?l=projapoti.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://projapoti.blogspot.com/feeds/5479176609946085717/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=1090308001181777331&amp;postID=5479176609946085717&amp;isPopup=true' title='3 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/5479176609946085717'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/5479176609946085717'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://projapoti.blogspot.com/2008/01/blog-post_24.html' title='নিরন্তর'/><author><name>নিঘাত সুলতানা তিথি</name><uri>http://www.blogger.com/profile/01171944509548484876</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='21' height='32' src='http://img1.orkut.com/images/medium/1188076426/19981351.jpg'/></author><thr:total>3</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-1090308001181777331.post-6661246617653021509</id><published>2008-01-09T13:18:00.001+11:00</published><updated>2008-05-01T03:57:32.579+10:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='খেরোখাতা'/><title type='text'>আজ পড়ব</title><content type='html'>&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;অনেক দিন কিছু লেখা হয় না। তার চাইতেও খারাপ যে কিছু পড়াও হয় না।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;এমনকি নিয়মিত যে ব্লগের পাতায় ঘোরা প্রতিদিনের সকালের নাস্তার মত হয়ে গিয়েছিলো, ইদানিং পড়া হচ্ছে না তা-ও!&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;অদ্ভুত।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;এবং খুব খারাপ।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের "রচনাসমগ্র ১" নামিয়ে রেখেছি সেলফ থেকে পরশুদিন। প্রথম পাতার প্রথম লাইন থেকে "মনোরম মনোটোনাস" মাথায় আটকে দিয়েছেন প্রিয় ব্লগার (অবশ্যই লেখক বলা উচিৎ ছিলো, কিন্তু পরিচয় তো ব্লগেই) মুহম্মদ জুবায়ের। এই শব্দদু'টোই ঘুরছে এখনও চর্কির মত। আজ এগুবো। আজ অবশ্যই আরো অনেকদূর পড়ব।&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/1090308001181777331-6661246617653021509?l=projapoti.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://projapoti.blogspot.com/feeds/6661246617653021509/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=1090308001181777331&amp;postID=6661246617653021509&amp;isPopup=true' title='2 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/6661246617653021509'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/6661246617653021509'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://projapoti.blogspot.com/2008/01/blog-post.html' title='আজ পড়ব'/><author><name>নিঘাত সুলতানা তিথি</name><uri>http://www.blogger.com/profile/01171944509548484876</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='21' height='32' src='http://img1.orkut.com/images/medium/1188076426/19981351.jpg'/></author><thr:total>2</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-1090308001181777331.post-5122402939444721320</id><published>2007-12-22T16:54:00.001+11:00</published><updated>2008-05-01T03:58:31.722+10:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='খেরোখাতা'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='সংসার'/><title type='text'>সুইট ডিসেম্বর</title><content type='html'>&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;বিবাহের মত একটা গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা যে এরকম প্রায় পরিকল্পনাহীনতায়, আকস্মিক ঘটনার মত দুম করে ঘটে যেতে পারে এবং সেটা নাটক-সিনেমায় নয়, বাস্তবে-- সেটা নিজের জীবনে না ঘটলে সেরকম করে বুঝতাম কি করে?!&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;সময়ের নিম্নাঙ্গে পায়ের বদলে অতি দ্রুত গতিসম্পন্ন চাকা অথবা উর্দ্ধাঙ্গে পাখির নরম ডানা নয় হয়ত, হয়ত জেট প্লেনের ডানা লাগানো আছে। নইলে সেই আকস্মিক ২২শে ডিসেম্বর একবার এলো আমাদের জীবনে বুঝলাম, তাই বলে বছর ঘুরে আবার সেই দিনটাই উপস্থিত? আরিব্বাবা, একটা নয় দুইটা নয়, একেবারে ৩৬৫ বার পৃথিবী ঘুরান দিয়ে দিলো এর মাঝে ?&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;বেশ একটু লজ্জা লজ্জা লাগছে নতুন করে। বিয়েবার্ষিকী উপলক্ষ্যে লজ্জাবার্ষিকী। :-)&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;পৃথিবীর ব্যাপার স্যাপার ঠিক বুঝে উঠতে পারছি না এখনও। মাঝে মাঝে এত তীব্র হতাশা জেঁকে বসে...আবার সেই আমাতেই জ্বলজ্বল করে কোন এক আশ্চর্য আলো! ভালোবাসা...বন্ধুতা...কি মমতামাখা সব শব্দ। কি মায়াময় অনুভূতি!&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;এইজন্যেই বুঝি মানুষ বেঁচে থাকে। আরো বেঁচে থাকতে চায়।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;হ্যাপি এনিভার্সারি তারু।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;রবিবুড়ার কাছ থেকে ধার করে একটু বলি--&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;"তোমায় নতুন করে পা'ব বলে&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;হারাই ক্ষণে ক্ষণ।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;ও মোর ভালোবাসার ধন"।&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/1090308001181777331-5122402939444721320?l=projapoti.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://projapoti.blogspot.com/feeds/5122402939444721320/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=1090308001181777331&amp;postID=5122402939444721320&amp;isPopup=true' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/5122402939444721320'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/5122402939444721320'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://projapoti.blogspot.com/2007/12/blog-post_22.html' title='সুইট ডিসেম্বর'/><author><name>নিঘাত সুলতানা তিথি</name><uri>http://www.blogger.com/profile/01171944509548484876</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='21' height='32' src='http://img1.orkut.com/images/medium/1188076426/19981351.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-1090308001181777331.post-86995526333699786</id><published>2007-12-08T00:06:00.001+11:00</published><updated>2008-05-01T03:59:03.475+10:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='খেরোখাতা'/><title type='text'>আবার খেরোখাতা</title><content type='html'>&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;ছোটবেলায় ডায়েরী লিখার অভ্যাস ছিলো খুব। ক্লাস সিক্সে এটা প্রবল হলো। তুমুল মাত্রায় বেড়ে গেলো কলেজ জীবনে। ভার্সিটির কয়েকটা বছর...তারপরে একটা বিশাল গ্যাপ। থার্ড ইয়ার থেকে শুধু ডায়েরী লিখাই নয়, প্রায় সবই কেমন স্থবির হয়ে গিয়েছিলো আমার। আবেগ মানুষের উন্নতির পথে অনেক বড় এক অন্তরায়, বিশ্বাস করি তখন থেকেই। তাই জন্য দুঃখিত নই অবশ্য আমি মোটেও। ছোট্ট যে জীবন আমরা বাঁচি সেখানে মানুষ হিসেবে সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট, "আবেগ"ই যদি না থাকে, তো রোবটের মত সফল হবার কোন মানে নেই আমার কাছে। অবশ্য "সাফল্য" কথাটাও তথাকথিত অর্থেই লিখেছি এখানে। তো সেই প্রায় স্থবিরতা একেবারে পূর্ণতা পেলো মামণি চলে যাবার পর। এর পরের একটা বছর আক্ষরিক অর্থেই ঠিক কিছুই করি নি আমি। ক্লাসের পড়াশোনা বা অন্য বই পড়া, গান গাওয়া, ছবি আঁকা--আমার জন্য সবচেয়ে স্বাভাবিক এই কাজগুলো পুরো বন্ধ হয়ে গেলো। অনার্সটা কিভাবে পাশ করলাম সে এক বিস্ময়! আসলে মা চলে গিয়ে মানুষের জীবনের ব্যাপ্তির ক্ষুদ্রতা বড় কড়াভাবে আমার মস্তিষ্কে গেঁথে দিয়ে গেলো।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;এটা এক রকম ভালোই হলো। একটা সময় ছিলো, অনেক কিছু পাবার আকাঙ্ক্ষা ছিলো। ক্লাসে ফার্স্ট না হয়ে সেকেন্ড বা থার্ড হলে মন খারাপ হত (একবার ছাড়া ফার্স্ট আমি কখনই হই নি)। এখন আর সেসব হয় না। আমি যেমন আছি তেমন করেই এই ছোট্ট জীবনটা পার করে দিতে পারলেই আমি খুশি। সাফল্য বলতে আমি এখন বুঝি একান্ত আপন সম্পর্কগুলো। শেঁকড়, সেখানে সম্পর্ক স্থাপনের কিছু নেই, তবু যা আছে সেইটুকুতে বিশ্বাস রাখা, বাবা, বড় আপু, ছোট আপুকে কখনও ভুল না বুঝা, ওদের কষ্ট না দেয়া। আর যে সম্পর্ক স্থাপিত হয়ে গেছে অজান্তে, স্বার্থহীনতায়- আমার বন্ধুরা। কোন মূল্যে আমি ওদের হারাতে চাই না। কখনও নিজে কষ্ট পেলেও ওদের কষ্ট দিতে চাই না। জীবনের একটা একটা ধাপে এই মানুষগুলো কতবার কতভাবে যে আশ্রয় আর প্রশ্রয় দিয়েছে নিঃশর্তে! আর আছে আমার জীবনের সবচেয়ে বড় পাওয়া- আমার সবচেয়ে কাছের বন্ধুকে জীবনসংগী হিসেবে পাওয়া। এই সবই আমার জীবনের সাফল্য, পাওনা। আর বাকি যা কিছু, সব পথ চলতে পাওয়া। পেলেও হয়, বেশ, ভালোই... না পেলে ক্ষতি কিছু নেই।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;কত কি সব বলছি। ব্যক্তিগত কথা লিখে ব্লগের পাতা ভরিয়ে ফেলছি। আসলে... ইদানিং আবার আগের মত ডায়েরী লিখতে ইচ্ছা করে। মামণি, বাবা, আপুরা আর বন্ধুরা ছাড়া আর কখনই তেমন কথা বলি না আমি... এখানে, এই ভিনদেশে কোথায় পাই ওদের? তারুর সাথে বকবক করি অনর্গল। আর কারো সাথে না, আর কেউ নেই যে এখানে আমার। তাই একলা সময়ে নিজের সাথেই কথা বলি। বলতে ইচ্ছা করে। খাতা-কলমে ডায়েরী লিখা আর হবে কি না জানি না, তাই ব্লগেই আবার শুরু করলাম। একান্ত ব্যক্তিগত কথন - আমার খেরোখাতা।&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/1090308001181777331-86995526333699786?l=projapoti.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://projapoti.blogspot.com/feeds/86995526333699786/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=1090308001181777331&amp;postID=86995526333699786&amp;isPopup=true' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/86995526333699786'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/86995526333699786'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://projapoti.blogspot.com/2007/12/blog-post_07.html' title='আবার খেরোখাতা'/><author><name>নিঘাত সুলতানা তিথি</name><uri>http://www.blogger.com/profile/01171944509548484876</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='21' height='32' src='http://img1.orkut.com/images/medium/1188076426/19981351.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-1090308001181777331.post-4151258925452974369</id><published>2007-12-07T00:22:00.001+11:00</published><updated>2008-05-01T03:59:39.797+10:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='খেরোখাতা'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='সংসার'/><title type='text'>হয় না এমন হয় না...</title><content type='html'>&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;চার মাস ধরে দেশছাড়া আছি। এমনি এমনি ঘরে বসে থাকি। ঠিক এমনি এমনি না  অবশ্য, জীবনে যা কোনদিন করি নি তাই করি - ঘরগেরস্থালী। বেশ লাগে। এই পঁচিশ বছর বয়স পর্যন্ত আমাকে কখনও কোন ক্ষেত্রে কোন গুরুদায়িত্ব নিতে হয় নি। পরিবারের সবার ছোট আল্লাদী মেয়ে, তাই সমস্ত ঝামেলা থেকে দূরেই থেকেছি সব সময়। বড় আপু, ছোট আপুকে দেখেছি মা'র কাজে সাহায্য করতে, আমাকে কখনও সেসব ছুঁতে দেয়া হয় নি ছোট বলে। অথবা ঘরের বাইরে যাসব কাজ, কত কিছুই থাকে না? আমাকে সেসবও করতে দেয়া হয় নি। নিজের দায়িত্বটুকুও কেমন করে যেন নিতে হয় নি কখনও। বাবা-মা, দুই বোন, এমনকি বন্ধুরাও কেমন আদর করে আগলে রেখেছে আমাকে সব সময়। ইউনিভার্সিটির প্রথম তিনটা বছর যখন তারেক ছিলো, মোটামুটি চোখ বন্ধ করে হেঁটেছি আমি সবখানে, নিশ্চিত নির্ভরতায়।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;এইবার, বিয়ের ছয় মাস পরে সংসার শুরু করে জীবনে প্রথম দায়িত্ব নিতে শিখলাম আমি। আশ্চর্য একটা দায়িত্ববোধ আপনা থেকেই ভর করলো আমার ওপর। মানুষের জীবনের মৌলিক চাহিদা- অন্ন। অতএব রান্নাবান্না দিয়ে শুরু হলো। কুটুর কুটুর করে কত কি রাঁধি। ট্রাডিশনাল রান্নার বাইরে এখান থেকে সেখান থেকে খুঁজে খুঁজে ডিফরেন্ট কিছু করার ট্রাই করি, কখনও নিজে নিজে বানিয়ে কিছু করি। রান্নার মত একটা বিষয়ে হঠাৎ করে নিজের এরকম আগ্রহ দেখে মাঝে মাঝে নিজেই ভুরু কুঁচকে ভাবি, ঘটনাটা কি?&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;এই সব করে করেই যাচ্ছিলো। কিন্তু আরো কিছু একটা করা দরকার, যাকে বলে উপার্জন, নিজে নিজে- এরকম ভাবছি অনেক দিন ধরেই। টুকটাক চেষ্টা করে যাচ্ছিলাম ইন্টারনেট ঘেটে। ইন্টারভিউ দিলাম সেদিন একটা, মোটামুটি রেসপন্স মিললো। ট্রেনিং-এর জন্য ডাক। তারপর ক'দিন কাজ করে দেখাতে হবে, পারফর্মেন্স ভালো হলে কাজ পাক্কা, নইলে ফুটো। আমি মোটামুটি ফুটে যাবো এরকম প্রস্তুতি নিয়েই আজকে প্রথম দিনের ট্রেনিংটা করে করে এলাম। সব অন্য রকম মানুষ, বৈদেশি। আমার কেমন ভয় করছিলো। ছোটবেলায় যেমন প্রথম স্কুলে যাবার সময় মায়ের আঙ্গুল ধরে স্কুলে যেতে ইচ্ছা করত, তেমন ইচ্ছা করছিল আজকে তারুর হাত ধরে ওখানে বসে থাকব। কেউ আমাকে কিছু বললেই তারু দিবে মাইর! হি হি। কিন্তু সেসব তো আর হয় না আসলে। যেতে হলো একাই। বকর বকরও করতে হলো, কারণ জবটা কল সেন্টার কাস্টমার সার্ভিস। কি যে জ্বালায় পড়লাম, আমি দুনিয়ার অন্তর্মুখী কম কথা বলা মানুষ, আর আমি কিনা...&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;কোম্পানীটা ইন্ডিয়ান। যাদের কাজে ডেকেছে তারা সবাই-ই ইন্ডিয়ান, আমি একা এক বাংলাদেশী। অনেক চটপটে ছেলেমেয়েগুলো। বয়সে আমার থেকে কম বই বেশি নয় কেউই। কি সুন্দর পটপট করে কথা বলে যাচ্ছিলো। আর আমি মুখে মিষ্টি হাসি ঝুলিয়ে বসে থাকি। মাঝে মাঝে একটা দুইটা কথা বলি। স্বভাব। বন্ধু-বান্ধব আর খুব পছন্দের মানুষ ছাড়া কথার খই আমার না ফুটেই বসে থাকে। তিন দিনের ট্রেনিং, ভালোই চলছে। হাসিখুশি ছেলেমেয়েগুলোর সাথে বসে থেকে, কথা বলে ভালোই লাগছিলো বেশ। ট্রেনিং শেষে দরজার বাইতে পা-টা রেখেই দুম করে গেলো মনটা খারাপ হয়ে। এরা সবাই বাঙালী হত, এরা আমার সেই সব চেনা বন্ধুরা হত...আমি কত শান্তি পেতাম তাহলে! তাই কি আর হয়? হয়? হয় না তো!&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/1090308001181777331-4151258925452974369?l=projapoti.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://projapoti.blogspot.com/feeds/4151258925452974369/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=1090308001181777331&amp;postID=4151258925452974369&amp;isPopup=true' title='3 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/4151258925452974369'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/4151258925452974369'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://projapoti.blogspot.com/2007/12/blog-post_06.html' title='হয় না এমন হয় না...'/><author><name>নিঘাত সুলতানা তিথি</name><uri>http://www.blogger.com/profile/01171944509548484876</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='21' height='32' src='http://img1.orkut.com/images/medium/1188076426/19981351.jpg'/></author><thr:total>3</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-1090308001181777331.post-3810973864849520573</id><published>2007-12-06T03:54:00.001+11:00</published><updated>2008-05-01T04:00:18.214+10:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='খেরোখাতা'/><title type='text'>সেই...</title><content type='html'>&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;একটু একটু করে একটা সময়ে ভেঙ্গেই পড়ে সব কিছু আসলে। প্রথম যখন হুমায়ূন আযাদের " সব কিছু ভেঙে পড়ে" পড়েছিলাম, স্বপ্নবাজ আমার হজম হয় নি...মাথা গুলাতে গুলাতে কেমন যেন গা গুলিয়ে বমি পেলো। সারা রাত আমি ঘুমুতে পারি নি...চেপে রাখা রোষময় বিস্ময়ের সবটুকু পরের দিন ঢেলে দেই প্রিয় বন্ধুর কাছে। "এমন হয়? এমন হয় বল?" রু আমার দিকে কিছুক্ষন তাকিয়ে থাকে। বোধহয় উদভ্রান্ত অবুঝ বন্ধুকে সত্যি বলে আরো উন্মাদ করে দিতে চায় না। আমি অস্থির হয়ে রু'কে তাগাদা দি, " বলিস না কেন কিছু?" রু ওর দু'হাতের তালুতে আমার হাত চেপে ধরে, বলে, "না রে, সব কিছু কি আর এমন হয়? আমাদের চারপাশটা আমরা দেখছি না? ঠিকই তো চলছে সব, কখনও কোথাও হয়ত এমন হয়। তাই বলে সব এভাবে ভেঙ্গে পড়ে না..." ক'টা দিন তবু আমার অস্বস্তিতে কাটে, কেমন অবিশ্বস্ত মনে হয় সব কিছু। রু আমাকে আগলে রাখে- মমতায়, বন্ধুতায়, ভালোবাসায়...।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;সেদিন রু'র কথা মেনেছিলাম আমি।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;তারপর...&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;এখন আমি চোখ বুজে, মন বুজে সব কিছুর ভাঙ্গন দেখি।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;একেকটা রাত যায় নির্ঘুম...দিনগুলো হাসিমুখে বিষন্ন মনে...মাথা ভারী হয়ে আসে...ফেলে আসা দেশের একটা একটা খবর - ব্যক্তিগত, পারিবারিক অথবা সামষ্টিক, ওলটপালট করে দেয় একান্ত নিজস্ব সুখের সময়গুলোকে। চোখের সামনে, অথবা আড়ালে ভেঙ্গে পড়ার শব্দ শুনি কেবল আমি...ইচ্ছা করে সেই ভাঙ্গনের উৎসবে নিজেকেও সামিল করতে। কানের কাছে ঋতূপর্ণ ঘোষের সিনেমার ডায়ালগ ভন ভন করে, " কনস্ট্রাকশন, ডিকনস্ট্রাকশন...কনস্ট্রাকশন, ডিকনস্ট্রাকশন..."। আমি কিছু কনস্ট্রাক্ট করতে পারি না।  ভাঙ্গতে ইচ্ছা করে তাই। ডাউললোড ডট কম থেকে ভেঙ্গে ফেলার সরঞ্জাম যোগাড় করি আমি, ডিএক্স বল, সবচেয়ে পুরনো ভার্সন। খেলতে শুরু করি। অথবা ভাঙতে। টং টং করে একটা একটা ব্রিক ভাঙে। আমার ভালো লাগে না, ভলিউম বাড়িয়ে দি... অপেক্ষা করি একটা "ফায়ার বল" আসুক, একটা "থ্রু ব্রিকস" আসুক, একটা গুল্লি আসুক... আমি ঢিসঢাস, সটাং সটাং করে ভেঙে ফেলি সব ব্রিকস, ভাঙার শব্দ শুনি...&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;তারপর আর পারি না...ডিকনস্ট্রাকশনের তোড়ে হাঁপিয়ে উঠি...তারপর আবার...আবার রু আমাকে আগলে ধরে। নোনাজল আর ভালোবাসার কনস্ট্রাকশন...&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;ভেঙে পড়ে, পড়তে থাকে অনেকদিনের বাঁধন...&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;এবং গড়ে ওঠে অন্য পাড়ে...&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;চলে যাওয়া জননীর মুখ ভেসে ওঠে চোখের সামনে। মরে গেছে সেই জননী, আমাকেই জননী হবার স্বপ্ন দেখিয়ে!&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;কনস্ট্রাকশন...ডিকনস্ট্রাকশন...কনস্ট্রাকশন...ডিকনস্ট্রাকশন...&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/1090308001181777331-3810973864849520573?l=projapoti.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://projapoti.blogspot.com/feeds/3810973864849520573/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=1090308001181777331&amp;postID=3810973864849520573&amp;isPopup=true' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/3810973864849520573'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/3810973864849520573'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://projapoti.blogspot.com/2007/12/blog-post.html' title='সেই...'/><author><name>নিঘাত সুলতানা তিথি</name><uri>http://www.blogger.com/profile/01171944509548484876</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='21' height='32' src='http://img1.orkut.com/images/medium/1188076426/19981351.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-1090308001181777331.post-2184446693906133311</id><published>2007-11-24T18:20:00.001+11:00</published><updated>2008-05-01T04:00:54.096+10:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='স্বদেশ'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='খেরোখাতা'/><title type='text'>"তারা আমাদের ভাই, মানব ভাই..."</title><content type='html'>&lt;a style="color: rgb(0, 0, 0);" onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://lh6.google.com/projapoti/R0fBc2tTT8I/AAAAAAAAALk/AHGEehaaQ4I/s144/4.jpg"&gt;&lt;img style="margin: 0pt 10px 10px 0pt; float: left; cursor: pointer; width: 200px;" src="http://lh6.google.com/projapoti/R0fBc2tTT8I/AAAAAAAAALk/AHGEehaaQ4I/s144/4.jpg" alt="" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;দুর্গত মানুষের জন্য বরাদ্দকৃত ত্রাণ-সামগ্রী যে তাদের কাছে না গিয়ে অনেক সময়ই কোথায় যায় তা বোধহয় আমরা এখন ভালোই জানি। দুদকের অভিযানে দরিদ্র মানুষের অধিকারের ত্রাণের টিন, কাপড়, এমনকি বিস্কুট (!) পরিহাস করতে করতে মুক্তি পেয়েছে পেটমোটা বোয়ালগুলোর বাড়ি থেকে। কাজেই, যতই মরুক মানুষ ঘূর্ণিঝড়ে, যতই তাদের বাড়িঘর ধ্বংস হয়ে যাক, যতই তাদের সদ্য পাকা ফসল মিশে যাক মাটির সাথে ইউপি চেয়ারম্যানের তাতে কি? ত্রাণের জন্য ৩৮৫ কেজি চাল পাওয়া গেছে, এতে আর ক'দিন, ক'জনের চলবে? তার'চে যার আছে তার আরেকটু বাড়ুক...এই যুক্তিতেই বুঝি আটকে দিয়েছিলো ত্রানের চাল। অতিকায় পিরানহা দেখে উদ্বুদ্ধ হওয়া এই বোয়াল অবশ্য পার পেলো না, কেমনে কেমনে জানি ধরা পড়ে গেলো। তার সাধের হঠাৎ পাওয়া চালগুলো চলে গেলো আধমরা মূল্যহীন মানুষগুলোর কাছে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;এসব খবর এখন আমাদের পুরোপুরি চোখ সওয়া, মন সওয়া। বিকার হয় না তেমন কোন পড়ে। অন্য খবরে চলে যাই তাই, আগে পাতা উল্টাতাম, এখন মাউজ ক্লিক করি, এই কেবল পার্থক্য। চোখের সামনে একের পর এক দুঃসংবাদ...তারপর হঠাৎ কোন খবরে আমাদের সব সয়ে যাওয়া চোখ হঠাৎ ভিজে উঠে। হায়, ইউপি চেয়ারম্যান নিজের থাকতে কেড়ে নিয়েছিলো, আর এই নিঃসহায় মানুষগুলো...!&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;না তেমন কিছু নয় ওরা, ওরাও ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত এক জনপদ-  বাগেরহাটের জয়মনির ঘোল গ্রাম। ঘূর্ণিঝড়ে তাদের ঘরবাড়ি ভেঙেছে অনেকের, গাছ ভেঙ্গেছে, ফসল নষ্ট হয়েছে। তবু ঠিক পাশেই শরণখোলার ভয়াবহ রূপের কাছে ওদের ক্ষতি কিছু নয় জেনে নিজেদের সামাণ্যতম সম্বলগুলো ভালোবেসে তারা দিয়ে এসেছে প্রতিবেশী গ্রামকে। জয়মনি অঞ্চলে খাবার পানির বড় অভাব, বৃষ্টির পানি সঞ্চয় করে তাই সারাবছর ধরে ব্যবহার করতে হয় তাদের। সেই মহামূল্য সম্পদ থেকে তিন হাজার বোতল এবং পঞ্চাশটি বড় ড্রাম ভরে প্রায় ৫০০০ লিটার পানি দিয়েছে তারা শরণখোলার সাউথখালী গ্রামের মানুষকে। নিজেরা অতিসামান্য সম্বল থেকে কাপড়, শীতের কাপড়, খাবার, ওষুধ, স্যালাইন যা পেরেছে তাই দিয়ে দাঁড়িয়েছে তারা অপেক্ষাকৃত বেশি অসহায় মানুষগুলোর পাশে। এখানেও ইউপি চেয়ারম্যান আছে, তার ডাকেই সব মানুষ এক হয়েছে মানবতার খাতিরে। কত অবলীলায় সুন্দর আলী খাঁ বলতে পারে, "তারা আমাদির ভাই, মানব ভাই। আমার এক ভাই কষ্ট করতিছে, তাই দিছি"।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;কিছুই নেই তাদের, আছে কেবল মানবতাবাদী মন। আছে যে সে খবর হয়তো জানেও না তারা। কখনও চর্চা করে নি, কখনও এক লাইন দাম্ভিক কথা লিখেনি, কখনও বক্তৃতা দেয় নি নিজের মহানুভবতা অবগত হয়ে। অথচ ঠিক সময়ে ভেতর থেকে উপচে উঠেছে তাদের অমূল্য সম্পদ, 'মন'। মানুষ হবার এই মৌলিক অথচ বর্তমানে মহামূল্য সম্পদটি যদি এমনি করেই সমস্ত মানবজাতির থাকতো!&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;------------------------------------------------------------&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;তথ্যসূত্রঃ "প্রথম আলো"তে করা কুররাতুল-আইন-তাহমিনা'র রিপোর্ট।&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/1090308001181777331-2184446693906133311?l=projapoti.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://projapoti.blogspot.com/feeds/2184446693906133311/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=1090308001181777331&amp;postID=2184446693906133311&amp;isPopup=true' title='1 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/2184446693906133311'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/2184446693906133311'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://projapoti.blogspot.com/2007/11/blog-post_24.html' title='&quot;তারা আমাদের ভাই, মানব ভাই...&quot;'/><author><name>নিঘাত সুলতানা তিথি</name><uri>http://www.blogger.com/profile/01171944509548484876</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='21' height='32' src='http://img1.orkut.com/images/medium/1188076426/19981351.jpg'/></author><thr:total>1</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-1090308001181777331.post-4555756273142310278</id><published>2007-11-20T03:39:00.001+11:00</published><updated>2008-05-01T04:01:50.819+10:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='খেরোখাতা'/><title type='text'>"মাঝরাতে ডুবেছে মাতাল..."</title><content type='html'>&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;শিবু,&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;কি করিস? শুয়ে শুয়ে সঞ্জীবের গান শুনছি...&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;ঘুম আসে না...&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;কেমন যেন নির্লিপ্ত কষ্ট ঘিরে থাকে...&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;শূণ্য...ঝাপসা অনুভূতি...&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;এক মুহুর্তে সব কেমন করে শেষ হয়ে যায় দেখেছিস ?&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;বলেছিলাম না--মানুষের জীবন আর ক'টা দিন বেঁচে থাকা কি আশ্চর্য অর্থহীন !&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/1090308001181777331-4555756273142310278?l=projapoti.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://projapoti.blogspot.com/feeds/4555756273142310278/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=1090308001181777331&amp;postID=4555756273142310278&amp;isPopup=true' title='1 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/4555756273142310278'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/4555756273142310278'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://projapoti.blogspot.com/2007/11/blog-post_20.html' title='&quot;মাঝরাতে ডুবেছে মাতাল...&quot;'/><author><name>নিঘাত সুলতানা তিথি</name><uri>http://www.blogger.com/profile/01171944509548484876</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='21' height='32' src='http://img1.orkut.com/images/medium/1188076426/19981351.jpg'/></author><thr:total>1</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-1090308001181777331.post-7775910040809943767</id><published>2007-11-19T12:31:00.001+11:00</published><updated>2008-05-01T04:02:23.972+10:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='সংস্কৃতি'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='স্বদেশ'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='খেরোখাতা'/><title type='text'>"কার ছবি নেই। কেউ কি ছিলো?"</title><content type='html'>&lt;a style="color: rgb(0, 0, 0);" onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://www.sachalayatan.com/files/images/dalchut_01.preview.jpg"&gt;&lt;img style="cursor: pointer; width: 400px;" src="http://www.sachalayatan.com/files/images/dalchut_01.preview.jpg" alt="" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;গলার কাছে দলা পাকিয়ে উঠছে কষ্ট...&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;সঞ্জীব চৌধুরী, আমাদের সঞ্জীব চৌধুরী...&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;কিছু লিখতেও পারছি না...&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;কোমা থেকে মিরাকলের মত জেগে উঠে আবার গেয়ে উঠবেন, "আমি ফিরে পেতে চাই সেই বৃষ্টিভেজা সুর/ আমি ফিরে পেতে চাই সাত সুখের সমুদ্দুর"...এই সব আশা আমাদের মিথ্যে হলো...&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;আর কিছুই বলার রইলো না।&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/1090308001181777331-7775910040809943767?l=projapoti.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://projapoti.blogspot.com/feeds/7775910040809943767/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=1090308001181777331&amp;postID=7775910040809943767&amp;isPopup=true' title='4 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/7775910040809943767'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/7775910040809943767'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://projapoti.blogspot.com/2007/11/blog-post_19.html' title='&quot;কার ছবি নেই। কেউ কি ছিলো?&quot;'/><author><name>নিঘাত সুলতানা তিথি</name><uri>http://www.blogger.com/profile/01171944509548484876</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='21' height='32' src='http://img1.orkut.com/images/medium/1188076426/19981351.jpg'/></author><thr:total>4</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-1090308001181777331.post-5577479455997932721</id><published>2007-11-18T18:07:00.001+11:00</published><updated>2008-05-01T04:02:57.551+10:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='স্বদেশ'/><title type='text'>ঘূর্ণিঝড় সিডর এবং তারপর আমাদের দেশ</title><content type='html'>&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;দেশটা কেন যেন স্বস্তি পায় না কখনই। যুদ্ধ করে অনেক ত্যাগে স্বাধীন হলো, এখন সেই স্বাধীনতা রক্ষা নিয়ে করতে হচ্ছে নতুন যুদ্ধ। দুর্নীতি যখন দেশের দরিদ্র মানুষদের আরো দরিদ্র করে দিচ্ছে, তখন তাদের পুরোপুরি নিঃসহায় করে দিতে উপাদান যোগাচ্ছে প্রকৃতি- বারবার। কখনও ভূমিধ্বস, কখনও প্রবল বন্যা, এবার প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড়- সিডর! &lt;/span&gt;&lt;p style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;১৯৯১ সালের ১৯শে এপ্রিলের ঘূর্ণিঝড়-জলোচ্ছাসের ভয়াবহ স্মৃতি আমরা কখনও ভুলব না। এবারের ঘূর্ণিঝড়কে তুলনা করা হচ্ছে তার সাথে। বরং কেবল উপকূলীয় নয় এবার আক্রান্ত হয়েছে দেশের আরো অনেক অঞ্চল। খুলনা বিভাগের বরিশাল, ঝালকাঠি, সাতক্ষীরা, বরগুনা, বাগেরহাট, মাদারীপুর, পিরোজপুর, দুবলার চর সব জায়গায় প্রায় সহস্রাধিক মানুষ মারা গেছে। পুরোপুরি বিধ্বস্ত হয়ে গেছে মাটির সাথে মিশে গেছে অসংখ্য ঘরবাড়ি। পাকা ধান ঝড়ের তান্ডবে মিশে গেছে ক্ষেতের সাথে। দেশের বিদ্যুৎ অবস্থা, টেলিযোগাযোগ পুরোপুরি বিপর্যস্ত অবস্থায় রয়েছে। এই লেখাটি লিখেছিলাম, ঘূর্ণিঝড়ের খবর পাবার পরপর গতকাল। আজ খবর এসেছে আরো আরো আরো মৃত্যু আর লাশের...&lt;br /&gt;&lt;/p&gt; &lt;p style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;হাজার হাজার মৃত্যু... যারা বেঁচে আছে তারা এখন কি নিয়ে বাঁচবে সর্বস্ব হারিয়ে? এখন পর্যন্ত জানা খবরে ৩ লাখ ঘরবাড়ি পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে, আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আরো ৫ লাখ ।&lt;br /&gt;&lt;/p&gt; &lt;p style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;প্রকৃতির সাথে যুদ্ধ করে করেই তবু বেঁচে থাকতে হয়েছে এদেশের মানুষকে বারবার। আবার যুদ্ধ। সেই যুদ্ধে সহায় হতে হবে দেশের সমস্ত মানুষকে। জানি না কেমন করে কাটানো যেতে পারে এই ভয়াবহ বিপদ। যারা মারা গেছে তাদেরকে আমরা বাঁচাতে পারিনি, কিন্তু যারা এখনও কোন মতে বেঁচে আছে তাদের জন্য কি আমরা কিছু করতে পারি না? নিজেদের যার যা সামর্থ আছে সেইটুকু দিয়েই কি আমরা দেশের মানুষের এই বিপদের দিনে তাদের পাশে দাঁড়াতে পারি না?&lt;/p&gt; &lt;p style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;যারা দেশে আছেন, জানি তাঁদের পাশে গিয়ে দাঁড়াবেন। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীরা সেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ সেই ভরসা রাখি। আর যার প্রবাসী, তাদের উপায় নেই সশরীরে বিপন্ন মানুষের পাশে দাঁড়ানোর। তাই প্রিয় সচলায়তন ব্লগের ব্লগার ইশতিয়াক রউফ-এর দেয়া পেপাল লিংকটি এখানে দিচ্ছি। প্রবাসী যারা পড়ছেন এই লেখাটি, তাদের সবাইকে অনুরোধ করছি এই লিংকে যথাসাধ্য সাহায্য করতে।&lt;br /&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;&lt;a href="http://www.bang.org.vt.edu/makhan.html"&gt;http://www.bang.org.vt.edu/makhan.html&lt;/a&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;অথবা রেডক্রিসেন্টে সাহায্য পাঠানোর ঠিকানাটিও দিয়ে রাখছি এখানে।&lt;br /&gt;&lt;/p&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;Bangladesh Red Crescent Society&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt; A/C No. 01-1336274-01&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt; Standard Chartered Bank&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt; Dhaka Bangladesh&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt; SWIFT Code: SCBLBDDX&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;বন্যা, প্রবল বৃষ্টি, তারপর ঘূর্ণিঝড়...পাকা ফসল নিঃশেষ হয়ে গেলো। বাংলাদেশের কৃষক কাটিয়ে উঠুক এই মহাবিপদের দিন। সেই প্রার্থণা রইলো।&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/1090308001181777331-5577479455997932721?l=projapoti.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://projapoti.blogspot.com/feeds/5577479455997932721/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=1090308001181777331&amp;postID=5577479455997932721&amp;isPopup=true' title='1 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/5577479455997932721'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/5577479455997932721'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://projapoti.blogspot.com/2007/11/blog-post_18.html' title='ঘূর্ণিঝড় সিডর এবং তারপর আমাদের দেশ'/><author><name>নিঘাত সুলতানা তিথি</name><uri>http://www.blogger.com/profile/01171944509548484876</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='21' height='32' src='http://img1.orkut.com/images/medium/1188076426/19981351.jpg'/></author><thr:total>1</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-1090308001181777331.post-6095204318788653585</id><published>2007-11-10T16:00:00.001+11:00</published><updated>2008-05-01T04:03:27.226+10:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='পদ্য হলো কি?'/><title type='text'>যাও পাখি</title><content type='html'>&lt;a style="color: rgb(0, 0, 0);" onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://lh5.google.com/projapoti/RzP5RDsZMTI/AAAAAAAAAKk/uP_7TDIUy2A/birdsflying.jpg"&gt;&lt;img style="cursor: pointer; width: 200px;" src="http://lh5.google.com/projapoti/RzP5RDsZMTI/AAAAAAAAAKk/uP_7TDIUy2A/birdsflying.jpg" alt="" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;যোগাযোগের গতিময়তা ধীরে ধীরে&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;কমে আসা শুরু করেছে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;আষ্টেপৃষ্টে জড়িয়ে থাকা বাঁধনের সুতো&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;দূরত্বের টানে ঢিলে হয়ে এসেছে যদিও&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;একেবারে ছিঁড়ে যায় নি ,&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;অদৃশ্য কোন জেদী সূতোর&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;পাকানো গিঁটের কারনেই হয়তোবা...।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;একদিন সেই জেদী সূতো এঁকে বেঁকে&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;পেঁচিয়ে কেমন ডানা হয়ে যায় -&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;ছোট দু'টি পা...দু'টি ঠোঁট...&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;ঠোঁটের ফাঁকে গুঁজে রাখা ভালোবাসা...&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;সে ফিসফিস করে আমায় বলে,&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;"বন্ধু, ভালো আছিস তো ?"&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;আমি বুকের ভেতর হেঁচকা টানের&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;ব্যথায় কুঁকড়ে উঠি সুখে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;আমার ঢিলেঢালা বাঁধন ফের পোক্ত হয়ে ওঠে।&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/1090308001181777331-6095204318788653585?l=projapoti.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://projapoti.blogspot.com/feeds/6095204318788653585/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=1090308001181777331&amp;postID=6095204318788653585&amp;isPopup=true' title='6 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/6095204318788653585'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/6095204318788653585'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://projapoti.blogspot.com/2007/11/blog-post_10.html' title='যাও পাখি'/><author><name>নিঘাত সুলতানা তিথি</name><uri>http://www.blogger.com/profile/01171944509548484876</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='21' height='32' src='http://img1.orkut.com/images/medium/1188076426/19981351.jpg'/></author><thr:total>6</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-1090308001181777331.post-2813365651260847024</id><published>2007-11-03T23:25:00.001+11:00</published><updated>2008-05-01T04:04:03.652+10:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='খেরোখাতা'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='চলচ্চিত্র'/><title type='text'>বিন্দুর ছেলে</title><content type='html'>&lt;a style="color: rgb(0, 0, 0);" onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://bp2.blogger.com/_WqggG_iahQg/Ryxa9DXUvBI/AAAAAAAAAKE/_44m_1mnOxA/s1600-h/Bindur+chhele.jpg"&gt;&lt;img style="margin: 0pt 10px 10px 0pt; float: left; cursor: pointer;" src="http://bp2.blogger.com/_WqggG_iahQg/Ryxa9DXUvBI/AAAAAAAAAKE/_44m_1mnOxA/s200/Bindur+chhele.jpg" alt="" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5128574080589806610" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;একটা সিনেমা দেখলাম একটু আগে। "বিন্দুর ছেলে"। ইমপ্রেস টেলিফিল্মের ব্যানারে মুশফিকুর রহমান গুলজারের পরিচালনা। অভিনয়ে- মৌসুমী, দিতি, হুমায়ূন ফরিদী, ফেরদৌস প্রমুখ। সিনেমা কেমন লাগলো, কার অভিনয় কেমন হলো, এসব গভীরতর চিত্র সমালোচনার উদ্দেশ্যে অবশ্য এই লেখা শুরু করি নি। উদ্দেশ্য বরং একেবারেই ভিন্ন। এই মুভি দেখে আমার ছোটবেলার স্মৃতি মনে পড়ে গেলো যে, তাই ।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;আমার স্কুল- বিন্দুবাসিনী সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;আমরা তিন বোন। তিনজনই এই স্কুলেই পড়েছি। সবার বড় বোন যখন ক্লাস নাইন কি টেন, আমি তখন মাত্র ওয়ানে ভর্তি হলাম। তারও আগে মাঝে মাঝে আপুর সাথে এমনি এমনি যেতাম স্কুলে। বড় আপুর বান্ধবীরা সবাই ভীষন আদর করতো। সেই আদরের টানেই আমার আপুর সাথে যাওয়া।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;বড় আপুর সময় স্কুলে মর্ণিং-ডে শিফট আলাদা ছিলো না। আপুদের ক্লাস শুরু হতো খুব সম্ভবত সকাল এগারোটার দিকে। আর শেষ হতো পাঁচটায়। টিফিন পিরিয়ডে ওরা খুবই মজা করতো। কয়েকটা আপুর কথা বেশি মনে পড়ে, বড় শম্পা আপু, ছোট শম্পা আপু, খনা আপু, লাবণ্য আপু, মণি আপু... এরকম আরো অনেকেই। ওরা টিফিন পিরিয়ডে নানা রকম শয়তানী করতো। টীচারদের নকল করা তো সব পোলাপানেরই কমন অভ্যাস, সেসব। তারপর বিভিন্ন কমেডি নাটক বানিয়ে অভিনয় করা, কৌতুক বলা...আবছাভাবে এইসবই মনে পড়ে। ক্লাস টেনকে আমার তখন খুব বিশেষ একটা কিছু মনে হতো। মনে হতো, ওরা কত বড়, কত স্মার্ট! আমি কবে ক্লাস টেনে উঠবো?!&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;আমার বড় আপুনির নাম শারমীন জাহান শাম্মী/শিমুল। এই স্ল্যাশ-এর রহস্য হচ্ছে, আম্মু ডাকতো শাম্মী আর বাবা ডাকতো শিমুল। পরে শাম্মীটাই চালু হয়ে গিয়েছিলো, কিন্তু বড় আপুর বেশি পছন্দ ছিলো শিমুল নামটাই। এটা হারিয়ে না যায় এজন্যে ও কোথাও নাম লিখলে এভাবে দুইটাই লিখতো। তো আমার এই আপুনীর গ্রুপের দুষ্টু এবং দুষ্টু মাত্রই অবধারিতভাবেই ট্যালেন্টেড মেয়েরা মিলে স্কুলের প্রোগ্রামে নাটক করবে ঠিক করলো। ওই সময় ওদের পড়ার তালিকায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আর শরৎচন্দ্রই বেশি স্থান নিয়েছিলো বোধ করি। যদিও বড় আপু ব্যক্তিগতভাবে সত্যজিৎ রায় এবং তাঁর ফেলুদা'র বিশেষ ভক্ত ছিলো। আর ওর পড়ার টেবিলে "ড্রাকুলা" নামের একটা বই থাকার ভয়ে ওই টেবিলের আশেপাশ দিয়েই যেতাম না মনে আছে। পড়তো "মাসুদ রানা"ও। কিন্তু নাটক বানানোর জন্য এগুলোর চাইতে চিরকালীন জনপ্রিয় শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কেই ওরা বেছে নিয়েছিলো।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;শরৎবাবুর "বিন্দুর ছেলে"ই কেন ওরা মঞ্চস্থ করবে বলে ঠিক করেছিলো তার কারন আমাকে না বললেও আন্দাজ করতে পারি। আমাদের স্কুলের নাম বিন্দুবাসিনী। আর এই গলের মূল চরিত্রের নামও বিন্দুবাসিনী। এই হয়তো কারণ। দু'টো প্রধান চরিত্র হচ্ছে "বিন্দু" এবং তার ভাসুরের বৌ। এই দু'টো চরিত্রের জন্য স্কুলের সবচেয়ে সেরা দুই সুন্দরী আপুকে নির্বাচিত করা হলো। এর মধ্যে বিন্দু হলো বড় শম্পা আপু এবং বড় বৌ হলো লুবনা আপু। এই দু'জনের মধ্যে বড় শম্পা আপু শুধু আমাদের স্কুলেই নয় বরং পুরো টাংগাইলের ছেলেদেরই হৃদয় কাঁপানো সুন্দরী ছিলেন, এটা আমার স্পষ্ট মনে আছে। তখনকার সময়ে কাউকে বেশি সুন্দরী বুঝাতে হলে আমরা উদাহরণ দিতাম যে শ্রীদেবী'র মত সুন্দর! কিন্তু শম্পা আপু দেখতে আক্ষরিক অর্থেই শ্রীদেবীর মত ছিলেন। লুবনা আপুও অনেক সুন্দর ছিলেন।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;তো এই দুই সুন্দরীকে দুই মূল ভূমিকায় রেখে তৈরি করা নাটকটা কেমন হয়েছিলো, কে কেমন করেছিলো বিশদ বলতে পারলে ভালো হতো নিশ্চয়ই কিন্তু  দূর্ভাগ্য, স্মৃতি  আর টানতে পারছে না। কিন্তু ভালো লাগার অনুভূতিটা স্পষ্ট মনে গেঁথে আছে। ছোট্ট ছেলেটিকে নিয়ে দুই মা'য়ের দ্বন্দ দেখে সেই ছোট্ট আমার চোখে জল এসেছিলো তাও মনে পড়ে। তাই এতগুলো বছর পরে (কমপক্ষে ১৮/১৯ বছর) "বিন্দুর ছেলে" নিয়ে সিনেমা হয়েছে জেনে উৎসাহ নিয়ে দেখতে বসে গেলাম। সিনেমা ভালো-মন্দ যাই হোক (মন্দ নয়), আমার সেই ভীষন শৈশবকালকে একটুক্ষনের জন্য হলেও ফিরিয়ে নিয়ে এলো তো। এই বা কম কি?&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/1090308001181777331-2813365651260847024?l=projapoti.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://projapoti.blogspot.com/feeds/2813365651260847024/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=1090308001181777331&amp;postID=2813365651260847024&amp;isPopup=true' title='4 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/2813365651260847024'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/2813365651260847024'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://projapoti.blogspot.com/2007/11/blog-post.html' title='বিন্দুর ছেলে'/><author><name>নিঘাত সুলতানা তিথি</name><uri>http://www.blogger.com/profile/01171944509548484876</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='21' height='32' src='http://img1.orkut.com/images/medium/1188076426/19981351.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://bp2.blogger.com/_WqggG_iahQg/Ryxa9DXUvBI/AAAAAAAAAKE/_44m_1mnOxA/s72-c/Bindur+chhele.jpg' height='72' width='72'/><thr:total>4</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-1090308001181777331.post-1031230747231959856</id><published>2007-10-26T17:46:00.001+10:00</published><updated>2008-05-01T04:06:27.094+10:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='মুক্তিযুদ্ধ'/><title type='text'>এমনও শুনতে হয় !</title><content type='html'>&lt;blockquote style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;&lt;/blockquote&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;"দেশে কোন স্বাধীনতাবিরোধী কখনও ছিলো না, এখনও নেই" -- বলেছেন বাংলাদেশের বিশিষ্ট রাজনৈতিক দল জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারী জেনারেল আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদ।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;আফসোস।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;এই আমাদের স্বাধীন বাংলাদেশ। যেখানে "জামায়াতে ইসলামী"ও একটি বিশিষ্ট রাজনৈতিক দল হিসেবে এখন পরিচিতি পায়। অথচ এই দলটিই একাত্তরে "বাংলাদেশ" নামটিতেই বিশ্বাস করতো না। বাংলাদেশের জন্মলগ্নেই এই দেশের ভ্রূণ নষ্ট করে ফেলতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছিলো যারা, এমনকি জন্মের পর যেন সেই শিশু দেশটি পূর্ণ বিকশিত হয়ে গড়ে উঠতে না পারে সেজন্য বুদ্ধিজীবীদের পরিকল্পিতভাবে মেরে ফেলেছিলো যারা -- তাদের সম্মিলিত দল জামায়াতে ইসলামী এখন স্বাধীন বাংলাদেশের মাটিতে নির্লজ্জ ধৃষ্টতায় নিজেদের দেশপ্রেমিক হিসেবে পরিচয় দেয়। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;ধর্মভিত্তিক এই দলটি বোধহয় দেশটিকেও ইদানিং একটা ধর্মগোত্র ভেবে বসেছে। তাই নিজেদের খেয়াল-খুশিমত "ফতোয়া" দেয় দেশের ইতিহাস নিয়ে। সর্বশেষ সংযোজন উপরের বক্তব্যটি। আমার অবাক লাগে, এই মুজাহিদ, যে নিজের ১৯৭১ সালে আলবদর বাহিনীর ঢাকা শাখার প্রধান ছিলো, সে কি করে বলে সে নিজেই যুদ্ধাপরাধী নয়?!&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;ধিক্কার দেই এইসব নির্লজ্জ, সুবিধাবাদী, রাজাকার, আলবদরদের। তাদের এইসব নির্লজ্জ মিথ্যা ফতোয়ায় বাংলাদেশের প্রকৃত স্বাধীনতার ইতিহাসের কিছু যাবে আসবে না। এদেশের অধিকাংশ মানুষ এখনও যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চায়। বিবিসিকে দেয়া সাক্ষাৎকারে লেখক ও সাংবাদিক শাহরিয়ার কবিরের কথা থেকে জানতে পারলাম, ১৯৭১ সালের জামায়াত সমর্থিত পত্রিকা "দৈনিক সংগ্রাম"-এর নয় মাসের সংখ্যা পড়লেই খুব স্পষ্টভাবে তাদের মুক্তিযুদ্ধবিরোধী এবং যুদ্ধাপরাধী ভূমিকা জানা যায়, জানা যায় কেমন করে তারা গণহত্যা এবং নারী নির্যাতনে পাকিস্তানী বাহিনীকে সাহায্য করেছে নিজেরা শান্তিকমিটি গঠন করে, কিভাবে তারা তালিকা প্রস্তুত করে বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করেছে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রসংগে শাহরিয়ার কবির আরো বলেছেন, "১৯৭২ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর প্রথম যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করবার জন্যে যে দালাল আইন প্রণয়ন করা হয়েছিলো, সেখানে পরিষ্কার সংগা দেয়া হয়েছিলো কাদের বিচার করা হবে। এবং সেই আইন অনুযায়ী কিন্তু জামায়াতের প্রধান গোলাম আজমের নাগরিকত্ব বাতিল করা হয়েছিলো যুদ্ধাপরাধের দায়ে। এবং জামায়াতের অনেক নেতাকে তখন গ্রেফতার করা হয়েছিলো, অনেকে পাকিস্তান পালিয়ে গিয়েছিলো।" এতসব পরিষ্কার প্রমান থাকা সত্ত্বেও যারা বলে, বাংলাদেশের কখনও যুদ্ধাপরাধী ছিলো না, তাদের কথা শুনে বোধহয় দুঃখ না পেয়ে আমাদের হা-হা করে অট্টহাসি হাসা উচিৎ।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;যুদ্ধাপরাধীর আন্তর্জাতিক সংগা অনুযায়ী যেসব সৈনিক যুদ্ধে অপরাধ করেছে শুধু তারাই নয় বরং যেসব সিভিলিয়ান তাদের সাহায্য করেছে তারাও যুদ্ধাপরাধী। এবং যেকোন সংগাতেই জামাতের শীর্ষনেতারা সেই সময়ের যুদ্ধাপরাধী। যুদ্ধাপরাধী বিচারের আইন সম্পর্কে তাঁর কথা থেকে জানতে পারি,  ১৯৭৩ সালে আমাদের সংবিধানের প্রথম সংশোধনী অনুযায়ী যুদ্ধাপরাধীদের অপরাধ এবং বিচারের ব্যাপারে সুস্পষ্ট বিধান রয়েছে যে সংবিধান এখনও বাংলাদেশে বলবৎ। কাজেই  এখনও সরকার চাইলে সাংবিধানিকভাবে বিচার করতে পারে। এমনকি সামরিক ট্রাইব্যুনালেও বাংলাদেশের যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করা সম্ভব, যেমনটা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের যুদ্ধাপরাধীদের করা হয়েছিলো।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;যুদ্ধাপরধীদের বিচারের সব পথ খোলা আছে, শুধু প্রয়োজন সরকার অথবা সেনাবাহিনীর সদিচ্ছার। যেকোন উপায়ে হোক, আমরা চাই  - &lt;/span&gt;&lt;span style="font-weight: bold; color: rgb(0, 0, 0);"&gt;যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হোক। &lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/1090308001181777331-1031230747231959856?l=projapoti.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://projapoti.blogspot.com/feeds/1031230747231959856/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=1090308001181777331&amp;postID=1031230747231959856&amp;isPopup=true' title='5 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/1031230747231959856'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/1031230747231959856'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://projapoti.blogspot.com/2007/10/blog-post_26.html' title='এমনও শুনতে হয় !'/><author><name>নিঘাত সুলতানা তিথি</name><uri>http://www.blogger.com/profile/01171944509548484876</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='21' height='32' src='http://img1.orkut.com/images/medium/1188076426/19981351.jpg'/></author><thr:total>5</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-1090308001181777331.post-2528688737449798636</id><published>2007-10-23T15:21:00.002+10:00</published><updated>2008-05-01T04:07:01.974+10:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='খেরোখাতা'/><title type='text'>আমার জানলা দিয়ে</title><content type='html'>&lt;a style="color: rgb(0, 0, 0);" onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://bp3.blogger.com/_WqggG_iahQg/Rx2FUJngPoI/AAAAAAAAAJU/_eWwWtC4UnI/s1600-h/1.JPG"&gt;&lt;img style="margin: 0pt 10px 10px 0pt; float: left; cursor: pointer;" src="http://bp3.blogger.com/_WqggG_iahQg/Rx2FUJngPoI/AAAAAAAAAJU/_eWwWtC4UnI/s200/1.JPG" alt="" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5124398532242980482" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;a style="color: rgb(0, 0, 0);" onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://bp1.blogger.com/_WqggG_iahQg/Rx2EVpngPnI/AAAAAAAAAJM/G72EhjKv8Dk/s1600-h/2.JPG"&gt;&lt;img style="margin: 0pt 0pt 10px 10px; float: right; cursor: pointer;" src="http://bp1.blogger.com/_WqggG_iahQg/Rx2EVpngPnI/AAAAAAAAAJM/G72EhjKv8Dk/s200/2.JPG" alt="" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5124397458501156466" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;"আমার জানলা দিয়ে একটুখানি আকাশ দেখা যায়,&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;একটু বর্ষা, একটু গ্রীষ্ম, একটুখানি শীত।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;সেই একটুখানি চৌকো ছবি আঁকড়ে ধরে রাখি,&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;আমার জানলা দিয়ে আমার পৃথিবী...।"&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;যখন দেশ ছেড়ে আসি, জুন-জুলাইয়ের তুমুল গরম তখন দেশে। আর মেলবোর্ণে পা রাখার পর কনকনে ঠান্ডা বাতাসই যেন বরণ করে নিলো আমাকে। ঠিক দুই মেরুর আবহাওয়াওয়ার বৈপরিত্য। সব কিছুই আমার কাছে খুব বেশি নতুন ছিলো, এখনও। নতুন দেশ, নতুন সংসার (যে সংসারে আমিই কিনা কর্ত্রী!), নতুন বাসা, সেই বাসা নতুন করে গোছানো, সংসারের টুকিটাকি অজস্র নতুন জিনিসপাতি...কত কি নতুনের মাঝে নতুন এক আমি। আমার প্রিয় সংগীটিও এখন নতুন এক ভূমিকায়, সেই ফার্স্ট ইয়ারের ক্যাম্পাস চষে বেড়ানো তারেক-তিথি এখন তিরিং-বিরিং বন্ধুই শুধু নয়, বর-বৌ ও বটে। হি হি , ভাবতেই ফিক করে হাসি চলে আসে মুখে!&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;এতসব নতুনের মাঝে আমার ভূমিকাগুলো মাঝে মাঝেই অবাক করে দিচ্ছে আমাকে। আমি রান্ধি-বাড়ি, এটা আমার মাঝে মাঝে নিজেরই ঠিক বিশ্বাস হতে চায় না। তবু হয়ে যাচ্ছে সব ঠিকঠাকই আসলে। কেমন এক ধরনের চ্যালেঞ্জিং যেন সব। আস্তে আস্তে দেখি, আজীবন যেই ভূমিকায় আমি সবচেয়ে অদক্ষ ছিলাম, সেই রাঁধুনীর ভূমিকার আমি রীতিমতো এক্সপার্ট হয়ে যাচ্ছি। এক সময় মা'র রান্নাঘরের দরজায় উঁকি মেরে চলে আসতাম, এখন নিজের ছোট্ট কিচেনটাকে অনেক আপন মনে হয়। আমি ঠিক গোছানো লক্ষী মেয়ে নই কখনই, বরং অনেক বেশি অগোছালো করে ফেলে রাখার অভ্যাস সব কিছু। তবু রান্নার হরেক রঙের মশলাগুলোকে জলরঙের গুঁড়ো ভেবে আলাদা আলাদা কৌটোয় সাজিয়ে রাখি  সুন্দর করে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;কিচেনের ঠিক পাশেই একটা জানালা। রান্না চড়িয়ে মাঝে মাঝেই তাকিয়ে থাকি জানালার ফাঁক দিয়ে। বাম পাশ দিয়ে রাস্তা আর অনেক বাড়িঘর দেখা যায়। বাড়িগুলো সুন্দর, ছিমছাম। আমরা ঠিক শহরে থাকি না বোধহয়, এটাকে বরং উপশহর বলা যেতে পারে। তাই হয়তো মাল্টিস্টোরিড বিল্ডিংয়ের চাইতে এই ছোট ছোট আপন-আপন বাড়িগুলোই বেশি চোখে পড়ে। আর জানালা দিয়ে ডান দিকে চোখে পড়ে একটা ছোটমোট পার্ক-বাচ্চাদের। আর জানালার ঠিক সামনেই একটা গাছ, অনেক ডালপালা ছড়ানো। যখন আমি প্রথম এই বাসায় উঠেছি, সেই ডালপালাগুলো খুব একলা ছিলো, একটা সবুজ পাতাও দেখিনি আমি। তীব্র শীতের প্রবল ছাপ গাছটা জুড়ে- কেবল ফ্যাকাসে, ধুসর রঙে মন খারাপ করে দাঁড়িয়ে ছিলো যেন আমার রান্নাঘরের সংগীটি।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: left; color: rgb(0, 0, 0);"&gt;আজ অনেক দিন পরে আমার সংগী গাছটি মন খুলে হাসছে। শীত কমে গেছে, রোদ উঠেছে দারুণ। আর সেই খুশিতে সবুজ পাতায় ছেয়ে গেছে গাছটার মরা ডালপালা। বড় ভালো লাগলো দেখে। সবুজের দেশের মানুষ আমরা, এই ভিন দেশের মলিন গাছগুলোকে দেখে বড় মায়া হতো। আজ ওদের খুশিতে আমারও মন খুশি। ক্যামেরার ছোট্ট গোল বাটনে তর্জনীর একটা টিপ পড়ে তাই - ক্লিক!&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/1090308001181777331-2528688737449798636?l=projapoti.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://projapoti.blogspot.com/feeds/2528688737449798636/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=1090308001181777331&amp;postID=2528688737449798636&amp;isPopup=true' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/2528688737449798636'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/2528688737449798636'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://projapoti.blogspot.com/2007/10/blog-post_23.html' title='আমার জানলা দিয়ে'/><author><name>নিঘাত সুলতানা তিথি</name><uri>http://www.blogger.com/profile/01171944509548484876</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='21' height='32' src='http://img1.orkut.com/images/medium/1188076426/19981351.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://bp3.blogger.com/_WqggG_iahQg/Rx2FUJngPoI/AAAAAAAAAJU/_eWwWtC4UnI/s72-c/1.JPG' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-1090308001181777331.post-3336716463271134780</id><published>2007-10-21T17:59:00.001+10:00</published><updated>2008-05-01T04:08:35.701+10:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='খেরোখাতা'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='পূজো'/><title type='text'>ঢাম ঢাম পূজোর স্মৃতি</title><content type='html'>&lt;a style="color: rgb(0, 0, 0);" onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://www.durgapuja-cards.com/images/bann_02.gif"&gt;&lt;img style="margin: 0pt 10px 10px 0pt; float: left; cursor: pointer; width: 200px;" src="http://www.durgapuja-cards.com/images/bann_02.gif" alt="" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;আমার কিচেনের সিংকের কলটা ঠিকমত বন্ধ হয় না কিছুতেই। পানি পড়তেই থাকে একটানা। খুব জোরে চেপে বন্ধ করার আগে পর্যন্ত নিজস্ব একটা ছন্দে পানি পড়তে থাকে। হঠাৎই এক সময় খেয়াল হলো যে এই শব্দটা ঠিক টিপটিপ নয়। কেমন যেন বরং "ঢাম ঢাম"। একটু খেয়াল করে শুনতেই দেখি কেমন যেন উৎসব উৎসব লাগছে। বুঝলাম কেন শুনছি এতক্ষন ধরে। শব্দটা আসলে ঠিক পূজোর ঢাকের মত!&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;ক্রমাগত পানি পড়ার শব্দের বিরক্তি কেটে গেছে আমার সেদিন থেকেই। এখন  যত শুনি কেবল দেশের কথা মনে হয়, মনে হয় পূজোর কথা। ছেলেবেলায় পূজোর উৎসব আর প্রতিমার দেখার তীব্র আগ্রহ থেকে শুরু করে এই মাত্র ক'দিন আগের  ইউনিভার্সিটির উৎসবমুখর ক্যাম্পাস, সব কিছু চোখের সামনে ভেসে ওঠে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;ছেলেবেলায় কি ভীষন আকর্ষন ছিলো প্রতিমা দেখার! অত ছোট বয়সে ধর্ম কিছু বুঝতাম না। যেখানে সবাই আনন্দ করতো সেখানেই ছিলো যত আকর্ষন। কাজেই পূজো শুরু হলো তো প্রতিমা দেখতে যেতেই হবে। বিকালবেলা সুন্দর কোন ফ্রক পড়ে আমি রেডি। আম্মু হাসতে হাসতে চুলে পরিপাটি দুইটা বেনী করে চোখে টানা কাজল দিয়ে দিতো। আমি আমার ছোট আপুর (মেজো বোন) হাত ধরে বেরুতাম প্রতিমা দেখতে। আমাদের ভীষন প্রিয় সেই ছোট্ট মফস্বল শহর টাংগাইল। ছোট কিন্তু খুব ছিমছাম একটা শহর আমাদের টাংগাইল। আমরা তখন থাকতাম আকুর টাকুর পাড়ায়। আমাদের বাসার আশেপাশ দিয়ে কত গলি-ঘুপচি। অনেক হিন্দু-বাড়ি ছিলো ওখানটায়। যেখানেই ঢোলের শব্দ, সেখানেই ঢুকে গিয়ে দেখতেই হবে আমাদের। প্রতিটা বাড়িতে ছোট পরিসরে নিজেদের প্রতিমা-পূজো হতো। একটা বাড়ি - ওদের একটা আলাদা ঘর ছিলো, আর সেই ঘরের পুরোটা জুড়ে আলাদা আলাদা তাকে অনেক অনেক খুব ছোট ছোট প্রতিমা সাজানো থাকতো। আরও অনেক নকশা করা ছিলো দেয়াল জুড়ে। প্রতি বছর এই বাড়িটাই থাকতো আমার প্রধান টার্গেট। তখন বুঝি নি, এখন স্মৃতি থেকে মনে হয় যে সম্ভবত ওগুলো টেরাকোটার মত ছিলো। একবার ভীড়ের কারনে আমার চার বছরের ছোট্ট শরীর ওই বাড়িতে ঢুকতে পারলো না, এত মন খারাপ হলো।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;নিজেদের পাড়ার সব ছোট ছোট পূজা-মন্ডপ দেখা শেষ হলে আমরা বাড়ি ফিরে অপেক্ষা করতাম সন্ধ্যায় বাবা অফিস থেকে ফেরার। তখন বাসার সবাই মিলে যাবো বড় কালীবাড়ির সবচেয়ে বড় পূজা-মন্ডপ দেখতে। এক রিকশায় আম্মু, আর বাবার কোলে আমি, আরেক রিকশায় ছোট আপু-বড় আপু। পাঁচজন মিলে ভীড় ঠেলে প্রতিমা দেখে মেলা ঘুরে টুরে বাড়ি ফিরতাম আরো রাতে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;আরেকটু বড় হতে হতে মা-ও বড় হয়ে গেলো, তখন আর আমাদের সাথে মা যেতো না। মফস্বল শহরে আপুরাও বড় না হতেই বড় হয়ে গেলো অনেকখানি, কেবল আমি বাসায় সবার ছোট বলে আজীবন ছোটই রয়ে গেলাম। তাই প্রতি বছর পূজোয় আমার মেলায় যেতেই হবে, যেতেই হবে প্রতিমা দেখতে। বাবার কানের কাছে ঘ্যান ঘ্যান, জেদ করে করে অবশেষে চলে যেতাম দুজন মিলে। আরো কিছু বড় হলে পরে মেলায় ঘুরতাম বন্ধুরা মিলে, মাসীমাদের আদরের হাতের মোয়া-মিষ্টি খাওয়ার আশায় জুড়ে বসতাম তাদের খাটের ওপর সারাদিন ধরে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;ইউনিভার্সিটিতে পড়ার সময় পূজার সার্বজনীন উৎসবের স্বরূপটা দেখলাম সবচেয়ে ভালো করে। আমি থাকতাম রোকেয়া হলে, ঠিক পাশেই জগন্নাথ হল। কি মহা ধুমধাম করে যে পূজা পালন হতো সেখানে। প্রায় সমস্ত ডিপার্টমেন্ট পূজা-মন্ডপ সাজাতো জগন্নাথ হলে (ইসলামিয়াত এবং আরবী ছাড়া :) )। সব ধর্ম নির্বিশেষে উৎসব কেমন করে পালন করতে হয় তার একটা দারুন উদাহরণ আমি দেখেছি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পুজার অনুষ্ঠানগুলোতে। স্বরসতি পূজার দিনে আমি খুব ভোরবেলা ঘুম থেকে উঠে যেতাম নিজেদের হলের পূজা-পালন দেখার জন্য। সবার ছবি তুলে দিতাম আমি। কেমন করে জজ্ঞ করা হয় দেখলাম তখনই প্রথম। আর বিকালবেলা শাড়ি পড়ে, বড় লাল টিপ আর কখনও কখনও সিঁদুরে সিঁথি রাঙিয়ে ঘুরে বেড়াতাম বন্ধুরা সবাই মিলে।  মেয়েদের হলের মাঠের একটা অংশ পর্যন্ত ছেলেরা ঢুকতে পারতো পূজোর দিনে। তার একটা বিশেষ আকর্ষন থাকতো তাদের। :) পরের দিন ক্যাম্পাসে দেখা হলে বেশ ভাব নিয়ে কোন ছেলে বন্ধুর মুখ থেকে শুনতাম, "কাল তো তোমাদের হলে ঢুকেছিলাম"!&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;ইউনিভার্সিটিতে পড়াকালীনই প্রথম মা-কে না বলে এক বন্ধুর বাড়ি বেড়াতে গিয়েছিলাম। সময়টা ছিলো পূজার। সেই বন্ধুর আরেক বন্ধুর বাড়ি বসে গল্প করছি, এমন সময় ঠিক পাশেরই পূজা মন্ডপ থেকে তুমুল ঢাকের শব্দে আমার আর প্রিয় বন্ধু শিবার মাথা খারাপের অবস্থা, খালি নাচতে ইচ্ছা করছিলো। পরে আন্টিকে কি একটা বলে ছুতো দিয়ে বারান্দার পাশে অন্ধকারে দাঁড়িয়ে আমার আর শিবার সে কি নাচ!&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;এখনও পূজা। এখন কোথাও থেকে তুমুল ঢাকের শব্দ শোনা যায় না। তবু এই বিভুঁইয়ে  সিংকের কলকে ঢোলের শব্দ ভেবে মস্কিষ্কে আশ্চর্য আলোড়ন ওঠে আমার। স্মৃতির সময় যন্ত্রে চড়ে আমি পাড়ি দেই বহু পুরনো দিনের পথ। ছুঁয়ে আসি অনেকগুলো মমতাময়ী, বিশ্বস্ত হাত-  মা'র, বাবার, আমার দুটি সোনা আপুর, আমার পরমপ্রিয় বন্ধুদের।&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/1090308001181777331-3336716463271134780?l=projapoti.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://projapoti.blogspot.com/feeds/3336716463271134780/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=1090308001181777331&amp;postID=3336716463271134780&amp;isPopup=true' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/3336716463271134780'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/3336716463271134780'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://projapoti.blogspot.com/2007/10/blog-post_6782.html' title='ঢাম ঢাম পূজোর স্মৃতি'/><author><name>নিঘাত সুলতানা তিথি</name><uri>http://www.blogger.com/profile/01171944509548484876</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='21' height='32' src='http://img1.orkut.com/images/medium/1188076426/19981351.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-1090308001181777331.post-2344451882207508124</id><published>2007-10-19T03:47:00.001+10:00</published><updated>2008-05-01T04:09:23.014+10:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='গল্প'/><title type='text'>স্মৃতির নৌকা বেয়ে</title><content type='html'>&lt;a style="color: rgb(0, 0, 0);" onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://images.somewhereinblog.net/phpThumb/phpThumb.php?src=../bba/images/projapotiblog_1180622480_1-F1080034.JPG&amp;amp;w=400"&gt;&lt;img style="margin: 0px auto 10px; display: block; text-align: center; cursor: pointer; width: 400px;" src="http://images.somewhereinblog.net/phpThumb/phpThumb.php?src=../bba/images/projapotiblog_1180622480_1-F1080034.JPG&amp;amp;w=400" alt="" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;বিকেলবেলাটায় বেশ ঠান্ডা বাতাস পাওয়া যায় বারান্দায় বসলে। গ্রীলের ওপাশে চোখ পেতে দোদুলকে দেখি আমি মুগ্ধ হয়ে। মাঠ নেই খেলার, তবু ভাগ্যিস আবাসিক এলাকা বলে বাসার সামনে এইটুকুনি রাস্তাটা পেয়েছে, যেখানে বড় যান চলে না। সেই সেইটুকুনি রাস্তাতেই কয়েকটা ইট একটার ওপর একটা সাজিয়ে উইকেট বানিয়ে ব্যাটসম্যান সেজে দাঁড়িয়ে গেছে তার সামনে। ২২ গজের তত্ত্ব এইটুকু জায়গায় ওরা মানতে পারে না, তাতে কি? অদূরে দাঁড়িয়েই হুংকার ছাড়ে ভবিস্যৎ মাশরাফি।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;আমি মুগ্ধ হয়ে ওদের দেখি। চারপাশের যেসব ক্ষুদে ফিল্ডার ছুটোছুটি করছে ওদের দেখি। উইকেটের পেছনের দুধভাত ছেলেটাকেও দেখি। দেখতে দেখতেই কানের ওপরে চাপড় পড়ে। চমকে ওঠে তাকাতেই দেখি ফজলু আর নুরু দাঁড়িয়ে ফ্যাকফ্যাক করে হাসছে। ঠিক বুঝতে পারি না কেন, কিন্তু আমার একটু খটকা লাগে। ভ্যাবলার মত তাকিয়ে থাকি আমি। আবার চাপড়।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;- ব্যাটা,আমাদের দিকে তাকাইয়া দেখতাছোস কি? আকাশ দ্যাখ, ক্যামন ম্যাঘ করসে দেখছস? এক্ষনি নৌকা নিয়া বাইর হব। উঠ উঠ, সারাদিন বই পইড়া পইড়া ভ্যাবলা ভাবুক হইছস একটা।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;এবার আমার সম্বিত ফিরে, তাই তো ! আজ দুপুরেও না ইস্কুল থেকে ফেরার পরে এমন কথাই হয়েছিলো? এর মাঝেই ভুলে গেলাম? ফজলু, নুরু এবার হাত ধরে টান মেরে উঠিয়েই ফেলে আমাকে। বাংলা ঘর পেরিয়ে উঠোনে বসে থাকা মা'কে চিৎকার করে একটুখানি জানিয়ে যাই কেবল, "মা রে, আমি গেলাম , চিন্তা করিস না"...।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;এবার ছুটতে থাকি তিন বন্ধু মিলে। নদীর ঘাটে নৌকো বাঁধাই ছিলো। নুরু আমাদের তিনজনের মধ্যে সবচেয়ে ভালো পারে এইসব কাজ। আমি আর ফজলু একটু পরে দেখি নৌকা ভাসছে! আহা! চলতে থাকে আমাদের নৌকা... পারি না বলে কিছু নেই, তিনজনেই বৈঠা হাতে নেই পালা করে। আকাশের মেঘ একটু একটু করে বাড়তে থাকে, গুমগুম গুড়গুড় হাঁকডাক। এত জোরেলা বাতাস! আহা! পাড়ের বাড়িঘরের সামনে দাঁড়ানো কত্ত মানুষ, ছেলে, বুড়ো, বৌঝি, তাদের কচি কচি ননদেরা...!&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;- সবাই বুঝি আমাদেরই দেখতাসে রে নুরু?&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;- আররে না...অতদূর থেইকা অত বুঝা যায় নাকি রে? ওরা ম্যাঘ দেখে রে ম্যাঘ, বাতাস খায়!&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;একটু একটু দূরে সরে যেতে থাকে পাড়ের ছবি...আমাদের ছোট তরী বেয়ে আমরা দূরে, আরো দূরে ভাসতে থাকি। ফজলু হঠাৎ নৌকার মাঝে উঠে দাঁড়িয়ে দুই হাত শূণ্যে তুলে চিৎকার করতে থাকে। "ওরে ফজলা, হাসু...আমি তো উইড়া যাইতেসি রে...আআআআআআআআ"। বাতাস বাড়তে থাকে আমাদের আনন্দ আরো বাড়িয়ে দিতে। আমিও দাঁড়াই নুরুর পাশে, আমিও চিতকার করি। "উউউউউউউউউউউউউউ, হুইইইইইইইই"। দুইজন গলা জড়াজড়ি করে আমরা নৌকার ওপরে নাচতে থাকি দুলে দুলে। ফজলু বৈঠা হাতে দাঁত কেলিয়ে হাসে। "খাড়া...আমিও আই"।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;একজন একজন করে হাল ধরি। তুমুল হাসি, হুল্লোড়ের সাথে বেড়ে চলে পাগলা হাওয়া। নৌকা চলে, চলতে থাকে। নৌকা চলে, হাওয়া চলে...নৌকা চলে, হাওয়া চলে ! কৈশোরের উদ্দামতায় আনাড়ীপনাকে তুচ্ছ করে চালানো নৌকাও এবার একটু হাসে আমাদের সাথে, "দাঁড়া রে দাঁড়া। এবার আমার খেল দ্যাখ"। অতঃপর নৌকার গতি আর বাতাসের বেগ পাল্লা দিয়ে উল্লাস করে। এক সময় দেখি গ্রাম ছেড়ে অনেক দূরে চলে এসেছি। কৈশোরের পাগলা যৌবন টেনে নিয়ে এসেছে আমাদের এত দূরে, এবার হানা দেয় ভয় কৈশোরের আরেক রূপ- ভয় পাওয়া শৈশব।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;নুরু, ফজলু এবং আমি একে অন্যের নাম ধরে কান্না শুরু করে দেই এবার। মা"র কথা মনে হয়। এই নৌকা ঠিক দিক মেনে মেনে কেমনে বেয়ে নিব আবার আমাদের গ্রাম? ও আল্লাহ বাঁচাও, এইবার শুধু বাড়ী ফিরতে দাও, আর কখনো এমন করুম না। আল্লাহ তুমি মেহেরবান, তুমি দয়ালু...কাইল থেইকাই নামাজ পড়মু...গ্রামে ফিরাইয়া নাও, বাড়ী ফিরাইয়া নাও।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;আস্তে আস্তে বাতাস কমে আসে, নৌকাও কথা শোনে আমাদের। আল্লাহর নাম নিতে নিতে গ্রামের বাড়ীঘর চোখে পড়তে থাকে আবার একটু একটু করে। আপন ঘাটে নৌকা ভেড়াই আমরা।... এতক্ষনের উত্তেজনায় কাঁপছে শরীর। হঠাত সব রাগ গিয়ে পড়ে একজনের ওপর। রাগে কাঁপতে কাঁপতে তাকেই গালি দিতে থাকি একমনে..."শয়তান আল্লাহ, খুব পাট নিলি আমাদের ওপরে না? তোরে যদি আর ডাকসি জীবনে"!।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;- দাদু, আমি আজকে ৩৯ করেছি জানো?&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;দোদুলের ডাকে নেমে আসি আমার কৈশোরের নৌকো থেকে। আনমনে বলি,"আর আমি সেঞ্চুরি"!&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/1090308001181777331-2344451882207508124?l=projapoti.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://projapoti.blogspot.com/feeds/2344451882207508124/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=1090308001181777331&amp;postID=2344451882207508124&amp;isPopup=true' title='1 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/2344451882207508124'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/2344451882207508124'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://projapoti.blogspot.com/2007/10/blog-post_4112.html' title='স্মৃতির নৌকা বেয়ে'/><author><name>নিঘাত সুলতানা তিথি</name><uri>http://www.blogger.com/profile/01171944509548484876</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='21' height='32' src='http://img1.orkut.com/images/medium/1188076426/19981351.jpg'/></author><thr:total>1</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-1090308001181777331.post-5014241608515591243</id><published>2007-10-18T03:37:00.001+10:00</published><updated>2008-05-01T04:10:12.587+10:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='গল্প'/><title type='text'>...অতঃপর !</title><content type='html'>&lt;a style="color: rgb(0, 0, 0);" onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://images.somewhereinblog.net/phpThumb/phpThumb.php?src=../bba/images/1153571095_projapoti.jpg&amp;amp;w=400"&gt;&lt;img style="margin: 0pt 10px 10px 0pt; float: left; cursor: pointer; width: 200px;" src="http://images.somewhereinblog.net/phpThumb/phpThumb.php?src=../bba/images/1153571095_projapoti.jpg&amp;amp;w=400" alt="" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;... আসলে অজন্তার কোন অলটারনেটিভ ছিলো না। সুতরাং বাধ্য হয়েই...। &lt;/span&gt;&lt;p style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;সমস্ত গন্ডগোলের মূলে ছিলো তার মা। আরে বাবা, মেয়েটা নাহয় ফড়িং হয়ে একটু বেশিই উড়ে বেড়াচ্ছিলো- তা উড়ুক না, এ তো ওড়ারই বয়স। তাই বলে তার পাখা কেটে ফেলার ষড়যন্ত্র ! এ বড্ড বাড়াবাড়ি। অজন্তা যে প্রতিদিন ইউনিভার্সিটি থেকে দেরীতে বাড়িতে ফিরতো সে তো আর এমনি এমনি নয়- কাজ আর ব্যস্ততার চাপে। কে না জানে ইউনিভার্সিটির ফার্স্ট ইয়ারে পড়া আনকোরা জীবনটা কত ব্যস্ততার! কাজের কি আর শেষ আছে- কার্জন হল ক্যাম্পাসের সৌন্দর্য দেখতে দেখতেই তো কত সময় লেগে যায়।তার ওপর টি.এস.সি. তে "DU" এর পর A থেকে Z লাগিয়ে কত সংগঠন! সবগুলোর সদস্য না হলেই নয়। নতুন বন্ধুদের সাথে জম্পেস আড্ডাটাও কি কম ইম্পর্ট্যান্ট? এর মাঝে ক্যাম্পাসের আশেপাশের দর্শনীয় স্থানে ঘোরাঘুরি। এই সব কিছুর ফাঁকে কাস-প্র্যাকটিকাল তো করতেই হয় (যন্ত্রণা)। সুতরাং এতদিক রক্ষা করে অজন্তা যে সুস্থভাবে বাড়ি ফিরতো সে-ই ঢের। কিন্তু অজন্তার মা এসব বুঝলেন না। মেয়ের ওপর কড়া শাসনের ব্যর্থ চেষ্টা করে তিনি পাকা সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেললেন, বেয়াড়া মেয়েটাকে বিয়ে দিতে হবে।&lt;/p&gt; &lt;p style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;অজন্তার মাথায় পুরো আকাশ ভেঙ্গে পড়লো। মাকে শত অনুনয় করেও লাভ হলো না। সামনে পুরো জীবন, ক্যারিয়ার, এনজয়মেন্ট--এর মাঝে বিয়ে নামের যন্ত্রণা! রক্ষে করো ঈশ্বর, অজন্তাকে বাঁচাও। ঈশ্বর শুনলেন, অজন্তাকে বাঁচানোর পথ বের করে দিলেন। হবু বর নামক শত্রুর সাথে কথা বলার সুযোগ পেলো সে। হঠাৎ এক সন্ধ্যায় অজানা কণ্ঠের ফোন--সে-ই। সুযোগ পেয়েই নানান মিথ্যে অজুহাতে বিয়ে ভাঙ্গার চেষ্টা চালালো সে। পাত্র অনড়, অজন্তা যে সমস্যার কথাই বলে বিরক্তিকর রকমের ভদ্র বর বলে "It's ok,No prolem"। এরপর প্রতিদিন তাকে জ্বালাতে আসতে শুরু করলো ফোন। কোন উপায় না দেখে অজন্তা একদিন তাকে বলে বসলো, "আমার একজনে সাথে অ্যাফেয়ার আছে....", তখনও প্রতুত্তর "It's ok,তোমার বয়সে এটাই স্বাভাবিক। "No problem,বিয়ের পর আমি এসব মনে রাখবো না"-!!! প্রায় হাল ছেড়ে দিয়ে অজন্তা প্রতি রাতে আতংকে থাকে কখন যেন নির্লজ্জ, নাছোড়বান্দা লোকটার ফোন বেজে ওঠে। অবশেষে শেষ চেষ্টা হিসেবে অজন্তা একদিন তাকে সত্যি কথাই বলে। বলে তার স্বপ্নের কথা, তার পড়াশোনা, স্বাধীনভাবে ক্যাম্পাস-জীবন কাটানোর ইচ্ছা, একটা ব্রিলিয়ান্ট ক্যারিয়ার....। টেলিফোনের অপর প্রান্ত নি:শ্বব্দে সব শোনে, বুঝতে পারে একটা উজ্জ্বল জীবনের স্বপ্নভঙ্গের বেদনা...এবং অবশেষে ধীরে ধীরে ছোট্ট করে বলে "ok dear, তোমার স্বপ্নই সত্যি হোক, ভালো থেকো।"&lt;/p&gt; &lt;p style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;অত:পর...। আতংকের সেই ফোনটা আর আসে ন। অজন্তা ভাবে বুঝি বাঁচা গেলো। বাঁচতে গিয়ে দ্যাখে কিসের অপেক্ষায় যেন সমস্ত দিন বড্ড ফাঁকা। প্রিয় ক্যাম্পাসের প্রিয় ব্যস্ততাগুলো অর্থহীন--রাত নামে, বাড়ে প্রতীক্ষা। নিজের অনুভবের হঠাৎ পরিবর্তনে হতবাক নিজেই সে ভাবতে থাকে "Is it really ok?"&lt;/p&gt; &lt;p style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;এরপর একদিন চূড়ান্ত দ্বিধা আর ভয় নিয়ে ভীষন কাঁপা হাতে অজন্তা আঙুল ঘোরায় এক অনভ্যস্ত নম্বরে, পরিচিত কণ্ঠস্বরের আশায়...।&lt;/p&gt; &lt;p style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;আসলে অজন্তার কোন অলটারনেটিভ ছিলো না। সুতরাং বাধ্য হয়েই...&lt;/p&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/1090308001181777331-5014241608515591243?l=projapoti.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://projapoti.blogspot.com/feeds/5014241608515591243/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=1090308001181777331&amp;postID=5014241608515591243&amp;isPopup=true' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/5014241608515591243'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/5014241608515591243'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://projapoti.blogspot.com/2007/10/blog-post_18.html' title='...অতঃপর !'/><author><name>নিঘাত সুলতানা তিথি</name><uri>http://www.blogger.com/profile/01171944509548484876</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='21' height='32' src='http://img1.orkut.com/images/medium/1188076426/19981351.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-1090308001181777331.post-2089669305106099330</id><published>2007-10-17T22:36:00.001+10:00</published><updated>2008-05-01T04:11:17.883+10:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='গল্প'/><title type='text'>হৃদয়পাত্র উচ্ছ্বলিয়া</title><content type='html'>&lt;a style="color: rgb(0, 0, 0);" onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://images.somewhereinblog.net/phpThumb/phpThumb.php?src=../bba/images/1174304892_projapoti.jpg&amp;amp;w=400"&gt;&lt;img style="margin: 0pt 0pt 10px 10px; float: right; cursor: pointer; width: 200px;" src="http://images.somewhereinblog.net/phpThumb/phpThumb.php?src=../bba/images/1174304892_projapoti.jpg&amp;amp;w=400" alt="" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;p style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;একটানা বেজে চলা টেলিফোনটা ধরতে ইচ্ছা করছেনা কেন জানি। অলস সময়টা রোজকার মত আজ একঘেয়েও মনে হচ্ছে না, বরং সব বাদ দিয়ে অলসতাটাকেই আঁকড়ে বসে থাকতে ভালো লাগছে যেন। টেলিফোনের ওপাশে মেয়েটা নিশ্চয়ই চিন্তায় অধীর হচ্ছে, তা হোক না একদিন--রোজ সেই একই নিয়ম, অফিসে বসে দুপুরের খাবারের ফাঁকে মায়ের খোঁজ--আজ নাহয় সে একটু চিন্তায় পড়ুক। &lt;/p&gt; &lt;p style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;আজ দিনটার শুরুই যে অন্য রকম, আজ ভাঙুক সব নিয়ম।&lt;/p&gt; &lt;p style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;বারান্দার ইজি চেয়ারে গা এলিয়ে আজ বহুদিন পরে বিকালটাকে বড় সুন্দর মনে হলো আমার। বিকালের নরম হলুদ আলো বুঝি সত্যি এত সুন্দর হয়! কতদিন আমি দেখিনি, কতদিন চোখ বুঝে ছিলাম, কত বছর? &lt;/p&gt; &lt;p style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;পাশে রাখা সাদা খামটার দিকে চোখ পড়ে আবার। আজই সকালের ডাকে হাতে এলো। প্রাপকের নাম বরুণা। চমকে উঠেছিলাম, এই নামে আমাকে কেউ ডাকে না আজ কত বছর! &lt;/p&gt; &lt;p style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;...তারপর...তীব্র আবেগে সংবরনহীন জলোচ্ছ্বাস। না, আজ আর কোন খেদ নেই, কোন অভিযোগ নেই আমার জীবনের কাছে। জীবনের শেষ প্রান্তে দাঁড়িয়ে কি অপূর্ব উপহার, কি শান্তি! পূর্ণতা।&lt;/p&gt; &lt;p style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;আজ সেই চিঠি এলো, যার প্রতিক্ষায় দিন গুনেছি আমি আমার জীবনের শ্রেষ্ঠ সময়ে। যে কথার শুণ্যতায় এত বছরের পূর্ণ সংসারে সব থেকেও কিসের এক অপূর্ণতা ঘিরে ছিলো আমাকে--আজ তা-ই রঙীণ ঘুড়ির মত উড়ে উড়ে আমার দরজায় আটকা পড়েছে...আর কি চাইবার থাকলো আমার জীবনের কাছে? &lt;/p&gt; &lt;p style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;"বরুণা,&lt;br /&gt;খুব চমকে গেছো বুঝি আজ এতদিন পরে আমার চিঠি পেয়ে! অথবা উলটোটাও হতে পারে, হয়তো বিরক্ত, কিছুটা বিব্রত। কিন্তু এতটা বয়সে, এত দিন পরে তোমাকে লিখতে গিয়ে আমার কিন্তু চমক, বিরক্তি বা বিব্রতবোধ--এর একটাও হচ্ছে না।&lt;/p&gt; &lt;p style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;দেশে গিয়েছিলাম গত বছর, কি আশ্চর্য অঞ্জনের মৃত্যুর খবর আমি সেবার মাত্র পেলাম জানো? তখনই তোমাকে লিখতে চেয়েছিলাম, কিন্তু কি এক অস্বস্তি, যা এতগুলো বছরে তোমার থেকে আমাকে দূরে রেখেছিলো -- আবারো আমাকে আটকে দিলো। থাক সে কথা। তোমার মেয়ে কেমন আছে? অনেক বড় হয়েছে নিশ্চয়ই? তোমার মত মুখ আর অঞ্জনের মাথা পেয়েছে শুনলাম নীলার কাছে।&lt;/p&gt; &lt;p style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;আমার ছেলেমেয়ে দুটোও খুব ভালো, আমার মত নয়, নীলারই মত- ভাগ্যিস, আমার মত হলে নীলাকে একসাথে তিনটা পাগল সামলাতে হোত! &lt;/p&gt; &lt;p style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;বরুণা, আজকাল শরীর ভালো থাকে না জানো? বয়স ধরে ফেললো বুঝি আমাকেও। সব সময়ের হাসিখুশি থাকা এই আমি মাঝে মাঝেই বড্ড আনমনা হয়ে কোথায় যেন হারিয়ে যাই। অতীত মনে পড়ে কেবল। মনে পড়ে দেশের কথা, আমার মফস্বলের শান্তিমাখা কৈশোর, প্রথম যৌবনের ইউনিভার্সিটি জীবন, প্রথম চাকরী স-ব। আর মনে পড়ে খুব ছোট্ট একটা সময়ে বিদ্যুতের মত আমার জীবন ঝলকে দেয়া তোমার কথা! বয়স বাড়লে বুঝি এমনই হয়? যা কিছু চলে গেছে তার কাছে ফিরে যেতে ইচ্ছে করে কেবল বারবার? তোমারও কি তাই হয় বরুণা?!&lt;/p&gt; &lt;p style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;কত কিছু বলছি কেবল, থাক আজ। তুমি ভালো থেকো, ঠিক তোমার নিজের মত করে।&lt;/p&gt; &lt;p style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;ইতি,&lt;br /&gt;অরুনাভ।&lt;/p&gt; &lt;p style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;পুনশ্চ: কেন আমি এমন হয়েছি বল তো? যে কথা বলব বলে আজ এত দিন পরে তোমাকে লিখতে বসেছি, এখনও তাই বলা হলো না! বরুণা, সেদিন তোমাকে ফিরিয়ে দিয়ে অনেক কষ্ট দিয়েছিলাম জানি। কিন্তু আজ জীবনের এতটা পথ পাড়ি দিয়ে যে কথা বলা অর্থহীন, তাই খুব বলতে ইচ্ছা করছে... বরুণা--তুমি জানো না, আমিই জানতে দিই নি, আজ বলছি, তোমাকে আমি ভালোবেসেছিলাম।&lt;/p&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt; -------------------------------------------------------&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;ইন্সপায়ার্ড বাই গি দ্য মোঁপাসা।&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/1090308001181777331-2089669305106099330?l=projapoti.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://projapoti.blogspot.com/feeds/2089669305106099330/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=1090308001181777331&amp;postID=2089669305106099330&amp;isPopup=true' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/2089669305106099330'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/2089669305106099330'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://projapoti.blogspot.com/2007/10/blog-post_3451.html' title='হৃদয়পাত্র উচ্ছ্বলিয়া'/><author><name>নিঘাত সুলতানা তিথি</name><uri>http://www.blogger.com/profile/01171944509548484876</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='21' height='32' src='http://img1.orkut.com/images/medium/1188076426/19981351.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-1090308001181777331.post-7922394303992658849</id><published>2007-10-16T13:14:00.001+10:00</published><updated>2008-05-01T13:52:46.401+10:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='চলচ্চিত্র'/><title type='text'>রাঙ দে বাসান্তি - এখন যৌবন যার</title><content type='html'>&lt;a style="color: rgb(0, 0, 0);" onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://images.somewhereinblog.net/phpThumb/phpThumb.php?src=../bba/images/1151398796_projapoti.jpg&amp;amp;w=400"&gt;&lt;img style="margin: 0px auto 10px; display: block; text-align: center; cursor: pointer; width: 400px;" src="http://images.somewhereinblog.net/phpThumb/phpThumb.php?src=../bba/images/1151398796_projapoti.jpg&amp;amp;w=400" alt="" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;"রাঙ দে বাসান্তি"। কিছুদিন আগে দেখা এই মুভিটা খুব বেশী মাথার মাঝে ঘুরপাক খাচ্ছে কদিন ধরে...নতুন করে মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছে অনেক পুরনো ভাবনা,তাই মনের তাগিদ থেকেই এই লিখা।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;দিল্লী ইউনিভার্সিটির এক ঝাঁক তরুণ-তরুণী , তাদের বন্ধুত্ব , আধুনিক জীবন-যাপন আর হঠাৎ বদলে যাওয়া আদর্শ-এই নিয়ে এগিয়ে গেছে "রাঙ দে বাসান্তি" মুভির কাহিনী।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;কারান,আসলাম,সুখী,ডিজে,সোনিয়া চমৎকার একটি বন্ধুদল। বন্ধুত্বের উচ্ছ্বলতায় কেটে যাওয়া দিনের মাঝে হঠাৎ করেই বিদেশ থেকে এলো "সু" নামের একটি মেয়ে। উদ্দেশ্য ভগৎ সিং-এর উপরে একটি ডকুমেন্টারি বানানো। ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের দু"শ বছর পরে দেশপ্রম যে কতখানি আজব অন্তসারহীন একটা "টার্ম "-এ পরিণত হয়েছে এই প্রজন্মের কাছে ওদের কথাবার্তায় তা স্পষ্ট। পপুলেশান,করাপশান-এই বেপারগুলোয় উর্দ্ধগতি ছাড়া দেশকে নিয়ে গর্ব (!) করার মত আর কিছুই তারা খুঁজে পায় না ! অথচ লিজেন্ড হয়ে ভগৎ সিং টিকে আছে সেই বৃটিশ মেয়েটির কাছে যার পিতামহ স্বয়ং বৃটিশ সরকারের প্রতিনিধি হয়ে তার দায়িত্ব পালন করে গেছেন চাকরীর খাতিরে আর ক্রমাগত অনুশোচনায় পুড়ে তার অভিজ্ঞতা লিখে রেখেছেন ডায়েরীতে ।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;এই ডকুমেন্টারীতে অভিনয় করতে করতেই এই অতি আধুনিক,নিজস্ব সংস্কৃতি প্রায় ভুলতে বসা তরুণদের মধ্যে জেগে ওঠে এতদিন মনের মাঝে লুকিয়ে থাকা দেশপ্রেম।তা আরো প্রয়োগিক হয় নিজেদের বন্ধুর ( যে মিগ 21-এর পাইলট) বিমান দুর্ঘটনায় মৃত্যুর পরে। দু'শ বছর আগের শহীদদের কাছ থেকে পাওয়া দেশপ্রেমের দীক্ষা নতুন করে সঞ্চারিত হয় তাদের মাঝে, শুরু হয় নতুন প্রজন্মের আন্দোলন- শাসকের বিরুদ্ধে, পার্থক্য কেবল তখন শাসক ছিলো ভিনদেশী আর এখন নিজেদের স্বাধীন দেশের নিজেদের নির্বাচিত সরকার।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;সিনেমাটি দেখতে দেখতে আমি নির্বাক হয়ে যাই। অনেকটা সময় কেটে যায় তেমন করেই....ভেতর থেকে কিছু একটা করার তাগিদ ঠেলে বের হয়ে আসে। এরকম হাজারটা অন্যায়, দূর্ণীতি রোজ আমাদের চোখের সামনে ঘটে যাচ্ছে আর দেয়ালে পিঠ ঠেকে রুখে দাঁড়ানোর বদলে সব আমাদের গা-সওয়া হয়ে যাচ্ছে। সত্যি কি কিছুই করার নেই আমাদের? নিজের দিকে তাকাই, নিজে কি কখনও কিছু করতে পেরেছি?&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;না পারিনি...কিছুই পারিনি। একটু কেবল চেষ্টা করেছিলাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ ছাত্রদের আন্দোলগুলোতে যোগ দিয়ে নিজের বোধের দায় মেটাতে। শামসুন্নাহার হলের ছাত্রী নির্যাতনের প্রতিবাদে গড়ে ওঠা আন্দোলনের কথা মনে পড়লে এখনও আশাবাদী মনে হয় নিজেকে, কেমন করে অতি সাধারণ কিছু ছাত্র-ছাত্রী এক মুহুর্তে গর্জে উঠেছিলো প্রতিবাদে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;এই সময়ের তরুণ প্রজন্মকে আপাতদৃষ্টিতে কেবল ফ্যাশনপ্রিয় বাস্তবতাবর্জিত আত্মকেন্দ্রিক বলে মনে হতে পারে , কিন্তু আমি বিশ্বাস করি তাদের চোখটা হয়তো কোন কোন ক্ষেত্রে বন্ধ হয়ে আছে, খুলে দেবার দায়িত্ব প্রবীণদের। কেউ যদি ইতিহাস না পড়ে, কি করে নিজেকে সত্যের আলোয় আলোকিত করবে? আমরা যখন ইতিহাস পড়ি, ঐতিহাসিক কোন মুভি দেখি তখন নিজেকে বীরের আসনে বসিয়ে তার মত হবার ইচ্ছা জাগে মনে। নিজের ভেতরে আন্দোলনের আগুন জ্বলে ওঠে নিজের অজান্তেই। সেই আগুনকে কাজে লাগাতে হবে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;আমাদের এই অতি প্রিয় মাতৃভূমি কেবলই দূর্ণীতিতে চ্যাম্পিয়ন হিসেবে বিশ্বের কাছে পরিচিত থাকতে পারে না। নিজেদের চেষ্টায় তাকে আমাদের শহীদদের স্বপ্নের দেশ বানাতে হবে। অস্ত্রের আন্দোলনে না হোক, আমরা নিজেরা প্রত্যেকে তো নিজেদের অন্তত শুধরে নিতে পারি। সৎ মানুষ হিসেবে নিজের নিজের দায়িত্বটুকু পালন করতে পারি। চেষ্টা করতে পারি অন্তত পাশের মানুষটির মাঝে সেই আলো ছড়িয়ে দিতে। আমরা প্রত্যেকে যদি একেকজন সৎ মানুষ হই পুরো দেশটা কি তবে আমাদেরই সমষ্টি হবে না?&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;ষাট বছর অতিক্রম করেছে ভারত তার স্বাধীনতার। সেখান থেকে যদি তারা শিক্ষা নিতে পারে আমরা কেন পারব না আমাদের মুক্তিযুদ্ধ থেকে উদ্দীপনা নিতে? প্রতি মুহুর্তে তাকে স্মরণ করতে ! মাত্র ৩৫ বছরেই কি আমরা আমাদের মুক্তিযুদ্ধের মহান ইতিহাস ভুলে যাবো? ভুলে যাবো লাখ লাখ শহীদের রক্তদানের কথা? আমাদের আছে একাত্তুর,আছে বায়ান্ন,উনসত্তুর....আছে ইংরেজবিরোধী স্বদেশী লড়াই...। তাদেরই রক্ত যে বইছে আমাদের ধমণীতে...।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;তবে? আমরা কেন আশাবাদী হব না?&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;-------------------------------------------------------------------&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;২০০৬,জুন ২৭-এ লেখা হয়েছিলো, ঠিক এই মুভিটা দেখার পর পরই।&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/1090308001181777331-7922394303992658849?l=projapoti.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://projapoti.blogspot.com/feeds/7922394303992658849/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=1090308001181777331&amp;postID=7922394303992658849&amp;isPopup=true' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/7922394303992658849'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/7922394303992658849'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://projapoti.blogspot.com/2007/10/blog-post_17.html' title='রাঙ দে বাসান্তি - এখন যৌবন যার'/><author><name>নিঘাত সুলতানা তিথি</name><uri>http://www.blogger.com/profile/01171944509548484876</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='21' height='32' src='http://img1.orkut.com/images/medium/1188076426/19981351.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-1090308001181777331.post-2654259109936918341</id><published>2007-10-12T05:16:00.001+10:00</published><updated>2008-05-01T13:53:32.700+10:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='পূজো'/><title type='text'>মহালয়ার শুভেচ্ছা</title><content type='html'>&lt;a style="color: rgb(0, 0, 0);" onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://images.somewhereinblog.net/phpThumb/phpThumb.php?src=../bba/images/1159139771_projapoti.jpg&amp;amp;w=400"&gt;&lt;img style="margin: 0pt 10px 10px 0pt; float: left; cursor: pointer; width: 200px;" src="http://images.somewhereinblog.net/phpThumb/phpThumb.php?src=../bba/images/1159139771_projapoti.jpg&amp;amp;w=400" alt="" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;সকালে ঘুম ভাঙতেই বার্তা এলো "মহালয়ার শুভেচ্ছা আর ভালোবাসা নাও"। চোখের সামনে সুচেতা'দির মায়াবতী মুখটা ভেসে উঠলো, শুরু হলো শুভেচ্ছাময় স্নিগ্ধ একটা দিনের।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;বৃষ্টি বৃষ্টি মেঘলা দিন। দিদির পাঠানো শুভেচ্ছায় বারে বারে চলে যাচ্ছিলাম পূজোর সব আনন্দ-স্মৃতিতে। দিদির মুখ ভাবতে ভাবতে খুব মনে পড়লো মাসীমার কথা। ভীষন মিষ্টি চেহারার আমাদের মাসীমা-- তাঁতের পাড়ওয়ালা শাড়ী, দু'হাতে শাখা আর পলা, সিঁথিতে মোটা করে সিঁদুর আর বেশ বড়সড় একটা টকটকে লালরঙা সিঁদুরের টিপ--এই আমাদের পুরো দস্তুর বাঙালী মাসীমা, আমাদের কেমিস্ট্রি টিচার সুশান্ত স্যারের গিন্নী। স্যারের মেয়ে শিল্পী ছিলো আমাদের বন্ধু। কলেজের সময়টায় প্রতিটা পূজায় মাসীমাকে না জ্বালালে যেন চলতোই না আমাদের বন্ধুদের। এরকম বৃষ্টি দিন উপেক্ষা করে ঠিক হাজির হতাম সুশান্ত স্যারের বাসায়। খটোমটো রসায়ন ক্লাস বাদ দিয়ে তাঁরই বাসায় বসে রস আনয়নের কাজটা আমরা নিজেরাই অত্যন্ত দক্ষতার সাথে করতাম। খাটের ওপর এলোমেলো বসে উলটাপালটা আড্ডা, একটু পর পর কি কি জানি নানান রকমের তেলে ভাজা মুচমুচে বড়া নিয়ে আসতেন মাসীমা আর আমরা কত তাড়াতাড়ি শেষ করব সেই প্রতিযোগীতায় নামতাম যেন। এদিকে টিভিতে চ্যানেল ঘোরাতে ঘোরাতে শিল্পীর হঠাৎ চিৎকার শুনে মাসীমা দৌড়ে এলেন একবার, "কি হয়েছে?!" "না মা, শাহরুখ খানকে দেখে!" আমরা হেসে গড়িয়ে পড়ছি আর মাসীমা গজগজ করতে করতে বলতে লাগলেন, "মা গো, শাহরুখ খানকে দেখে যে চিৎকার দিয়েছিস, ভগবানকে দেখেও তো দিবি না!"&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;মাসীমা এখন ঢাকায় থাকেন, অথচ এক শহরে থেকেও এখন আর যাওয়া হয় না একেবারেই। শিল্পীর বিয়ে হয়ে গেছে, মাসীমার মত অত মোটা করে নয়, ও সিঁদুর দেয় খুব চিকন করে, একটা কাঠির মাথায় একটুখানি সিঁদুর ছুঁইয়ে। আমার নিজের সিঁদুর খুব পছন্দের সাজ। কেমন একটা স্নিগ্ধ বাঙালীয়ানা যেন প্রকাশ পায় এতে। পহেলা বৈশাখ, ফাল্গুন, অথবা জগন্নাথ হলের পূজা দেখতে যাবার সময় যখন তাতের শাড়ি পড়ে খুব সাজি তখন সাথে সিঁথিতে সিঁদুর আর কপালে বড় একটা লাল টিপ না হলে যেন চলেই না। এরকম সেজে একবার ছবি তুলেছিলাম একটা, মা'র এত পছন্দ হলো, বড় করে বাঁধিয়ে রাখলেন ঘরের দেয়ালে। এরপর অনেকদিন পর্যন্ত আমাদের বাসায় কোন আত্মীয় এলেই চোখ কপালে তুলে বলেছে, "ওমা, সিঁদুর পরেছে কেন?! এ তো পাপ! " মামণি বলতো, "সাজার জন্য পরেছে, কি হলো তাতে?"&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;রোজা এসে গেলো। ক'দিন ধরে নিজেরটা বাদ দিয়ে মা'র জায়নামাজে নামাজ পড়ছি। আজ নামাজে দাঁড়িয়েও মা'র কথাই মনে হচ্ছিলো কেবল। ছোটবেলায় একবার খুব মন খারাপ করে মা'কে জিজ্ঞেস করেছিলাম, "আম্মু, রাধা কি কখনও বেহেশতে যাবে না?" মা কিছুক্ষণ অবাক হয়ে তাকিয়ে ছিলো আমার দিকে। তারপরে খুব হেসে বলেছিলো, "কে বলেছে তোমাকে এসব? আমরা আমাদের মত করে আল্লাহকে ডাকি। আর ওরাও কত ভক্তি করে ওদের ঈশ্বরকে। যদি সত্যি সৃষ্টিকর্তা বলে একজন থাকেন, তিনি কেমন করে কার প্রার্থনা শুনবেন, তুমি-আমি কি বলতে পারি?" কতখানি বুঝেছিলাম মনে নেই, তবে সেই ছোট্টবেলায় খুব শান্তি পেয়েছিলাম কথাটা শুনে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;সেই শান্তিটাই বিশ্বাস হয়ে গেঁথে আছে আজো মনের মাঝে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;------------------------------------------------------------------&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;এই লেখাটা গত বছর পূজোর সময় লিখা। নিজের স্মৃতি নিজের কাছে বড় ভালো লাগার। তাই নিজের পাতায় এবারের পূজোর ক'দিন বাদে আবার তুলে রাখলাম।&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/1090308001181777331-2654259109936918341?l=projapoti.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://projapoti.blogspot.com/feeds/2654259109936918341/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=1090308001181777331&amp;postID=2654259109936918341&amp;isPopup=true' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/2654259109936918341'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/2654259109936918341'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://projapoti.blogspot.com/2007/10/blog-post_9533.html' title='মহালয়ার শুভেচ্ছা'/><author><name>নিঘাত সুলতানা তিথি</name><uri>http://www.blogger.com/profile/01171944509548484876</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='21' height='32' src='http://img1.orkut.com/images/medium/1188076426/19981351.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-1090308001181777331.post-2691731156946547872</id><published>2007-10-12T00:08:00.002+10:00</published><updated>2008-05-01T13:54:20.320+10:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='গল্প'/><title type='text'>বোধ</title><content type='html'>&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);font-size:100%;" &gt;একটু আগে রুমের শেষ জেগে থাকা সদস্য হিসেবে আলো নিভিয়ে বিছানায় চিত হয়ে শুয়ে পড়েছি। সোজা ঘরের সিলিংয়ে চোখ। এরপর দৃষ্টির ভ্রমণ। ঘরের সাথে লাগোয়া বারান্দার পাশে কৃষ্ণচুড়া গাছ, পূর্ণিমার আলোয় তার কি অপূর্ব ছায়া পড়েছে ঘরের দেয়ালে! আলোছায়ার এই সৌন্দর্য আজ বহু দিন পরে যেন আবার নজরে এলো আমার। আমার বেকার জীবনের অবসান হবে খুব শীঘ্রি, এর'চে শান্তির ভাবনা আর কি হতে পারে আমার জন্য?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ঠিক পাশের বেডে বিভোর হয়ে ঘুমুচ্ছে আমার বন্ধু রতন। বাপস, একটা মানুষের ঘুম এত গাঢ় হয়,রতনকে না দেখলে ধারণাই থাকতো না আমার। আটপৌরে জীবনযাত্রার জল-খাবারের মত স্বাভাবিক হয়ে যাওয়া অসংখ্য ইতিহাস আছে আমাদের বন্ধুত্বের, ইউনিভার্সিটির এবং হল-জীবনের এই ৭ বছরে। সবাই বলে রতন-স্বপন মাণিকজোর। আজ এই মাঝ রাতে জরুরী একটা সময়ে কেন সেই ভাবনার আদিখ্যেতা আমাকে বিব্রত করছে বুঝতে পারছি না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;অন্ধকারে উঠে বসি আমি নিজের অজান্তে। নাহ, দ্বিধাটা সরাতেই হবে মন থেকে। কিচ্ছু করার নেই, আর কোন উপায় নেই আমার কাছে। ফজলু ভাইকে কথা দিয়েছি, কালকের মধ্যে টাকাটা তার হাতে দিতেই হবে; নইলে এই চাকরীটা পাবার আশাও ছাড়তে হবে আমাকে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;রতনের বালিশের নিচে রাখা চাবিটা বের করে আনা কোন ব্যাপারই না আমার জন্য। কাংখিত জিনিসটা কোথায় সেটা খুব ভালো করে জানা আছে আমার। সেটা বের করে আনার আগে চাবি হাতে তবু কয়েকটা মুহুর্ত নষ্ট হলো আবার। মনে পড়লো রতনের কথা, গতকালই এই সোনার হারটা কিনেছে সে। কিনে সবার আগে আমাকেই দেখিয়েছে। "বুঝলি, আমার পুচকি বোনটা বড় হইয়া গেলো! দেখতে শুনতে ভালো তো, বিয়াশাদির প্রস্তাব আসতেসে খালি। কবে যে ফুট কইরা চইলা যায় আমগো রে ফালাইয়া! টিউশ্যনির টাকা থেইকা সেই ফার্স্ট ইয়ার থেইকা ওর জন্য কিছু টাকা বাঁচাইছিলাম। অবাক হইছস না? আমার মত খরুচে পোলা কেমনে এত দিন ধইরা জমাইলাম এই টাকা তাই ভাবতেছস? বোনটা বড় আদরের রে, খুব আদরের"। কথা শেষ করে আশ্চর্যজনকভাবে শার্টের হাতায় চোখ মুছেছিলো রতন। আমার অবাক হবার ক্ষমতাও হার মেনেছিলো ওর এই কান্ডে। জীবনে অত ভালোবাসা কারো জন্য জমা থাকতে পারে সেই ধারণাই আমার ছিলো না!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;চাবিটা আগের জায়গায় আবার রাখার পরেও রতনের ঘুম ভাঙ্গেনি, জানতাম। আগামীকাল ভোরে ধড়মড় করে ঘুম থেকে উঠে বাড়ির ট্রেন ধরার আগে গুছিয়ে রাখা ট্রাভেল ব্যাগটা কাঁধে নেবার আগে একবার চেক করেও দেখবে না আমার বোকা বন্ধুটা, সেও জানি। এইসব ভাবনা কেন আমি ভাবছি? আমার উচিত স্বস্তির একটা বিশাল নিঃশ্বাস ফেলা। আমার চাকরীটা হয়ে যাবে এবার নিশ্চিত, ফজলু ভাই কথা দিয়েছে। আমি চোখ বন্ধ করি একটা শান্তির ঘুমের আশায়, বুজে থাকা চোখের কোন থেকে অকারণে গড়িয়ে পরে কি যেন একটা, আমি পাত্তা দেই না - আর কখনও দেবও না।&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/1090308001181777331-2691731156946547872?l=projapoti.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://projapoti.blogspot.com/feeds/2691731156946547872/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=1090308001181777331&amp;postID=2691731156946547872&amp;isPopup=true' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/2691731156946547872'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/2691731156946547872'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://projapoti.blogspot.com/2007/10/blog-post_2576.html' title='বোধ'/><author><name>নিঘাত সুলতানা তিথি</name><uri>http://www.blogger.com/profile/01171944509548484876</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='21' height='32' src='http://img1.orkut.com/images/medium/1188076426/19981351.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-1090308001181777331.post-4387740716875121133</id><published>2007-10-11T13:18:00.002+10:00</published><updated>2008-05-01T23:23:19.583+10:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='চলচ্চিত্র'/><title type='text'>স্টিল দেয়ার ইজ হোপ</title><content type='html'>&lt;a style="color: rgb(0, 0, 0);" onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://images.somewhereinblog.net/phpThumb/phpThumb.php?src=../bba/images/1161106293_projapoti.jpg&amp;amp;w=400"&gt;&lt;img style="margin: 0pt 0pt 10px 10px; float: right; cursor: pointer; width: 200px;" src="http://images.somewhereinblog.net/phpThumb/phpThumb.php?src=../bba/images/1161106293_projapoti.jpg&amp;amp;w=400" alt="" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);font-size:100%;" &gt;ভূমিকম্প এবং যুদ্ধগ্রস্ত ছোট্ট, সুন্দর দ্বীপ সেফালোনিয়া, সেখানকার একমাত্র ডাক্তার এবং তার কন্যা পেলাগিয়া--এদের ঘিরেই সাদামাটা কাহিনীর সিনেমা "ক্যাপ্টেন করেলি'স ম্যান্ডোলিন"। কিন্তু অন্তত একটা দৃশ্যের চিত্রায়ন আর একটা চিঠির কারণে সাদামাটা এই মুভিটা আর সাদামাটা থাকে নি, অন্তত আমার কাছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;পেলাগিয়া প্রথম যৌবনে প্রেমে পড়েছিলো প্রতিবেশী মান্দ্রাজের। তারপর যুদ্ধকালীন সময়ে তাদের মধ্যে সৃষ্টি হওয়া দূরত্বের সময়ে সে বুঝতে পারে মান্দ্রাজের প্রতি তার ভালোবাসার আসলে ততটা জোর নেই যতটা হলে তাকে ভালোবাসা নাম দিয়ে সীমাহীন সময় অপেক্ষা করা যায়। সময় যায়, আবার তার জীবনের চরম প্রতিকূল মুহুর্তে প্রেম আসে-- ক্যাপ্টেন করেলি--মার্চপাস্টের সময়েও যার পিঠের ঝোলায় দুলতে থাকে তার প্রিয় ম্যান্ডোলিন। কিন্তু অপেক্ষা--পেলাগিয়ার নিয়তির সাথে বুঝি একসুরে বাঁধা। আবার দূরত্ব এসে দাঁড়ায় পেলাগিয়া আর ক্যাপ্টেন করেলি'র মাঝে। জীবন চলতে থাকে জীবনের নিয়মে, বৃদ্ধ ডাক্তার বাবা, যুদ্ধে এতিম পাশের বাড়ির ছোট্ট মেয়ে আর বাবার হাসপাতালে মানুষের সেবা--এই নিয়েই বেঁচে থাকে পেলাগিয়া।হঠাৎ একদিন-- একটা মাত্র পার্সেল আবার গতি এনে দেয় পেলাগিয়ার ছন্দহীন জীবনে--ক্যাপ্টেন করেলি'র বাজানো ম্যান্ডোলিনের সুরের রেকর্ড।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ঠিক সেই সময়ে ক্যাপ্টেন করেলিকে পেলাগিয়ার বাবার লিখা চিঠি এবং তার পরবর্তি দৃশ্য আমাকে এত বেশি নাড়া যে কেন দিলো..!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;"Antonio, I don't know wheather this letter will reach you or even if you are alive. Perhaps someone else sent us your record. And that is why we found the note. I would like to say that Pelagia is happy but she is full of tears she will not let fall, and over grief no doctor can mend. She blames herself for the pain we have suffered and perhaps same is true for you.&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;You know I am not a religious man. But i believe this if there is a wound, we must try to heal it. If there is someone who's pain we can cure, we must search till we find them. If the Gods have choosen that we should survive, it will be for a reason..."&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;চিঠিটার এই শেষ লাইন লেখার মুহুর্তে প্রচন্ড ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত হয় তাদের বাড়ি, চেম্বার, হাসপাতাল। হাসপাতাল থেকে দৌড়ে এসে পেলাগিয়া নিজেদের বাড়ির ধ্বংসস্তুপের ওপর বসে থাকা তার বাবাকে খুঁজে পায়। চিঠি এবং তার পরের মুহুর্তেই দুর্যোগের সাথে যুদ্ধ করে টিকে থাকার ভীষণ স্পর্শকাতর এই দৃশ্য-- আমার মনে হয়েছিলো প্রচন্ড হতাশাকে অগ্রাহ্য করে বেঁচে থাকার গোপন অথচ চিরকালীন মানব-মন্ত্রের একটা অসাধারণ সার্থক চিত্রায়ন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এই রকম একটা দৃশ্য দেখলে গভীর স্বস্তির একটা নিশ্বাসের সাথে বুক থেকে বেরিয়ে আসে একটা বিশ্বাস-- " Still there is hope".&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/1090308001181777331-4387740716875121133?l=projapoti.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://projapoti.blogspot.com/feeds/4387740716875121133/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=1090308001181777331&amp;postID=4387740716875121133&amp;isPopup=true' title='2 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/4387740716875121133'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/4387740716875121133'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://projapoti.blogspot.com/2007/10/blog-post_1942.html' title='স্টিল দেয়ার ইজ হোপ'/><author><name>নিঘাত সুলতানা তিথি</name><uri>http://www.blogger.com/profile/01171944509548484876</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='21' height='32' src='http://img1.orkut.com/images/medium/1188076426/19981351.jpg'/></author><thr:total>2</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-1090308001181777331.post-3121385184142485282</id><published>2007-10-11T03:03:00.001+10:00</published><updated>2008-05-01T23:21:04.735+10:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='খেরোখাতা'/><title type='text'>মুঠো ভরা আলো</title><content type='html'>&lt;a style="color: rgb(0, 0, 0);" onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://images.somewhereinblog.net/phpThumb/phpThumb.php?src=../bba/images/1150746527_projapoti.jpg&amp;amp;w=400"&gt;&lt;img style="margin: 0px auto 10px; display: block; text-align: center; cursor: pointer; width: 400px;" src="http://images.somewhereinblog.net/phpThumb/phpThumb.php?src=../bba/images/1150746527_projapoti.jpg&amp;amp;w=400" alt="" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);font-size:100%;" &gt;     "আমার কাছে সমগ্র দেশটাকেই পরীর দেশ বলিয়া মনে হইতো "।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উচ্চমাধ্যমিকের কোন এক শ্রেণীতে প্রথম পড়েছিলাম বিভূতিভূষন বন্দোপাধ্যায়ের লেখা "আরণ্যক"-এর একটা অংশ। সেই থেকে তাঁর জাদুময় লেখনীর ভক্ত হয়ে যাওয়া। বিভূতিভূষনের আশ্চর্য সুন্দর বর্ণনা কেমন যেন আলৌকিক একটা জগতে নিয়ে যায়। তাঁর লেখা পড়তে পড়তেই সব সময় প্রার্থনা করতাম- রূপকথার পরীর দেশ নয়, বাস্তবে যদি কখনও এমন সৌন্দর্যের সামনে দাঁড়াতে পারতাম !&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সব সময় ভেবেছি এই চাওয়াটুকু কেবল চাওয়াই হয়ে থাকবে হয়তো, বা তাঁর মত দৃষ্টিশক্তির অভাবে দেখেও বুঝব না। ঈশ্বরের পরম কৃপা, আমার এই দুর্ভাবনা সত্যি হয় নি। আমার দেশের খুব ছোট্ট একটা গন্ডিতে ঘোরাফেরা করা এই আমি একদিন সত্যি হাজির হলাম পরীর রাজ্যে ! ময়মনসিংহ এগ্রিকালচারাল ইউনিভার্সিটির আমাবাগানে ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বন্ধুর বাড়ি বেড়াতে গিয়েছিলাম আরো অনেক বন্ধু মিলে। সারাদিন জার্নি আর খাওয়াদাওয়াতেই কেটে গিয়েছিল সময়, জানতামই না আমার এতদিনের কাংখিত বিস্ময় চুপচাপ বসে আছে সন্ধেবেলার আশায়! অন্য কথায় যাবো না, সেইটুকুই কেবল বলি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;.......অন্ধকার চারপাশ। রিক্সা পুরো ইউনিভার্সিটি চককর দিয়ে চারপাশের হলগুলোর মাঝের একটা রাস্তায় চলতে শুরু করলো। চলতে চলতেই অন্ধকার গাঢ়তর হলো। এত অন্ধকারে একটু কেমন যেন গা ছমছম করছিলো। আর ঠিক তখনি অন্যরকম এক আলো একটু একটু করে এগিয়ে আসতে লাগলো আমাদের দিকে। একটু পরে দেখা দৃশ্যটা আমার কাছে এখনও ঠিক বিশ্বাসযোগ্য মনে হয় না...শত শত জোনাকি! বেশির পরিমাপ বুঝাতে শত বলাটা অভ্যাস হয়ে গিয়েছে, আসলে বোধহয় কোটি কোটি জোনাকি। নাহ, একটুও বাড়িয়ে বলছি না! আমরা যখন পূর্ণ অন্ধকারে ওখানটায় পৌঁছলাম, রাস্তার চারপাশের জলাশয়ে আর তার পাশের ঝোপঝাড় থেকে এমন করে জোনাকি বের হয়ে এলো যে আমার মনে হলো এ বুঝি ওদেরই জগৎ...ওরা দলবেঁধে এসে স্বাগত জানালো অতিথিদের। দৃশ্যটা এমন - আমাদের ডানে,বামে,মাথার ওপরে, চারপাশে কেবল জোনাকি আর জোনাকি! বোকার মত হতবুদ্ধি হয়ে দাঁড়িয়ে রইলাম অনেকক্ষন। তারপর ঘোর ভেংগে দুই হাত প্রসারিত করে এক ছুট লাগালাম অন্ধকার ঘোঁচানো জোনাকির আলোতে। চোখ বন্ধ করে হাত মুঠো করে আবার খুলতেই দেখি জোনাকি ভর্তি সেখানে! মুঠো ভর্তি জোনাকি চালান করে দিলাম বন্ধুর পকেটে। হাতের তেলোয় জোনাকি, পকেট ভর্তি জোনাকি, চারপাশটা জুড়ে কেবল জোনাকি আর জোনাকির রহস্যময় আলো....!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;একটা সময় গা ছমছম করে আমার মনে হতে লাগলো জোনাকির আড়ালে এই বুঝি আমার সেই পরীর দেশ !&lt;br /&gt;নয়?&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/1090308001181777331-3121385184142485282?l=projapoti.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://projapoti.blogspot.com/feeds/3121385184142485282/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=1090308001181777331&amp;postID=3121385184142485282&amp;isPopup=true' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/3121385184142485282'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/3121385184142485282'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://projapoti.blogspot.com/2007/10/blog-post_11.html' title='মুঠো ভরা আলো'/><author><name>নিঘাত সুলতানা তিথি</name><uri>http://www.blogger.com/profile/01171944509548484876</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='21' height='32' src='http://img1.orkut.com/images/medium/1188076426/19981351.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-1090308001181777331.post-9060418917598006787</id><published>2007-10-09T17:24:00.001+10:00</published><updated>2008-05-01T23:20:23.983+10:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='খেরোখাতা'/><title type='text'>আবার শুরু হলো</title><content type='html'>&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);font-size:100%;" &gt;বহু দিন আগে নিজের এই ব্লগ দাঁড় করিয়ে রেখে আমি ঘুমাতে গিয়েছিলাম।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;হঠাৎ সেই ঘুম ভাঙার পরে দেখি, প্রায় এক বছর কেটে গেছে! বেচারা ব্লগ তো তেমনই দাঁড়িয়ে আছে একলা একলা। তাই আজকে অল্প একটু সময় খেটেখুটে ওর চেহারাটা একটু ঘঁষে মেজে দিলাম। এবার আশা করি চলতে থাকবে, আমার হাত ধরেই।&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/1090308001181777331-9060418917598006787?l=projapoti.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://projapoti.blogspot.com/feeds/9060418917598006787/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=1090308001181777331&amp;postID=9060418917598006787&amp;isPopup=true' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/9060418917598006787'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/9060418917598006787'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://projapoti.blogspot.com/2007/10/blog-post.html' title='আবার শুরু হলো'/><author><name>নিঘাত সুলতানা তিথি</name><uri>http://www.blogger.com/profile/01171944509548484876</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='21' height='32' src='http://img1.orkut.com/images/medium/1188076426/19981351.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-1090308001181777331.post-299504562602908890</id><published>2006-11-03T14:41:00.001+11:00</published><updated>2008-05-01T23:19:46.176+10:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='সংস্কৃতি'/><title type='text'>বাদল দিনের ভাবনা- কবিতায়, গানে</title><content type='html'>&lt;a style="color: rgb(0, 0, 0);" href="http://photos1.blogger.com/blogger2/7603/133094238425509/1600/040917100805117_dsc_77411.jpg"&gt;&lt;img style="" alt="" src="http://photos1.blogger.com/blogger2/7603/133094238425509/320/040917100805117_dsc_77411.jpg" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;&lt;span style="font-size:130%;"&gt;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;&lt;span style="font-size:130%;"&gt;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;&lt;span style="font-size:100%;"&gt;"কিসের এমন প্রেরণা পেয়েছে মন&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;&lt;span style="font-size:100%;"&gt;নষ্ট আঁধারে শ্রেষ্ঠ বাসনা খোঁজে&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;&lt;span style="font-size:100%;"&gt;বুকের অসুখে সুখের স্বপ্ন লিখে&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;&lt;span style="font-size:100%;"&gt;ঘন দুর্যোগ তবু সে ভাসায় বেহুলার সাম্পান..."&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);font-size:100%;" &gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;div style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;&lt;span style="font-size:100%;"&gt;...&lt;/span&gt;&lt;span style="font-size:100%;"&gt;রুদ্র চলে গেছে সেই কবে, কবিতারা রয়ে গেছে...প্রেরণাদায়িনী কবিতারা, আজো ভেসে বেড়ায় বাতাসের গন্ধে...। বাঙালী বড় আজব জাতি, পেটে ভাত নেই তবু খোঁচা দাড়ি মুখে নিয়ে কবিতা ছাড়ে না! এত আবেগ কোথায় পেলো তারা? অন্য কেউ নয় গো, এই আমরাই। &lt;/span&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt; &lt;/div&gt;&lt;div style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt; &lt;/div&gt;&lt;div style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;&lt;span style="font-size:100%;"&gt;হুম, আমরা। আমি, আপনি--আর কবিতা। আর গান। আর আবেগ এবং বেঁচে থাকার দ্বন্দ অথবা স্বস্তি।&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);font-size:100%;" &gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;div style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;&lt;span style="font-size:100%;"&gt;আষাঢ় মাস। ঝরঝর ঝুম বৃষ্টির বাদল দিন। খুব ইম্পর্ট্যান্ট একটা কাজ ছিলো আজ...টানা বৃষ্টিতে ভেস্তে গেলো, বেরুতেই পারলাম না ঘর থেকে। মেজাজ খারাপ করে কিছুক্ষণ বসে থেকে কি ভেবে গান ছেড়ে দিলাম সিডিতে, "আমার হারিয়ে যাওয়া তুমুল কালো মেঘ/ তোর হারিয়ে যাওয়া কাশের বনে..."। অর্ণবের গানের অদ্ভুত সুন্দর সুর আর ভীষন উদাস করা গানের কথায় কোথায় হারিয়ে গেলো কাজের গুরুত্ব !&lt;br /&gt;গানের সুরে, বৃষ্টির শব্দে ভাবতে বসি কি যেন...ভাবতে থাকি...&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);font-size:100%;" &gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);font-size:100%;" &gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;div style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;&lt;span style="font-size:100%;"&gt;বিশ্ব এগিয়ে যাচ্ছে। প্রযুক্তির প্রচন্ডতায় বই পড়া, কাব্য লিখাকে সময় নষ্ট মনে করে জীবনযাত্রা থেকে ঝেড়ে ফেলাটাই বুঝি এখন বুদ্ধিমত্তার পরিচায়ক। তবু বাঙালী লিখে যায়, তার আবার বই বেরোয়, এখনও সেই বই মারমার কাটতিতে বাজার কাঁপায়। একুশে বইমেলায় ভীড়ের চাপে হেঁটে চলা দায় হয়ে দাঁড়ায়। এরকম মন্তব্য এখনও প্রচলিত যে বাংলাদেশে কাক ও কবির সংখ্যা প্রায় কাছাকাছি !&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);font-size:100%;" &gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);font-size:100%;" &gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;div style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;&lt;span style="font-size:100%;"&gt;মানুষগুলো বদলে যাচ্ছে দিনে দিনে, বদলে যাচ্ছে যাপিত জীবন...তবু কৈশোর পেরুনো মেয়েটা আজো বদলালো না---পড়াশোনায় মন নেই তেমন, হঠাৎ মোটা কাগজ আর রং-তুলি হাতে বসে পড়ে ছবি আঁকার নেশায়, একলা ঘরে দরজা বন্ধ করে চালিয়ে দেয় সর্বোচ্চ আওয়াজে গান। তার হুট করে আবৃত্তি করে ওঠে, " তোমারও অভিসারে যাবো অগম পারে...কাঁদালে তুমি মোরে ভালোবাসারই ঘায়ে..." প্রবল আবেগের তোড়ে অকারণ কি এক কষ্টে তার নবীন চোখ ভেসে যায় জলে।&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;&lt;span style="font-size:100%;"&gt;ব&lt;/span&gt;&lt;span style="font-size:100%;"&gt;স্তিতে বেড়ে ওঠা একই বয়েসী মেয়েটা কিন্তু এমন করে গান শুনতে আর পড়তে পারে না... তাই বলে কি তার আঠারো তাকে কিছু দেয় না? না খেয়ে না দেয়ে রাজ্যের ক্ষুধা আর প্রেমহীন ভালোবাসাহীন পরিবেশে সেও যে আনমনে গেয়ে ওঠে, "তুই যদি আমার হইতি রে, ও বন্ধু আমি হইতাম তোর, কোলেতে বসাইয়া তোরে করিতাম আদর রে..." কার জন্যে ভালোবাসায় শুষ্ক মনে প্রেম জাগে সে কি নিজেও তা জানে?&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);font-size:100%;" &gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);font-size:100%;" &gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;div style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;&lt;span style="font-size:100%;"&gt;জানা যায় না অনেক কিছুই। দেখাও যে যায় না কত কি! শুধু অনুভব করা যায়। যে রিকশাওয়ালা এই সভ্য (!) যুগে তার পাশের জনকে চৌদ্দ পুরুষের নাম উদ্ধার করে গালি দেয়, অহেতুক ঝগড়া বাঁধিয়ে রাস্তায় যানজট সৃষ্টি করে ফেলে তার মনের ভেতরের অনুভূতির ঝড়ের খোঁজ কি আমরা রাখি? তারও ভেতরে যে এক সভাবকবি থাকে, সারা দিন শেষে কান্ত রাতে যে গেয়ে ওঠে, " আমি যে রিশকাওলা, দিন কি এমন যাবে? বলি তাই হে মাধবী তুমি কি আমার হবে? আমি যে রিশকাকবি" ।&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);font-size:100%;" &gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);font-size:100%;" &gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;div style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;&lt;span style="font-size:100%;"&gt;কবিতা আর গান উজ্জীবিত করেছে বাঙালী জাতিকে বরাবরই। কখনও শান্তিময় জীবনে রোমান্টিক অনূভুতি জাগিয়ে, আবার কখনও ঝিমিয়ে পড়া মানসিকতাকে টেনে তুলে। তাই যুগে যুগে যখনই প্রবল বাস্তবতা আর আর শোষণ চেপে ধরেছে বাঙালী জাতিকে--সেই তেভাগা থেকে একাত্তরের মুক্তি সংগ্রাম অথবা আজকের স্বাধীন বাংলাদেশের কানসাট---তখনই তার প্রেমময় মনে অস্থিরতা আর বিদ্রোহ জন্ম নিয়েছে। যুগে যুগে তাই বাঙালী বিপ্লব করেছে, বিদ্রোহ করেছে, অস্ত্র তুলে নিয়েছে হাতে আর সাথে সাথেই কলম যুদ্ধে সৃষ্টি হয়েছে অমর কবিতামালা। "এখন যৌবন যার যুদ্ধে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময়"। হাল ছেড়ে দেয়া চরম দুর্দিনে সেই সব কবিতা গান আমাদের উৎসাহ জুগিয়েছে, নতুন করে বাঁচতে শিখিয়েছে।&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);font-size:100%;" &gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 0);font-size:100%;" &gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;div style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;&lt;span style="font-size:100%;"&gt;কবিতা আর গান-- এমনি করেই ছড়িয়ে আছে আমাদের দেশের মানুষের সমস্ত স্বত্তা জুড়ে। তাদের কেউ জীবনকে এক ফুৎকারে উড়িয়ে দেয় উদাসীনতায় আবার কেউবা আজীবন টানতে থাকে সংসারের ঘানি। আর কোন এক উদাসী মুহুর্তে বা অথবা প্রচন্ড কান্তি শেষের অবসরে আঁকড়ে ধরে কোন গান ... অথবা... কবিতা।&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;&lt;span style="font-size:100%;"&gt;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;&lt;span style="font-size:100%;"&gt;&lt;em&gt;&lt;/em&gt;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;&lt;span style="font-size:100%;"&gt;&lt;em&gt;&lt;/em&gt;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;&lt;span style="font-size:100%;"&gt;&lt;em&gt;&lt;/em&gt;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;&lt;span style="font-size:100%;"&gt;&lt;em&gt;&lt;/em&gt;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;&lt;span style="font-size:100%;"&gt;&lt;em&gt;&lt;/em&gt;&lt;/span&gt; &lt;/div&gt;&lt;div style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;&lt;span style="font-size:100%;"&gt;&lt;em&gt;&lt;/em&gt;&lt;/span&gt; &lt;/div&gt;&lt;div style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;&lt;span style="font-size:100%;"&gt;&lt;em&gt;বাংলালাইভ অনলাইন পত্রিকা থেকে নেয়া।&lt;/em&gt;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/1090308001181777331-299504562602908890?l=projapoti.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://projapoti.blogspot.com/feeds/299504562602908890/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=1090308001181777331&amp;postID=299504562602908890&amp;isPopup=true' title='3 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/299504562602908890'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/299504562602908890'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://projapoti.blogspot.com/2006/11/blog-post.html' title='বাদল দিনের ভাবনা- কবিতায়, গানে'/><author><name>নিঘাত সুলতানা তিথি</name><uri>http://www.blogger.com/profile/01171944509548484876</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='21' height='32' src='http://img1.orkut.com/images/medium/1188076426/19981351.jpg'/></author><thr:total>3</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-1090308001181777331.post-6563958405180901434</id><published>2006-10-30T06:17:00.001+11:00</published><updated>2008-05-01T23:19:08.340+10:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='খেরোখাতা'/><title type='text'>দ্বিধা</title><content type='html'>&lt;a style="color: rgb(0, 0, 0);" href="http://photos1.blogger.com/blogger2/7603/133094238425509/1600/Habijabi-4.jpg"&gt;&lt;img style="margin: 0px 10px 10px 0px; float: left;" alt="" src="http://photos1.blogger.com/blogger2/7603/133094238425509/320/Habijabi-4.jpg" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="color: rgb(0, 0, 0);"&gt;&lt;span style=";font-family:verdana;font-size:100%;"  &gt;কি যেন একটা ঘুরপাক খাচ্ছিলো কদিন ধরে মনের মধ্যে। খুব নরম কিন্তু কাদার মত, একটু পরেই বুঝি শক্ত হয়ে উঠে ঠিক একটা রূপ নেবে আমার মনের হাত ধরে। কিন্তু যখন অবশেষে লিখতে শুরু করলাম নিজের এই আপন পাতায়-- না, রোমান্টিক কিছু নয়, চোখের সামনে কেমন যেন ভেসে উঠছিলো রক্তের ছোপ ছোপ দাগ !&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মরছে মানুষ। কেন? ভাইরে, সামনে ইলেকশান না? এদেশে যেখানেই রাজনীতি জড়িয়ে আছে, সেখানেই যে রক্ত ছড়িয়ে যায়! কোন না কোন দল ক্ষমতার নরম গদিতে আরামে পশ্চাতদেশ ডুবিয়ে আস্ফালন করে আর লাভের খাতায় শূণ্য ছেপে রাজপথে নিজ রক্তের তৈলচিত্র আঁকে নির্বোধ জনগন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কিছু লিখতে গিয়ে নিজের বিক্ষিপ্ত মন নিয়ে যখন খুব বিপদে পড়ে যাই তখন মনে পড়ে খুব বিখ্যাত একটা পংত্তি-- "এখন যৌবন যার, যুদ্ধে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময়..."। থমকে ভাবি কিছুক্ষন... এখন যৌবন যার...যুদ্ধ...কিসের জন্যে? এই মরার ইলেকশানের? যেখানে "রাজা যায় রাজা আসে", কিন্তু যুদ্ধের ফল ধরে না?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বড় বেশি বিক্ষিপ্ত আমাদের এই যৌবন। জানিনা, কোথায় কিভাবে শুরু করতে হবে।&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/1090308001181777331-6563958405180901434?l=projapoti.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://projapoti.blogspot.com/feeds/6563958405180901434/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=1090308001181777331&amp;postID=6563958405180901434&amp;isPopup=true' title='3 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/6563958405180901434'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1090308001181777331/posts/default/6563958405180901434'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://projapoti.blogspot.com/2006/10/blog-post.html' title='দ্বিধা'/><author><name>নিঘাত সুলতানা তিথি</name><uri>http://www.blogger.com/profile/01171944509548484876</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='21' height='32' src='http://img1.orkut.com/images/medium/1188076426/19981351.jpg'/></author><thr:total>3</thr:total></entry></feed>
